Please briefly explain why you feel this question should be reported.

Please briefly explain why you feel this answer should be reported.

Please briefly explain why you feel this user should be reported.

Sign In

মাকতাবাতুল ফিকহ

মাকতাবাতুল ফিকহ Logo মাকতাবাতুল ফিকহ Logo

মাকতাবাতুল ফিকহ Navigation

  • Home
  • All Questions

Mobile menu

Close
  • Home
  • All Questions
  • Login
  • Signup
  • Recent Questions
  • Answers
  • Most Visited
  • Random
  • Followed Questions
  1. Asked: June 8, 2026In: ️তাহারাত (পবিত্রতা)

    প্রশ্ন নং ৫৫ ‣ হেঁটে হেঁটে মিসওয়াক করা যাবে কি?

    Taqiuddin Ahmed Bin Saad
    Taqiuddin Ahmed Bin Saad
    Added an answer on June 8, 2026 at 7:54 am

    হেঁটে হেঁটে মিসওয়াক করা ইসলামী শরীয়তে সম্পূর্ণ জায়েজ। ইসলামী ফিকহের একটি সুপরিচিত ও সর্বসম্মত মূলনীতি হলো "আল আসলু ফিল আশয়া আল ইবাহাহ" অর্থাৎ, ইবাদত ব্যতীত দুনিয়াবী বা সাধারণ যেকোনো কাজ ও বস্তুর ক্ষেত্রে মূল বিধান হলো তা মুবাহ বা বৈধ, যতক্ষণ না তা হারাম বা নিষিদ্ধ হওয়ার ব্যাপারে কুরআন বা সুন্নRead more

    হেঁটে হেঁটে মিসওয়াক করা ইসলামী শরীয়তে সম্পূর্ণ জায়েজ। ইসলামী ফিকহের একটি সুপরিচিত ও সর্বসম্মত মূলনীতি হলো “আল আসলু ফিল আশয়া আল ইবাহাহ” অর্থাৎ, ইবাদত ব্যতীত দুনিয়াবী বা সাধারণ যেকোনো কাজ ও বস্তুর ক্ষেত্রে মূল বিধান হলো তা মুবাহ বা বৈধ, যতক্ষণ না তা হারাম বা নিষিদ্ধ হওয়ার ব্যাপারে কুরআন বা সুন্নাহর কোনো সুস্পষ্ট দলিল পাওয়া যায়। হেঁটে হেঁটে মিসওয়াক করা নিষেধ হওয়ার ব্যাপারে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বা সাহাবায়ে কেরাম থেকে কোনো সহিহ দলিল তো দূরের কথা, কোনো যয়িফ (দুর্বল) হাদিসও বর্ণিত হয়নি।
    মিসওয়াক করা একটি অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ সুন্নাহ। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সর্বদাই মিসওয়াক করতে ভালোবাসতেন এবং উম্মতকে এর প্রতি ব্যাপকভাবে উদ্বুদ্ধ করেছেন।
    উম্মুল মুমিনীন আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
    السِّوَاكُ مَطْهَرَةٌ لِلْفَمِ مَرْضَاةٌ لِلرَّبِّ
    অর্থ: “মিসওয়াক হলো মুখমণ্ডল পবিত্র করার মাধ্যম এবং রবের সন্তুষ্টি অর্জনের উপায়।” [সুনান আন-নাসায়ী, হাদিস: ৫; শায়খ আলবানি (রহ.) হাদিসটিকে সহিহ বলেছেন]
    আমাদের সমাজে বা কিছু মানুষের মুখে এমন কথা প্রচলিত আছে যে, হেঁটে হেঁটে মিসওয়াক করলে শারীরিক ক্ষতি হয় বা এটি অনুচিত। কিন্তু সালাফে সালেহীন ও নির্ভরযোগ্য উলামায়ে কেরামের ফতোয়া অনুযায়ী, এর কোনো শরয়ি বা সুনিশ্চিত চিকিৎসাবিজ্ঞানগত ভিত্তি নেই। এটি নিছক একটি ভিত্তিহীন ধারণা।
    সুতরাং, কেউ যদি সময় বাঁচানোর জন্য বা স্বাভাবিকভাবে পথে চলতে চলতে বা হেঁটে হেঁটে মিসওয়াক করেন, তবে তাতে শরিয়তের দৃষ্টিতে বিন্দুমাত্র কোনো সমস্যা বা গুনাহ নেই। এর কারণে মিসওয়াকের সুন্নাহর সওয়াব থেকেও বঞ্চিত হতে হবে না। আল্লাহই সবচেয়ে ভালো জানেন।

    See less
  2. Asked: June 6, 2026In: হালাল ও হারাম

    প্রশ্ন নং ৫৪ ‣ খেলনা মূর্তির বিষয়ে ইসলাম কী বলে?

    Taqiuddin Ahmed Bin Saad
    Taqiuddin Ahmed Bin Saad
    Added an answer on June 6, 2026 at 8:34 am

    ইসলামী শরীয়তে প্রাণীর আকৃতিবিশিষ্ট যেকোনো মূর্তি, খেলনা বা কার্টুন তৈরি করা, ঘরে সংরক্ষণ করা এবং বেচাকেনা করা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। শিশুদের খেলার জন্য হলেও আধুনিক যুগের প্রাণবন্ত ও সুস্পষ্ট অবয়বযুক্ত খেলনা মূর্তিগুলো পরিহার করা আবশ্যক। প্রাণীর ছবি বা আকৃতি প্রস্তুতকারীদের প্রতি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহRead more

    ইসলামী শরীয়তে প্রাণীর আকৃতিবিশিষ্ট যেকোনো মূর্তি, খেলনা বা কার্টুন তৈরি করা, ঘরে সংরক্ষণ করা এবং বেচাকেনা করা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। শিশুদের খেলার জন্য হলেও আধুনিক যুগের প্রাণবন্ত ও সুস্পষ্ট অবয়বযুক্ত খেলনা মূর্তিগুলো পরিহার করা আবশ্যক।
    প্রাণীর ছবি বা আকৃতি প্রস্তুতকারীদের প্রতি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন এবং তাদের ওপর লানত (অভিশাপ) করেছেন। এই ধরনের মূর্তি বা খেলনা যারা তৈরি করে, হাশরের ময়দানে আল্লাহ তাআলা তাদেরকে এগুলোতে প্রাণ দেওয়ার নির্দেশ দেবেন, যা তাদের পক্ষে কখনোই সম্ভব হবে না। ফলে তারা কঠিন শাস্তির সম্মুখীন হবে।
    আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
    إِنَّ أَشَدَّ النَّاسِ عَذَابًا عِنْدَ اللَّهِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ الْمُصَوِّرُونَ
    অর্থ: “কিয়ামতের দিন আল্লাহর কাছে সবচেয়ে কঠিন শাস্তি ভোগ করবে ছবি বা মূর্তি প্রস্তুতকারীরা।” [সহিহ বুখারি, হাদিস: ৫৯৫৬ এবং সহিহ মুসলিম, হাদিস: ২১০৯]
    অন্য একটি হাদিসে আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
    مَنْ صَوَّرَ صُورَةً فِي الدُّنْيَا كُلِّفَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ أَنْ يَنْفُخَ فِيهَا الرُّوحَ، وَلَيْسَ بِنَافِخٍ
    অর্থ: “যে ব্যক্তি দুনিয়াতে কোনো (প্রাণীর) ছবি বা মূর্তি তৈরি করবে, কিয়ামতের দিন তাকে নির্দেশ দেওয়া হবে সে যেন তাতে রূহ ফুঁকে দেয়, অথচ সে কখনোই তা ফুঁকতে সক্ষম হবে না।” [সহিহ বুখারি, হাদিস: ৫৯৬৩]
    এই ধরনের খেলনা মূর্তিগুলো মূলত ভিন্ন সংস্কৃতির একটি আগ্রাসন। ছোটবেলা থেকেই শিশুদের হাতে এসব মূর্তি তুলে দেওয়ার ফলে তাদের কচি মনে মূর্তির প্রতি এক ধরনের ভালোবাসা ও আকর্ষণ তৈরি হয়, যা পরবর্তীতে তাদের বিশুদ্ধ আকিদাহ ও তাওহীদের চেতনায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। ইসলাম মূর্তি ও শিরকের মূলোৎপাটন করতে এসেছে, তাই এর যেকোনো প্রতিচ্ছবি থেকে মুসলিম শিশুদের দূরে রাখা অভিভাবকদের ঈমানি দায়িত্ব।
    এর বিকল্প হিসেবে শিশুদেরকে প্রাণহীন বস্তুর খেলনা দেওয়া যেতে পারে। যেমন: ফলমূল, ফুল, গাছপালা, গাড়ি, বিমান বা বিভিন্ন ধরনের ব্লক নির্মাণ সামগ্রী। এগুলো দিয়ে খেলা করা সম্পূর্ণ হালাল এবং এতে শিশুদের মানসিক বিকাশও ঘটে। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা আমাদের পরিবার ও সন্তানদেরকে শিরক এবং হারাম থেকে হেফাজত করুন। আমিন।

    See less
  3. Asked: June 2, 2026In: ইবাদাত

    প্রশ্ন নং ৫৩ ‣ কসর শেষে মুকীম হলে নফল সুন্নত সালাত আদায় করা যাবে কি?

    Taqiuddin Ahmed Bin Saad
    Taqiuddin Ahmed Bin Saad
    Added an answer on June 2, 2026 at 4:05 pm

    সফর বা ভ্রমণের সময় চার রাকাতবিশিষ্ট তিনটি ফরজ সালাতকে (যোহর, আসর এবং ইশা) কসর করে দুই রাকাত পড়া শরিয়তের বিধান। এ সময় ফরজের সাথে যুক্ত সুন্নাতে মুয়াক্কাদা বা রাতেবা (যেমন যোহর, আসর, মাগরিব ও ইশার সুন্নাত) না পড়াই হলো সুন্নাহ। সাহাবি আব্দুল্লাহ ইবনে উমর (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: صَحِبْتُ رَسRead more

    সফর বা ভ্রমণের সময় চার রাকাতবিশিষ্ট তিনটি ফরজ সালাতকে (যোহর, আসর এবং ইশা) কসর করে দুই রাকাত পড়া শরিয়তের বিধান। এ সময় ফরজের সাথে যুক্ত সুন্নাতে মুয়াক্কাদা বা রাতেবা (যেমন যোহর, আসর, মাগরিব ও ইশার সুন্নাত) না পড়াই হলো সুন্নাহ।
    সাহাবি আব্দুল্লাহ ইবনে উমর (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন:
    صَحِبْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَكَانَ لَا يَزِيدُ فِي السَّفَرِ عَلَى رَكْعَتَيْنِ وَأَبَا بَكْرٍ وَعُمَرَ وَعُثْمَانَ كَذَلِكَ
    অর্থ: আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে সফর করেছি, তিনি সফরে ফরজ দুই রাকাতের বেশি পড়তেন না। আবু বকর, উমর এবং উসমান (রা.) এর আমলও এমনটিই ছিল। [সহিহ বুখারি, হাদিস: ১১০২]
    তবে ফজরের দুই রাকাত সুন্নাত এবং বিতরের সালাত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সফর অবস্থাতেও তা কখনো ছাড়তেন না।
    প্রথমত, যখন মুসাফির ব্যক্তি রাস্তার মাঝে চলমান অবস্থায় থাকে, তখন তার জন্য ফরজের সাথে অন্য কোনো সুন্নাত না পড়াই উত্তম।
    দ্বিতীয়ত, সফর অবস্থায় গন্তব্যে পৌঁছে যদি সে কোনো স্থানে সাময়িক অবস্থান করে (যেমন হোটেলে বা আত্মীয়ের বাড়িতে), তখন তার জন্য কসরের পাশাপাশি অন্যান্য সাধারণ নফল, চাশত বা তাহাজ্জুদের মতো সালাত আদায় করা জায়েজ এবং উত্তম।
    আর আপনার প্রশ্নের মূল অংশটি হলো কসর শেষে মুকিম হওয়ার ব্যাপারে। যখন একজন ব্যক্তি তার সফর শেষ করে নিজ বাড়িতে বা শহরে ফিরে আসেন এবং মুকিম হয়ে যান, তখন তার ওপর থেকে সফরের সকল বিধান উঠে যায়। মুকিম অবস্থায় তাকে অন্যান্য সাধারণ সময়ের মতোই সালাত আদায় করতে হবে এবং নিয়মিত সকল সুন্নাত ও নফল সালাতগুলো যথাযথভাবে পালন করতে হবে। তখন আর সুন্নাত ছাড়ার কোনো অবকাশ থাকে না।
    আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা আমাদেরকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সুন্নাহ অনুযায়ী আমল করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

    See less
  4. Asked: May 23, 2026In: দোয়া ও যিকর

    প্রশ্ন নং ৫২ ‣ লা-হাওলা ওয়া-লা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ। এখানে "হাওলা" শব্দের অর্থ কী?

    Taqiuddin Ahmed Bin Saad
    Taqiuddin Ahmed Bin Saad
    Added an answer on May 23, 2026 at 2:33 pm

    "লা হাওলা ওয়া লা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ" (لَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللَّهِ) ইসলামে অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ এবং ফজিলতপূর্ণ একটি যিকির। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই বাক্যটিকে জান্নাতের গুপ্তধনগুলোর অন্যতম হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। আবু মুসা আল আশআরি (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী সাল্লাRead more

    “লা হাওলা ওয়া লা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ” (لَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللَّهِ) ইসলামে অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ এবং ফজিলতপূর্ণ একটি যিকির। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই বাক্যটিকে জান্নাতের গুপ্তধনগুলোর অন্যতম হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।
    আবু মুসা আল আশআরি (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বলেন:
    يَا عَبْدَ اللَّهِ بْنَ قَيْسٍ، أَلاَ أَدُلُّكَ عَلَى كَنْزٍ مِنْ كُنُوزِ الجَنَّةِ؟ فَقُلْتُ: بَلَى يَا رَسُولَ اللَّهِ، قَالَ: قُلْ لاَ حَوْلَ وَلاَ قُوَّةَ إِلَّا بِاللَّهِ
    অর্থ: “হে আব্দুল্লাহ ইবনে কাইস! আমি কি তোমাকে জান্নাতের গুপ্তধনগুলোর মধ্য থেকে একটি গুপ্তধনের সন্ধান দেব না? আমি বললাম, হ্যাঁ হে আল্লাহর রাসূল! তিনি বললেন, তুমি বলো: লা হাওলা ওয়া লা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ।” [সহিহ বুখারি, হাদিস: ৬৩৮৪ এবং সহিহ মুসলিম, হাদিস: ২৭০৪]
    “হাওলা” (حَوْل) শব্দটির আভিধানিক অর্থ হলো পরিবর্তন হওয়া, এক অবস্থা থেকে অন্য অবস্থায় রূপান্তরিত হওয়া, ফিরে আসা বা আশ্রয় নেওয়া। আর পরিভাষায় এবং এই যিকিরের প্রেক্ষাপটে “লা হাওলা” এর অর্থ হলো, আল্লাহর সাহায্য ও আশ্রয় ছাড়া বান্দার নিজের কোনো অবস্থা পরিবর্তন করার ক্ষমতা নেই। সালাফে সালেহীনগণ এই বাক্যটির চমৎকার ব্যাখ্যা দিয়েছেন।
    প্রখ্যাত সাহাবি আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) এই বাক্যটির তাফসিরে বলেন:
    لَا حَوْلَ عَنْ مَعْصِيَةِ اللَّهِ إِلَّا بِعِصْمَتِهِ، وَلَا قُوَّةَ عَلَى طَاعَتِهِ إِلَّا بِمَعُونَتِهِ
    অর্থ: “আল্লাহর অবাধ্যতা ও পাপ থেকে ফিরে আসার কোনো উপায় বা ক্ষমতা (হাওলা) নেই তাঁর সুরক্ষা ও আশ্রয় ছাড়া, এবং তাঁর আনুগত্য করার কোনো শক্তি (কুওয়াহ) নেই তাঁর সাহায্য ছাড়া।” [মুসনাদ আল-বাযযার, হাদিস: ৩৪৭২; হাফেজ ইবনে হাজার আসকালানি ও আল্লামা ইরাকি (রহ.) এর সনদকে সহিহ বলেছেন]
    সুতরাং, “হাওলা” বলতে এখানে নিজের অবস্থা পরিবর্তনের ক্ষমতা এবং আল্লাহর আশ্রয় ছাড়া অন্য কোনো আশ্রয় না থাকার বিষয়টি বোঝানো হয়েছে। এর মাধ্যমে একজন মুমিন নিজের সম্পূর্ণ অক্ষমতা স্বীকার করে নেন এবং প্রমাণ করেন যে, ভালো কাজ করার শক্তি এবং মন্দ কাজ থেকে বেঁচে থাকার ক্ষমতা সম্পূর্ণভাবে মহান আল্লাহর সাহায্য ও ইচ্ছার উপর নির্ভরশীল। আল্লাহ আমাদের বেশি বেশি এই যিকিরটি পাঠ করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

    See less
  5. Asked: May 19, 2026In: ইবাদাত

    প্রশ্ন নং ৫১ ‣ প্রাণীর ছবিযুক্ত কাপড়ে সালাত আদায় করা যাবে কি?

    Taqiuddin Ahmed Bin Saad
    Taqiuddin Ahmed Bin Saad
    Added an answer on May 19, 2026 at 10:44 am

    ইসলামী শরীয়তে যেকোনো প্রাণীর (যার রূহ বা প্রাণ আছে) ছবি আঁকা, ব্যবহার করা এবং এমন ছবিযুক্ত পোশাক পরিধান করা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। আর সালাতের মতো পবিত্র ও মহান ইবাদতের সময় এমন পোশাক পরিধান করা আরও বড় অপরাধ। যদি কোনো পোশাকে কোনো প্রাণীর স্পষ্ট ছবি অঙ্কিত থাকে, তাহলে সেই পোশাক পরে সালাত আদায় করলে সালাতRead more

    ইসলামী শরীয়তে যেকোনো প্রাণীর (যার রূহ বা প্রাণ আছে) ছবি আঁকা, ব্যবহার করা এবং এমন ছবিযুক্ত পোশাক পরিধান করা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। আর সালাতের মতো পবিত্র ও মহান ইবাদতের সময় এমন পোশাক পরিধান করা আরও বড় অপরাধ।
    যদি কোনো পোশাকে কোনো প্রাণীর স্পষ্ট ছবি অঙ্কিত থাকে, তাহলে সেই পোশাক পরে সালাত আদায় করলে সালাত হবে না। ছবিযুক্ত পোশাকে সালাত আদায় করা নিষিদ্ধ এবং এটি সালাতের খুশু খুজু বা একাগ্রতা নষ্ট করে দেয়। রহমতের ফেরেশতারাও এমন স্থানে প্রবেশ করেন না যেখানে প্রাণীর ছবি থাকে।
    আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত, আয়েশা (রা.) এর একটি পর্দা ছিল, যা দিয়ে তিনি ঘরের এক দিক ঢেকে রেখেছিলেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেন:
    أَمِيطِي عَنَّا قِرَامَكِ هَذَا، فَإِنَّهُ لَا تَزَالُ تَصَاوِيرُهُ تَعْرِضُ لِي فِي صَلَاتِي
    অর্থ: “তোমার এই পর্দাটি আমার সামনে থেকে সরিয়ে ফেলো। কারণ সালাতরত অবস্থায় এর ছবিগুলো বারবার আমার সামনে ভেসে উঠছে।” [সহিহ বুখারি, হাদিস: ৩৭৪]
    তবে ছবির ক্ষেত্রে শরিয়তের একটি সুনির্দিষ্ট ছাড় রয়েছে, যদি ছবির প্রাণকেন্দ্র অর্থাৎ মাথা বা গলার ওপরের অংশ মুছে ফেলা বা কেটে ফেলা হয় এবং বাকি অঙ্গগুলো অস্পষ্ট থাকে, যার ফলে এটি আর কোনো পূর্ণাঙ্গ প্রাণীর আকৃতি বহন করে না (বরং গাছ বা জড় বস্তুর মতো মনে হয়), তবে সেই পোশাক পরিধান করা জায়েজ এবং তা পরে সালাত আদায় করলে সালাত শুদ্ধ হয়ে যাবে।
    এর শক্তিশালী দলিল হলো, জিবরীল (আ.) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে ছবির ব্যাপারে নির্দেশ দিয়েছিলেন:
    فَمُرْ بِرَأْسِ التِّمْثَالِ الَّذِي فِي الْبَيْتِ يُقْطَعُ، فَيَصِيرُ كَهَيْئَةِ الشَّجَرَةِ
    অর্থ: “সুতরাং আপনি ঘরে থাকা মূর্তির (বা প্রাণীর আকৃতির) মাথা কেটে ফেলার নির্দেশ দিন, যাতে তা গাছের রূপ ধারণ করে।” [সুনান তিরমিজি, হাদিস: ২৮০৬; সুনান আবু দাউদ, হাদিস: ৪১৫৮; শায়খ আলবানি (রহ.) হাদিসটিকে সহিহ বলেছেন]
    এছাড়াও প্রখ্যাত সাহাবি আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত একটি বিশুদ্ধ আসারে এসেছে:
    الصُّورَةُ الرَّأْسُ، فَإِذَا قُطِعَ الرَّأْسُ فَلَيْسَ بِصُورَةٍ
    অর্থ: “ছবি হলো মূলত মাথা। সুতরাং যখন মাথা কেটে ফেলা হয়, তখন তা আর ছবি থাকে না।” [সুনান আল-বায়হাকি, হাদিস: ১৪৫৮১; শায়খ আলবানি (রহ.) আস-সিলসিলাতুস সহিহাহ গ্রন্থে (১৯২১ নম্বর) একে সহিহ বলেছেন]
    সারসংক্ষেপ হলো, সালাতের জন্য শরীর ও পোশাক পবিত্র এবং শরিয়তসম্মত হওয়া আবশ্যক। তাই প্রাণীর স্পষ্ট ছবিযুক্ত পোশাকে সালাত আদায় করা থেকে সম্পূর্ণ বিরত থাকতে হবে। আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে বিশুদ্ধভাবে ইবাদত করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

    See less
1 2 3 4 5 … 13

Sidebar

Top Question Categories

ইবাদাত
17Questions
, 0Followers
হালাল ও হারাম
11Questions
, 0Followers
পারিবারিক জীবন
9Questions
, 0Followers
লেনদেন ও অর্থনীতি
7Questions
, 0Followers
জিহাদ
4Questions
, 0Followers

Stats

  • Questions 81
  • Answers 79

ভেরিফাইড শাইখগণ

আব্দুল ওয়াদুদ

আব্দুল ওয়াদুদ

Follow
Ask
আব্দুর রহমান

আব্দুর রহমান

Follow
Ask

Explore

  • Login
  • Signup

Footer

মাকতাবাতুল ফিকহ

মাকতাবাতুল ফিকহ

ইসলামিক সমাধান
Home
Categories
All Questions
Terms of service
About us
Contact us

© ২০২৫ মাকতাবাতুল ফিকহ
All Rights Reserved