ক্রয়কারীর সাথে কোনো প্রকারের প্রতারণা করা যাবে না। কাপড় যেই পরিমাণ দিবেন সেই পরিমাণ বলবেন মিথ্যা বলা যাবে না। বেচা-কেনা হবে পরস্পরের সম্মতি ও সন্তষ্টির ভিত্তিতে। সে কিছু কম দিলে যদি আপনার ক্ষতি হয় তাহলে তাঁর কাছে মাল বিক্রি করবেন না। কোনো প্রকারের মিথ্যা বা প্রতারণার আশ্রয় নিলে ব্যবসা আর হালাল থাRead more
ক্রয়কারীর সাথে কোনো প্রকারের প্রতারণা করা যাবে না। কাপড় যেই পরিমাণ দিবেন সেই পরিমাণ বলবেন মিথ্যা বলা যাবে না। বেচা-কেনা হবে পরস্পরের সম্মতি ও সন্তষ্টির ভিত্তিতে। সে কিছু কম দিলে যদি আপনার ক্ষতি হয় তাহলে তাঁর কাছে মাল বিক্রি করবেন না। কোনো প্রকারের মিথ্যা বা প্রতারণার আশ্রয় নিলে ব্যবসা আর হালাল থাকবে না,বরকত থেকে বঞ্চিত হবেন।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
ألا أنبئكم بأكبر الكبائر؟ (ثلاثًا) الإشراك بالله. وعقوق الوالدين. وشهادة الزور (أو قول الزور)» وكان رسول الله صلى الله عليه وسلم متكئًا فجلس. فما زال يكررها حتى قلنا: ليته سكت
আমি কি তোমাদেরকে সবচেয়ে বড় কবীরা গুনাহগুলো সম্পর্কে অবহিত করব না? এ কথাটি তিনি বার বার বললেন। (সকলে বললেন, হে আল্লাহর রসূল! অবশ্যই বলুন। তিনি বললেন) আল্লাহর সঙ্গে শিরক করা এবং পিতা-মাতার অবাধ্য হওয়া এবং মিথ্যা সাক্ষ্য দেয়া। তিনি হেলান দিয়ে বসেছিলেন; এবার সোজা হয়ে বসলেন। তিনি কথাগুলো বার বার বলতেই থাকলেন; এমনকি আমরা বলতে লাগলাম, আর যদি তিনি না বলতেন। (বুখারী ২৬৫৪, ৬২৭৩, ৬৯১৯, মুসলিম ৮৭, তিরমিযী ১৯০১, ২৩০১, আহমাদ ১৯৮৭২, ১৯৮৮১।)
সামনের ব্যক্তি উঠে যেতে কোনো সমস্যা নেই। সামনে থেকে উঠে যাওয়া নিষিদ্ধ নয়, বরং সামনে দিয়ে অতিক্রম করা অর্থাৎ আসা অথবা যাওয়া নিষিদ্ধ। কেননা হাদিসে مر শব্দ এসেছে যা অতিক্রম করাকে বুঝায়। আবূ জুহাইম (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন: لَوْ يَعْلَمُ الْـمَارّRead more
সামনের ব্যক্তি উঠে যেতে কোনো সমস্যা নেই। সামনে থেকে উঠে যাওয়া নিষিদ্ধ নয়, বরং সামনে দিয়ে অতিক্রম করা অর্থাৎ আসা অথবা যাওয়া নিষিদ্ধ। কেননা হাদিসে مر শব্দ এসেছে যা অতিক্রম করাকে বুঝায়।
আবূ জুহাইম (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন:
لَوْ يَعْلَمُ الْـمَارُّ بَيْنَ يَدَيِ الْـمُصَلِّيْ مَاذَا عَلَيْهِ، لَكَانَ أَنْ يَّقِفَ أَرْبَعِيْنَ خَيْرًا لَهُ مِنْ أَنْ يَّمُرَّ بَيْنَ يَدَيْهِ قَالَ أَبُوْ النَّضْرِ: لَا أَدْرِيْ قَالَ: أَرْبَعِيْنَ يَوْمًا أَوْ شَهْرًا أَوْ سَنَةً.
‘‘যদি নামাযীর সামনে দিয়ে হাঁটা ব্যক্তি জানতে পারতো তার কতটুকু গুনাহ্ হচ্ছে তা হলে তার জন্য চল্লিশ পর্যন্ত দাঁড়িয়ে থাকা উত্তম বলে বিবেচিত হতো নামাযীর সামনে দিয়ে হাঁটার চাইতে। হাদীস বর্ণনাকারী আবুন্ নায্র বলেন: আমি সঠিকভাবে জানি না চল্লিশ দিন না কি মাস না কি বছর’’। (মুসলিম ৫০৭)
আবূ সা’ঈদ্ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন:
إِذَا كَانَ أَحَدُكُمْ يُصَلِّيْ فَلَا يَدَعْ أَحَدًا يَمُرُّ بَيْنَ يَدَيْهِ، وَلْيَدْرَأْهُ مَا اسْتَطَاعَ، فَإِنْ أَبَى فَلْيُقَاتِلْهُ، فَإِنَّمَا هُوَ شَيْطَانٌ.
‘‘যখন তোমাদের কেউ নামায পড়ে তখন সে যেন কাউকে তার সামনে দিয়ে অতিক্রম করতে না দেয়। বরং কেউ তার সামনে দিয়ে অতিক্রম করতে চাইলে তাকে সাধ্য মতো বাধা দিবে। যদি তাতেও কোন ফায়েদা না হয় তা হলে তার সাথে প্রয়োজনে লড়াই করবে। কারণ, সে তো শয়তান’’। (মুসলিম ৫০৫)
সুতরাং কোন ব্যক্তি নামাজরত ব্যক্তির ঠিক মাথা বরাবর অবস্থান করে তাহলে সে ইচ্ছে করলে ডান অথবা বাম পাশে সরে যেতে পারে।
যদি মাথা থেকে ডান দিকটায় বেশি থাকে তাহলে ডান পাশে আর বাম দিকটায় বেশি থাকলে বাম পাশে আর ঠিক মাঝ বরাবর থাকলে ডান-বাম যে দিকে ইচ্ছা সরে যেতে পারে। এটা নাজায়েজ বা গুনাহের কারণ নয়। কারণ এভাবে ডানে-বামে সরে যাওয়াটা হাদিসে নিষিদ্ধ ‘অতিক্রম’ এর মধ্যে গণ্য হবে না। والله أعلم
চুল পাকা সাধারণত বয়স বৃদ্ধি পাওয়ারই আালামত। তবে কারো কারো অল্প বয়সেও চুল পেকে যায়। মুমিনের সব সময়ই মৃত্যুর প্রস্তুতি রাখা প্রয়োজন। চুল পাকলে পরপারে যাওয়ার নোটিশ মনে করে প্রস্তুতি আরো বাড়ি দেয়া প্রয়োজন। তবে প্রশ্নে উল্লেখিত ঘটনাটি হাদীস দ্বারা প্রমাণিত নয়। বিশেষ দ্রষ্টব্য: পাকা চুল ও দাড়িRead more
চুল পাকা সাধারণত বয়স বৃদ্ধি পাওয়ারই আালামত। তবে কারো কারো অল্প বয়সেও চুল পেকে যায়। মুমিনের সব সময়ই মৃত্যুর প্রস্তুতি রাখা প্রয়োজন। চুল পাকলে পরপারে যাওয়ার নোটিশ মনে করে প্রস্তুতি আরো বাড়ি দেয়া প্রয়োজন। তবে প্রশ্নে উল্লেখিত ঘটনাটি হাদীস দ্বারা প্রমাণিত নয়।
বিশেষ দ্রষ্টব্য: পাকা চুল ও দাড়ি উঠানো যাবে না। রাসূল (ছাঃ) বলেছেন, ‘তোমরা পাকা চুল তুলে ফেলো না। কেননা পাকা চুল হ’ল মুসলমানের জ্যোতি। কোন মুসলমানের একটি চুল পেকে গেলে আল্লাহ তার জন্য একটি নেকী লিখেন, একটি মর্যাদা বৃদ্ধি করেন এবং তার একটি পাপ মোচন করেন। (নাসাঈ, মিশকাত হা/৪৪৫৮ ‘সনদ হাসান’)।
আকীকা ৭ম দিনে দেওয়ায় নিয়ম। তবে সঙ্গত কোন কারণে যদি সময়মত করা সম্ভব না হয়, পরবর্তীতে সুযোগ মত যেকোন সময় তা আদায় করবে (ইবনুল ক্বাইয়িম, তুহফাতুল মাওদূদ ৬৩ পৃঃ; আলবানী, সিলসিলাতুল হুদা ওয়ান নূর, অডিও ক্লিপ নং- ১৯৯; ফাতাওয়া লাজনা দায়েমা, ফৎওয়া নং ১৭৭৬; মাজমূ‘ ফাতাওয়া উছায়মীন ২৫/২১৫)। শাফেঈ বিদ্বানগণেরRead more
আকীকা ৭ম দিনে দেওয়ায় নিয়ম। তবে সঙ্গত কোন কারণে যদি সময়মত করা সম্ভব না হয়, পরবর্তীতে সুযোগ মত যেকোন সময় তা আদায় করবে (ইবনুল ক্বাইয়িম, তুহফাতুল মাওদূদ ৬৩ পৃঃ; আলবানী, সিলসিলাতুল হুদা ওয়ান নূর, অডিও ক্লিপ নং- ১৯৯; ফাতাওয়া লাজনা দায়েমা, ফৎওয়া নং ১৭৭৬; মাজমূ‘ ফাতাওয়া উছায়মীন ২৫/২১৫)।
শাফেঈ বিদ্বানগণের মতে সাত দিনে আক্বীক্বার বিষয়টি সীমা নির্দেশ মূলক নয় বরং এখতিয়ার মূলক। ইমাম শাফেঈ (রহঃ) বলেন, সাত দিনে আকীকার অর্থ হ’ল, ইচ্ছাকৃতভাবে কেউ সাত দিনের পরে আকীকা করবে না (নায়লুল আওত্বার ৬/২৬১ পৃঃ)।
সুতরাং এখন আকীকা দিতে পারবে। তবে যদি আকীকা না দেন তাহলে গুনাহগার হবেন না। কারণ সে সময় উনি অক্ষম ছিলেন। আর অক্ষম ব্যক্তি উপর আকীকা আবশ্যক নয়।
এ ধরনের প্রতিষ্ঠান মূলত সেবামূলক সংস্থা। এতে চাকরী করাতে কোনো সমস্যা নেই। তবে সতর্ক থাকা প্রয়োজন এই সংস্থার সাথে খৃষ্টান মিশনারীদের গভীর সম্পর্ক রয়েছে। তারা মিশনারীর চিন্তা থেকে অনেক কাজ করে থাকে এবং অনেক ক্ষতিকর ভ্যাক্সিন তারা তৈরী করে মুসলিম বাচ্চাদের উপর প্রয়োগ করে। এটা তাদের ইসলাম বিদ্বেষের কারRead more
এ ধরনের প্রতিষ্ঠান মূলত সেবামূলক সংস্থা। এতে চাকরী করাতে কোনো সমস্যা নেই। তবে সতর্ক থাকা প্রয়োজন এই সংস্থার সাথে খৃষ্টান মিশনারীদের গভীর সম্পর্ক রয়েছে। তারা মিশনারীর চিন্তা থেকে অনেক কাজ করে থাকে এবং অনেক ক্ষতিকর ভ্যাক্সিন তারা তৈরী করে মুসলিম বাচ্চাদের উপর প্রয়োগ করে। এটা তাদের ইসলাম বিদ্বেষের কারণে এজন্য চাকরী করলেও সতর্ক থাকা প্রয়োজন।
প্রশ্ন নং ৩০ ‣ কাপড় ব্যবসায় টাকা আদায়ের লক্ষ্যে অতিরিক্ত হিসাব দেয়া কি জায়েজ?
ক্রয়কারীর সাথে কোনো প্রকারের প্রতারণা করা যাবে না। কাপড় যেই পরিমাণ দিবেন সেই পরিমাণ বলবেন মিথ্যা বলা যাবে না। বেচা-কেনা হবে পরস্পরের সম্মতি ও সন্তষ্টির ভিত্তিতে। সে কিছু কম দিলে যদি আপনার ক্ষতি হয় তাহলে তাঁর কাছে মাল বিক্রি করবেন না। কোনো প্রকারের মিথ্যা বা প্রতারণার আশ্রয় নিলে ব্যবসা আর হালাল থাRead more
ক্রয়কারীর সাথে কোনো প্রকারের প্রতারণা করা যাবে না। কাপড় যেই পরিমাণ দিবেন সেই পরিমাণ বলবেন মিথ্যা বলা যাবে না। বেচা-কেনা হবে পরস্পরের সম্মতি ও সন্তষ্টির ভিত্তিতে। সে কিছু কম দিলে যদি আপনার ক্ষতি হয় তাহলে তাঁর কাছে মাল বিক্রি করবেন না। কোনো প্রকারের মিথ্যা বা প্রতারণার আশ্রয় নিলে ব্যবসা আর হালাল থাকবে না,বরকত থেকে বঞ্চিত হবেন।
See lessরাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
ألا أنبئكم بأكبر الكبائر؟ (ثلاثًا) الإشراك بالله. وعقوق الوالدين. وشهادة الزور (أو قول الزور)» وكان رسول الله صلى الله عليه وسلم متكئًا فجلس. فما زال يكررها حتى قلنا: ليته سكت
আমি কি তোমাদেরকে সবচেয়ে বড় কবীরা গুনাহগুলো সম্পর্কে অবহিত করব না? এ কথাটি তিনি বার বার বললেন। (সকলে বললেন, হে আল্লাহর রসূল! অবশ্যই বলুন। তিনি বললেন) আল্লাহর সঙ্গে শিরক করা এবং পিতা-মাতার অবাধ্য হওয়া এবং মিথ্যা সাক্ষ্য দেয়া। তিনি হেলান দিয়ে বসেছিলেন; এবার সোজা হয়ে বসলেন। তিনি কথাগুলো বার বার বলতেই থাকলেন; এমনকি আমরা বলতে লাগলাম, আর যদি তিনি না বলতেন। (বুখারী ২৬৫৪, ৬২৭৩, ৬৯১৯, মুসলিম ৮৭, তিরমিযী ১৯০১, ২৩০১, আহমাদ ১৯৮৭২, ১৯৮৮১।)
প্রশ্ন নং ২৯ ‣ নামাজ পড়া ব্যক্তির সামনে থেকে উঠা যাবে কি?
সামনের ব্যক্তি উঠে যেতে কোনো সমস্যা নেই। সামনে থেকে উঠে যাওয়া নিষিদ্ধ নয়, বরং সামনে দিয়ে অতিক্রম করা অর্থাৎ আসা অথবা যাওয়া নিষিদ্ধ। কেননা হাদিসে مر শব্দ এসেছে যা অতিক্রম করাকে বুঝায়। আবূ জুহাইম (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন: لَوْ يَعْلَمُ الْـمَارّRead more
সামনের ব্যক্তি উঠে যেতে কোনো সমস্যা নেই। সামনে থেকে উঠে যাওয়া নিষিদ্ধ নয়, বরং সামনে দিয়ে অতিক্রম করা অর্থাৎ আসা অথবা যাওয়া নিষিদ্ধ। কেননা হাদিসে مر শব্দ এসেছে যা অতিক্রম করাকে বুঝায়।
See lessআবূ জুহাইম (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন:
لَوْ يَعْلَمُ الْـمَارُّ بَيْنَ يَدَيِ الْـمُصَلِّيْ مَاذَا عَلَيْهِ، لَكَانَ أَنْ يَّقِفَ أَرْبَعِيْنَ خَيْرًا لَهُ مِنْ أَنْ يَّمُرَّ بَيْنَ يَدَيْهِ قَالَ أَبُوْ النَّضْرِ: لَا أَدْرِيْ قَالَ: أَرْبَعِيْنَ يَوْمًا أَوْ شَهْرًا أَوْ سَنَةً.
‘‘যদি নামাযীর সামনে দিয়ে হাঁটা ব্যক্তি জানতে পারতো তার কতটুকু গুনাহ্ হচ্ছে তা হলে তার জন্য চল্লিশ পর্যন্ত দাঁড়িয়ে থাকা উত্তম বলে বিবেচিত হতো নামাযীর সামনে দিয়ে হাঁটার চাইতে। হাদীস বর্ণনাকারী আবুন্ নায্র বলেন: আমি সঠিকভাবে জানি না চল্লিশ দিন না কি মাস না কি বছর’’। (মুসলিম ৫০৭)
আবূ সা’ঈদ্ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন:
إِذَا كَانَ أَحَدُكُمْ يُصَلِّيْ فَلَا يَدَعْ أَحَدًا يَمُرُّ بَيْنَ يَدَيْهِ، وَلْيَدْرَأْهُ مَا اسْتَطَاعَ، فَإِنْ أَبَى فَلْيُقَاتِلْهُ، فَإِنَّمَا هُوَ شَيْطَانٌ.
‘‘যখন তোমাদের কেউ নামায পড়ে তখন সে যেন কাউকে তার সামনে দিয়ে অতিক্রম করতে না দেয়। বরং কেউ তার সামনে দিয়ে অতিক্রম করতে চাইলে তাকে সাধ্য মতো বাধা দিবে। যদি তাতেও কোন ফায়েদা না হয় তা হলে তার সাথে প্রয়োজনে লড়াই করবে। কারণ, সে তো শয়তান’’। (মুসলিম ৫০৫)
সুতরাং কোন ব্যক্তি নামাজরত ব্যক্তির ঠিক মাথা বরাবর অবস্থান করে তাহলে সে ইচ্ছে করলে ডান অথবা বাম পাশে সরে যেতে পারে।
যদি মাথা থেকে ডান দিকটায় বেশি থাকে তাহলে ডান পাশে আর বাম দিকটায় বেশি থাকলে বাম পাশে আর ঠিক মাঝ বরাবর থাকলে ডান-বাম যে দিকে ইচ্ছা সরে যেতে পারে। এটা নাজায়েজ বা গুনাহের কারণ নয়। কারণ এভাবে ডানে-বামে সরে যাওয়াটা হাদিসে নিষিদ্ধ ‘অতিক্রম’ এর মধ্যে গণ্য হবে না। والله أعلم
প্রশ্ন নং ২৮ ‣ কারও চুল পাকলে কি মরণের চিঠি আসে?
চুল পাকা সাধারণত বয়স বৃদ্ধি পাওয়ারই আালামত। তবে কারো কারো অল্প বয়সেও চুল পেকে যায়। মুমিনের সব সময়ই মৃত্যুর প্রস্তুতি রাখা প্রয়োজন। চুল পাকলে পরপারে যাওয়ার নোটিশ মনে করে প্রস্তুতি আরো বাড়ি দেয়া প্রয়োজন। তবে প্রশ্নে উল্লেখিত ঘটনাটি হাদীস দ্বারা প্রমাণিত নয়। বিশেষ দ্রষ্টব্য: পাকা চুল ও দাড়িRead more
চুল পাকা সাধারণত বয়স বৃদ্ধি পাওয়ারই আালামত। তবে কারো কারো অল্প বয়সেও চুল পেকে যায়। মুমিনের সব সময়ই মৃত্যুর প্রস্তুতি রাখা প্রয়োজন। চুল পাকলে পরপারে যাওয়ার নোটিশ মনে করে প্রস্তুতি আরো বাড়ি দেয়া প্রয়োজন। তবে প্রশ্নে উল্লেখিত ঘটনাটি হাদীস দ্বারা প্রমাণিত নয়।
See lessবিশেষ দ্রষ্টব্য: পাকা চুল ও দাড়ি উঠানো যাবে না। রাসূল (ছাঃ) বলেছেন, ‘তোমরা পাকা চুল তুলে ফেলো না। কেননা পাকা চুল হ’ল মুসলমানের জ্যোতি। কোন মুসলমানের একটি চুল পেকে গেলে আল্লাহ তার জন্য একটি নেকী লিখেন, একটি মর্যাদা বৃদ্ধি করেন এবং তার একটি পাপ মোচন করেন। (নাসাঈ, মিশকাত হা/৪৪৫৮ ‘সনদ হাসান’)।
প্রশ্ন নং ২৭ ‣ সপ্তম দিনে আকীকা দিতে অক্ষম হলে পরবর্তীতে দেওয়া যাবে কি?
আকীকা ৭ম দিনে দেওয়ায় নিয়ম। তবে সঙ্গত কোন কারণে যদি সময়মত করা সম্ভব না হয়, পরবর্তীতে সুযোগ মত যেকোন সময় তা আদায় করবে (ইবনুল ক্বাইয়িম, তুহফাতুল মাওদূদ ৬৩ পৃঃ; আলবানী, সিলসিলাতুল হুদা ওয়ান নূর, অডিও ক্লিপ নং- ১৯৯; ফাতাওয়া লাজনা দায়েমা, ফৎওয়া নং ১৭৭৬; মাজমূ‘ ফাতাওয়া উছায়মীন ২৫/২১৫)। শাফেঈ বিদ্বানগণেরRead more
আকীকা ৭ম দিনে দেওয়ায় নিয়ম। তবে সঙ্গত কোন কারণে যদি সময়মত করা সম্ভব না হয়, পরবর্তীতে সুযোগ মত যেকোন সময় তা আদায় করবে (ইবনুল ক্বাইয়িম, তুহফাতুল মাওদূদ ৬৩ পৃঃ; আলবানী, সিলসিলাতুল হুদা ওয়ান নূর, অডিও ক্লিপ নং- ১৯৯; ফাতাওয়া লাজনা দায়েমা, ফৎওয়া নং ১৭৭৬; মাজমূ‘ ফাতাওয়া উছায়মীন ২৫/২১৫)।
See lessশাফেঈ বিদ্বানগণের মতে সাত দিনে আক্বীক্বার বিষয়টি সীমা নির্দেশ মূলক নয় বরং এখতিয়ার মূলক। ইমাম শাফেঈ (রহঃ) বলেন, সাত দিনে আকীকার অর্থ হ’ল, ইচ্ছাকৃতভাবে কেউ সাত দিনের পরে আকীকা করবে না (নায়লুল আওত্বার ৬/২৬১ পৃঃ)।
সুতরাং এখন আকীকা দিতে পারবে। তবে যদি আকীকা না দেন তাহলে গুনাহগার হবেন না। কারণ সে সময় উনি অক্ষম ছিলেন। আর অক্ষম ব্যক্তি উপর আকীকা আবশ্যক নয়।
প্রশ্ন নং ২৬ ‣ NGO তে চাকুরী করা কি জায়েজ হবে?
এ ধরনের প্রতিষ্ঠান মূলত সেবামূলক সংস্থা। এতে চাকরী করাতে কোনো সমস্যা নেই। তবে সতর্ক থাকা প্রয়োজন এই সংস্থার সাথে খৃষ্টান মিশনারীদের গভীর সম্পর্ক রয়েছে। তারা মিশনারীর চিন্তা থেকে অনেক কাজ করে থাকে এবং অনেক ক্ষতিকর ভ্যাক্সিন তারা তৈরী করে মুসলিম বাচ্চাদের উপর প্রয়োগ করে। এটা তাদের ইসলাম বিদ্বেষের কারRead more
এ ধরনের প্রতিষ্ঠান মূলত সেবামূলক সংস্থা। এতে চাকরী করাতে কোনো সমস্যা নেই। তবে সতর্ক থাকা প্রয়োজন এই সংস্থার সাথে খৃষ্টান মিশনারীদের গভীর সম্পর্ক রয়েছে। তারা মিশনারীর চিন্তা থেকে অনেক কাজ করে থাকে এবং অনেক ক্ষতিকর ভ্যাক্সিন তারা তৈরী করে মুসলিম বাচ্চাদের উপর প্রয়োগ করে। এটা তাদের ইসলাম বিদ্বেষের কারণে এজন্য চাকরী করলেও সতর্ক থাকা প্রয়োজন।
See less