Please briefly explain why you feel this question should be reported.

Please briefly explain why you feel this answer should be reported.

Please briefly explain why you feel this user should be reported.

Sign In

মাকতাবাতুল ফিকহ

মাকতাবাতুল ফিকহ Logo মাকতাবাতুল ফিকহ Logo

মাকতাবাতুল ফিকহ Navigation

  • Home
  • All Questions

Mobile menu

Close
  • Home
  • All Questions
  • Login
  • Signup
  • Recent Questions
  • Answers
  • Most Visited
  • Random
  • Followed Questions
  1. Asked: January 19, 2026In: আখিরাত

    প্রশ্ন নং ৩৩ ‣ আল্লাহর ৯৯টি নাম মুখস্ত করলেই কি জান্নাত পাওয়া যাবে?

    Taqiuddin Ahmed Saleh
    Taqiuddin Ahmed Saleh
    Added an answer on January 19, 2026 at 10:29 pm

    আল্লাহর গুণবাচক নামগুলো সংরক্ষণ করার কথা আছে। আল্লাহ নিজে এই গুণবাচক নামগুলো নিজের জন্যে ধারণ করেছেন। আল্লাহর এই গুণ বা সিফাত এককভাবে আল্লাহরই। এই সিফাতগুলো আল্লাহর জন্যেই খাস করে বিশ্বাস পোষণ করতে হবে। আল্লাহর এই গুণ আল্লাহর জন্যে যেরূপ। এর কোনো একটি গুণকেও যদি অনুরূপভাবে আল্লাহর কোনো সৃষ্টির মাঝেRead more

    আল্লাহর গুণবাচক নামগুলো সংরক্ষণ করার কথা আছে। আল্লাহ নিজে এই গুণবাচক নামগুলো নিজের জন্যে ধারণ করেছেন। আল্লাহর এই গুণ বা সিফাত এককভাবে আল্লাহরই। এই সিফাতগুলো আল্লাহর জন্যেই খাস করে বিশ্বাস পোষণ করতে হবে। আল্লাহর এই গুণ আল্লাহর জন্যে যেরূপ। এর কোনো একটি গুণকেও যদি অনুরূপভাবে আল্লাহর কোনো সৃষ্টির মাঝে আছে বলে কেউ বিশ্বাস করে তাহলে সে হবে মুশরিক। আল্লাহর এই সিফাতি নামগুলো খাস করে বিশ্বাস- পোষণ করে এর ভিত্তিতে জীবন পরিচালনা করলেই জান্নাত লাভ করা যাবে। শুধু নামগুলো মুখস্থ করলেই নয়।
    عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «إِنَّ لِلَّهِ تَعَالَى تِسْعَةً وَتِسْعِينَ اسْمًا مِائَةً إِلَّا وَاحِدًا مَنْ أَحْصَاهَا دَخَلَ الْجَنَّةَ»
    আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ তা’আলার নিরানব্বই-এক কম একশ’টি নাম রয়েছে। যে ব্যক্তি এ নামগুলো মুখস্থ করবে সে জান্নাতে যাবে।

    See less
  2. Asked: January 16, 2026In: পারিবারিক জীবন

    প্রশ্ন নং ৩২ ‣ যিনাকারী পুরুষের ক্ষেত্রে স্ত্রীর করণীয় কী?

    Taqiuddin Ahmed Saleh
    Taqiuddin Ahmed Saleh
    Added an answer on January 16, 2026 at 8:33 am

    একজন বিবাহিত পুরুষ যিনা করলে ইসলামী শরীয়াহ মোতাবেক তার শাস্তি হল পাথর মেরে হত্যা করা। এখন যেহেতু এই কাজটি কার্যকর করা হচ্ছে না বা যাচ্ছে না অথচ ব্যাভিচার প্রমাণিত হচ্ছে। আলেম উলামার দ্বারা বুঝানোর অর্থ হচ্ছে স্বীকৃতিও দিচ্ছে অথচ সে তাওবাহ্ করেও ফিরছে না। সেহেতু মহিলাটির উচিত হল তার কাছ থেকে তালাক নিRead more

    একজন বিবাহিত পুরুষ যিনা করলে ইসলামী শরীয়াহ মোতাবেক তার শাস্তি হল পাথর মেরে হত্যা করা। এখন যেহেতু এই কাজটি কার্যকর করা হচ্ছে না বা যাচ্ছে না অথচ ব্যাভিচার প্রমাণিত হচ্ছে। আলেম উলামার দ্বারা বুঝানোর অর্থ হচ্ছে স্বীকৃতিও দিচ্ছে অথচ সে তাওবাহ্ করেও ফিরছে না। সেহেতু মহিলাটির উচিত হল তার কাছ থেকে তালাক নিয়ে বিচ্ছিন্ন হওয়া এবং ইদ্দতান্তে কোনো দ্বীনদার পুরুষের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হওয়া। মহিলাটি তো চরম উদারতা দেখিয়েছে। স্বামীকে অন্য বিবাহের জন্য পরামর্শ দিয়েছে। এ সমাজে কয়জন মহিলাই এমন উদারতা দেখাতে পারে? যে ব্যক্তি কবীরা গুনাহে আসক্ত হয়ে আছে এমন পাপিষ্ঠের সাথে কোনো দ্বীনদার মহিলার না থাকাই উচিত।
    মহান আল্লাহ বলেন,
    الزَّانِي لَا يَنكِحُ إِلَّا زَانِيَةً أَوْ مُشْرِكَةً وَالزَّانِيَةُ لَا يَنكِحُهَا إِلَّا زَانٍ أَوْ مُشْرِكٌ ۚ وَحُرِّمَ ذَٰلِكَ عَلَى الْمُؤْمِنِينَ
    ব্যভিচারী পুরুষ কেবল ব্যভিচারিণী নারী অথবা মুশরিকা নারীকেই বিয়ে করে এবং ব্যভিচারিণীকে কেবল ব্যভিচারী অথবা মুশরিক পুরুষই বিয়ে করে এবং এদেরকে মুমিনদের জন্যে হারাম করা হয়েছে। [সূরা নূর: আয়াত:৩]

    See less
  3. Asked: December 10, 2025In: ইসলামী রাষ্ট্রনীতি (খিলাফাহ)

    প্রশ্ন নং ৩১ ‣ ইমাম মাহদীর আত্মপ্রকাশের লক্ষণ কি কি? তার আগমন কি সন্নিকটে?

    Taqiuddin Ahmed Saleh
    Taqiuddin Ahmed Saleh
    Added an answer on December 10, 2025 at 8:55 am

    ইমাম মাহদির নাম হবে মুহাম্মাদ এবং তিনি রসূল (সঃ) এর বংশের হবেন। পূর্ব থেকেই তিনি জিহাদী কাফেলায় শরীক থাকবেন। কোনো কারণে তাদের সাথে মতানৈক্য হওয়ার পর তিনি তাদেঁর কাছ থেকে মক্কায় চলে যাবেন। বাইদার ভূমি ধ্বংসের পর আল্লাহ উনাকে এক রাতেই এই মহান দায়িত্বের জন্য ঐ তৈরী করবেন। কা'বার কাছে থাকতেই লোকজন উRead more

    ইমাম মাহদির নাম হবে মুহাম্মাদ এবং তিনি রসূল (সঃ) এর বংশের হবেন। পূর্ব থেকেই তিনি জিহাদী কাফেলায় শরীক থাকবেন। কোনো কারণে তাদের সাথে মতানৈক্য হওয়ার পর তিনি তাদেঁর কাছ থেকে মক্কায় চলে যাবেন।
    বাইদার ভূমি ধ্বংসের পর আল্লাহ উনাকে এক রাতেই এই মহান দায়িত্বের জন্য ঐ তৈরী করবেন। কা’বার কাছে থাকতেই লোকজন উনাকে চিনে ফেলবে আর উনার কাছে বাইআতের জন্য তারা পীড়াপিড়ি করবে। প্রথমত, তিনি লোকদের বাইআত নিতে অস্বীকার করবেন। তখন আল্লাহর পক্ষ থেকে একটি আওয়াজ দেওয়া হবে –
    هذا خَلِيفَةُ الله المهدي
    ইনিই আল্লাহর খলীফাহ মাহদী, অবশেষে তিনি জিহাদের দায়িত্ব নিবেন এবং উনার নেতৃত্বেই জিহাদ পরিচালিত হবে।
    “বরফের পাহাড়ে হামাগুড়ি দিয়ে হলেও তাঁর (মাহদির) কাছে পৌঁছে তাঁর সঙ্গে যোগ দাও” — এই কথাটি সাধারণত ইমাম মাহদি (আঃ)-এর প্রসঙ্গে উল্লেখ করা হয়।
    এই বর্ণনাটির উৎসমূল ও মান :
    এই হাদিসটি পাওয়া যায় ইবন মাজাহ-এর সুনান গ্রন্থে,
    কিতাবুল ফিতান, باب خروج المهدي,
    হাদিস নম্বর: 4084 (কিছু সংস্করণে 4082)।
    আরবিতে বর্ণনাটি হলো:
    عَنْ ثَوْبَانَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ
    “يَقْتَتِلُ عِندَ كَنْزِكُمْ ثَلَاثَةٌ كُلُّهُمُ ابْنُ خَلِيفَةٍ، ثُمَّ لَا يَصِيرُ إِلَى وَاحِدٍ مِنْهُمْ، ثُمَّ تَطْلُعُ الرَّايَاتُ السُّودُ مِنْ قِبَلِ الْمَشْرِقِ، فَيَقْتُلُونَكُمْ قَتْلًا لَمْ يُقْتَلْهُ قَوْمٌ – ثُمَّ ذَكَرَ شَيْئًا لَا أَحْفَظُهُ – فَقَالَ: فَإِذَا رَأَيْتُمُوهُ فَبَايِعُوهُ وَلَوْ حَبْوًا عَلَى الثَّلْجِ، فَإِنَّهُ خَلِيفَةُ اللَّهِ الْمَهْدِيُّ”
    “তোমাদের ধনভাণ্ডারের জন্য তিনজন খলিফার পুত্র যুদ্ধ করবে… তারপর পূর্ব দিক থেকে কালো পতাকাধারীরা আসবে… তারপর নবী ﷺ বললেন: ‘যদি তোমরা তাঁকে (মাহদিকে) দেখতে পাও, তবে বরফের ওপর হামাগুড়ি দিয়েও তাঁর কাছে গিয়ে তাঁর হাতে বায়আত করো, কারণ তিনি আল্লাহর খলিফা মাহদি।”
    হাদিসের মান (দুর্বল বা সহীহ?)
    কেউ কেউ এই হাদীসের রাবিকে সত্যবাদী বলেছেন। আবার কেউ কেউ কোন কোন রাবির দুর্বলতা তুলে ধরেছেন।
    ইবন হাজর, আলবানী, শু’আইব আল-আর্নাউত প্রমুখ হাদিস সমালোচকরা বলেছেন —
    সনদে থাকা ‘আলী ইবন যায়েদ ইবন জুদআন’ দুর্বল বর্ণনাকারী, ফলে হাদিসটি দুর্বল।
    🔹 শায়খ আলবানী (সিলসিলা আল-আহাদিস আল-দাইফাহ, হাদিস ৮৫) একে দুর্বল বলেছেন।
    🔹 শু’আইব আল-আর্নাউত (তাহকীক, সুনান ইবন মাজাহ) মন্তব্য করেছেন: “إسناده ضعيف” — “এর সনদ দুর্বল।”
    তবে অর্থগতভাবে (মাতন) হাদিসটির ভাব সহীহ,
    যদিও সনদ দুর্বল, তবুও বিষয়বস্তু ইমাম মাহদি সম্পর্কে অন্যান্য সহীহ হাদিসের সাথে মিল রাখে— যেমন মাহদির আগমন, পূর্ব দিক থেকে কালো পতাকাবাহী বাহিনী ইত্যাদি বিষয়ে একাধিক সহীহ হাদিস রয়েছে (যেমন: মুসলিম, আবু দাউদ, তিরমিজি ইত্যাদিতে)।
    তবে “বরফের ওপর হামাগুড়ি দিয়ে যাও”— অংশটি বিশেষভাবে দুর্বল সূত্রে এসেছে।
    বর্তমান পৃথিবীর অবস্থা দেখে মনে হয় ইমাম মাহদির আগমন সন্নিকটে। কারণ হাদিসে বর্ণিত কিয়ামতের ছোট ছোট আলামতগুলো প্রায় প্রকাশিত হয়ে গেছে। আর কিয়ামতের বড় আলামত ইমাম মাহদির আত্ম প্রকাশের মাধ্যমে শুরু হবে।والله أعلم

    See less
  4. Asked: December 7, 2025In: লেনদেন ও অর্থনীতি

    প্রশ্ন নং ৩০ ‣ কাপড় ব্যবসায় টাকা আদায়ের লক্ষ্যে অতিরিক্ত হিসাব দেয়া কি জায়েজ?

    Taqiuddin Ahmed Saleh
    Taqiuddin Ahmed Saleh
    Added an answer on December 7, 2025 at 5:07 pm

    ক্রয়কারীর সাথে কোনো প্রকারের প্রতারণা করা যাবে না। কাপড় যেই পরিমাণ দিবেন সেই পরিমাণ বলবেন মিথ্যা বলা যাবে না। বেচা-কেনা হবে পরস্পরের সম্মতি ও সন্তষ্টির ভিত্তিতে। সে কিছু কম দিলে যদি আপনার ক্ষতি হয় তাহলে তাঁর কাছে মাল বিক্রি করবেন না। কোনো প্রকারের মিথ্যা বা প্রতারণার আশ্রয় নিলে ব্যবসা আর হালাল থাRead more

    ক্রয়কারীর সাথে কোনো প্রকারের প্রতারণা করা যাবে না। কাপড় যেই পরিমাণ দিবেন সেই পরিমাণ বলবেন মিথ্যা বলা যাবে না। বেচা-কেনা হবে পরস্পরের সম্মতি ও সন্তষ্টির ভিত্তিতে। সে কিছু কম দিলে যদি আপনার ক্ষতি হয় তাহলে তাঁর কাছে মাল বিক্রি করবেন না। কোনো প্রকারের মিথ্যা বা প্রতারণার আশ্রয় নিলে ব্যবসা আর হালাল থাকবে না,বরকত থেকে বঞ্চিত হবেন।
    রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
    ألا أنبئكم بأكبر الكبائر؟ (ثلاثًا) الإشراك بالله. وعقوق الوالدين. وشهادة الزور (أو قول الزور)» وكان رسول الله صلى الله عليه وسلم متكئًا فجلس. فما زال يكررها حتى قلنا: ليته سكت
    আমি কি তোমাদেরকে সবচেয়ে বড় কবীরা গুনাহগুলো সম্পর্কে অবহিত করব না? এ কথাটি তিনি বার বার বললেন। (সকলে বললেন, হে আল্লাহর রসূল! অবশ্যই বলুন। তিনি বললেন) আল্লাহর সঙ্গে শিরক করা এবং পিতা-মাতার অবাধ্য হওয়া এবং মিথ্যা সাক্ষ্য দেয়া। তিনি হেলান দিয়ে বসেছিলেন; এবার সোজা হয়ে বসলেন। তিনি কথাগুলো বার বার বলতেই থাকলেন; এমনকি আমরা বলতে লাগলাম, আর যদি তিনি না বলতেন। (বুখারী ২৬৫৪, ৬২৭৩, ৬৯১৯, মুসলিম ৮৭, তিরমিযী ১৯০১, ২৩০১, আহমাদ ১৯৮৭২, ১৯৮৮১।)

    See less
  5. Asked: December 3, 2025In: ইবাদাত

    প্রশ্ন নং ২৯ ‣ নামাজ পড়া ব্যক্তির সামনে থেকে উঠা যাবে কি?

    Taqiuddin Ahmed Saleh
    Taqiuddin Ahmed Saleh
    Added an answer on December 3, 2025 at 10:40 am

    সামনের ব্যক্তি উঠে যেতে কোনো সমস্যা নেই। সামনে থেকে উঠে যাওয়া নিষিদ্ধ নয়, বরং সামনে দিয়ে অতিক্রম করা অর্থাৎ আসা অথবা যাওয়া নিষিদ্ধ। কেননা হাদিসে مر শব্দ এসেছে যা অতিক্রম করাকে বুঝায়। আবূ জুহাইম (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন: لَوْ يَعْلَمُ الْـمَارّRead more

    সামনের ব্যক্তি উঠে যেতে কোনো সমস্যা নেই। সামনে থেকে উঠে যাওয়া নিষিদ্ধ নয়, বরং সামনে দিয়ে অতিক্রম করা অর্থাৎ আসা অথবা যাওয়া নিষিদ্ধ। কেননা হাদিসে مر শব্দ এসেছে যা অতিক্রম করাকে বুঝায়।
    আবূ জুহাইম (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন:
    لَوْ يَعْلَمُ الْـمَارُّ بَيْنَ يَدَيِ الْـمُصَلِّيْ مَاذَا عَلَيْهِ، لَكَانَ أَنْ يَّقِفَ أَرْبَعِيْنَ خَيْرًا لَهُ مِنْ أَنْ يَّمُرَّ بَيْنَ يَدَيْهِ قَالَ أَبُوْ النَّضْرِ: لَا أَدْرِيْ قَالَ: أَرْبَعِيْنَ يَوْمًا أَوْ شَهْرًا أَوْ سَنَةً.
    ‘‘যদি নামাযীর সামনে দিয়ে হাঁটা ব্যক্তি জানতে পারতো তার কতটুকু গুনাহ্ হচ্ছে তা হলে তার জন্য চল্লিশ পর্যন্ত দাঁড়িয়ে থাকা উত্তম বলে বিবেচিত হতো নামাযীর সামনে দিয়ে হাঁটার চাইতে। হাদীস বর্ণনাকারী আবুন্ নায্র বলেন: আমি সঠিকভাবে জানি না চল্লিশ দিন না কি মাস না কি বছর’’। (মুসলিম ৫০৭)
    আবূ সা’ঈদ্ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন:
    إِذَا كَانَ أَحَدُكُمْ يُصَلِّيْ فَلَا يَدَعْ أَحَدًا يَمُرُّ بَيْنَ يَدَيْهِ، وَلْيَدْرَأْهُ مَا اسْتَطَاعَ، فَإِنْ أَبَى فَلْيُقَاتِلْهُ، فَإِنَّمَا هُوَ شَيْطَانٌ.
    ‘‘যখন তোমাদের কেউ নামায পড়ে তখন সে যেন কাউকে তার সামনে দিয়ে অতিক্রম করতে না দেয়। বরং কেউ তার সামনে দিয়ে অতিক্রম করতে চাইলে তাকে সাধ্য মতো বাধা দিবে। যদি তাতেও কোন ফায়েদা না হয় তা হলে তার সাথে প্রয়োজনে লড়াই করবে। কারণ, সে তো শয়তান’’। (মুসলিম ৫০৫)
    সুতরাং কোন ব্যক্তি নামাজরত ব্যক্তির ঠিক মাথা বরাবর অবস্থান করে তাহলে সে ইচ্ছে করলে ডান অথবা বাম পাশে সরে যেতে পারে।
    যদি মাথা থেকে ডান দিকটায় বেশি থাকে তাহলে ডান পাশে আর বাম দিকটায় বেশি থাকলে বাম পাশে আর ঠিক মাঝ বরাবর থাকলে ডান-বাম যে দিকে ইচ্ছা সরে যেতে পারে। এটা নাজায়েজ বা গুনাহের কারণ নয়। কারণ এভাবে ডানে-বামে সরে যাওয়াটা হাদিসে নিষিদ্ধ ‘অতিক্রম’ এর মধ্যে গণ্য হবে না। والله أعلم

    See less
1 2 3 4 … 8

Sidebar

Top Question Categories

ইবাদাত
9Questions
, 0Followers
হালাল ও হারাম
8Questions
, 0Followers
লেনদেন ও অর্থনীতি
6Questions
, 0Followers
পারিবারিক জীবন
4Questions
, 0Followers
জিহাদ
2Questions
, 0Followers

Stats

  • Questions 47
  • Answers 47

ভেরিফাইড শাইখগণ

আব্দুল ওয়াদুদ

আব্দুল ওয়াদুদ

Follow
Ask
আব্দুর রহমান

আব্দুর রহমান

Follow
Ask

Explore

  • Login
  • Signup

Footer

মাকতাবাতুল ফিকহ

মাকতাবাতুল ফিকহ

ইসলামিক সমাধান
Home
Categories
All Questions
Terms of service
About us
Contact us

© ২০২৫ মাকতাবাতুল ফিকহ
All Rights Reserved