প্রথমে তার অভিভাবককে বিয়ে দিয়ে দেওয়ার জন্য বুঝাতে হবে। বুঝানোর পরও যদি সে বিয়ে দিতে না চায় তাহলে তার অভিভাবকত্ব হারিয়ে যাবে। কারণ সে বিয়েতে বাধা প্রদানকারী হিসাবে গণ্য হবে। তখন এই অভিভাবকত্ব তার নিকট আত্মীয়ের কাছে স্থান্তরিত হবে। যেমন মেয়ের দাদা তারপর সন্তান তারপর ভাই তারপর চাচা ইত্যাদি। শেRead more
প্রথমে তার অভিভাবককে বিয়ে দিয়ে দেওয়ার জন্য বুঝাতে হবে। বুঝানোর পরও যদি সে বিয়ে দিতে না চায় তাহলে তার অভিভাবকত্ব হারিয়ে যাবে। কারণ সে বিয়েতে বাধা প্রদানকারী হিসাবে গণ্য হবে। তখন এই অভিভাবকত্ব তার নিকট আত্মীয়ের কাছে স্থান্তরিত হবে। যেমন মেয়ের দাদা তারপর সন্তান তারপর ভাই তারপর চাচা ইত্যাদি। শেষ পর্যন্ত যদি কেউ না থাকে তাহলে মুসলিম শাসক বা তার প্রতিনিধি বা মুসলিম কাজী তার অভিভাবক হবে আর মুসলিম শাসক বা প্রতিনিধির অনুপস্থিতে দ্বীনি দায়িত্বশীল ভাই অভিভাবক হয়ে সেই মেয়ের বিয়ে দিতে পারবে।
«لا نكاح إلا بولي، وأيما امرأة نكحت نفسها فنكاحها باطل باطل باطل، فإن اشتجروا فالسلطان ولي من لا ولي له
“অভিভাবক ছাড়া কোনো বিয়ে বৈধ নয়। যে নারী নিজে নিজে বিয়ে সম্পন্ন করে, তার বিয়ে বাতিল, বাতিল, বাতিল। যদি অভিভাবকগণ বিরোধ সৃষ্টি করে, তাহলে যার অভিভাবক নেই, তার অভিভাবক হবে সুলতান (শাসক)।” (জামে’ আত-তিরমিযী: হাদীস নম্বর ১১০১, সুনান আবুদাউদ: হাদীস নম্বর ২০৮৩, সুনান ইবনু মাজাহ: হাদীস নম্বর ১৮৭৯, মুস্তাদরাক হাকিম: হাদীস নম্বর ২৭১০) সহীহ হিসেবে বর্ণনা করেছেন: ইমাম আলবানী (সহীহুল জামে’, হাদীস: ৭৫৫৭)
প্রশ্ন নং ১৯ ‣ বিধবা মেয়ের অভিভাবক বিয়ে না দিলে দ্বীনি ভাইদের অভিভাবক বানিয়ে বিয়ে দেওয়া যাবে কি?
প্রথমে তার অভিভাবককে বিয়ে দিয়ে দেওয়ার জন্য বুঝাতে হবে। বুঝানোর পরও যদি সে বিয়ে দিতে না চায় তাহলে তার অভিভাবকত্ব হারিয়ে যাবে। কারণ সে বিয়েতে বাধা প্রদানকারী হিসাবে গণ্য হবে। তখন এই অভিভাবকত্ব তার নিকট আত্মীয়ের কাছে স্থান্তরিত হবে। যেমন মেয়ের দাদা তারপর সন্তান তারপর ভাই তারপর চাচা ইত্যাদি। শেRead more
প্রথমে তার অভিভাবককে বিয়ে দিয়ে দেওয়ার জন্য বুঝাতে হবে। বুঝানোর পরও যদি সে বিয়ে দিতে না চায় তাহলে তার অভিভাবকত্ব হারিয়ে যাবে। কারণ সে বিয়েতে বাধা প্রদানকারী হিসাবে গণ্য হবে। তখন এই অভিভাবকত্ব তার নিকট আত্মীয়ের কাছে স্থান্তরিত হবে। যেমন মেয়ের দাদা তারপর সন্তান তারপর ভাই তারপর চাচা ইত্যাদি। শেষ পর্যন্ত যদি কেউ না থাকে তাহলে মুসলিম শাসক বা তার প্রতিনিধি বা মুসলিম কাজী তার অভিভাবক হবে আর মুসলিম শাসক বা প্রতিনিধির অনুপস্থিতে দ্বীনি দায়িত্বশীল ভাই অভিভাবক হয়ে সেই মেয়ের বিয়ে দিতে পারবে।
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন
«لا نكاح إلا بولي، وأيما امرأة نكحت نفسها فنكاحها باطل باطل باطل، فإن اشتجروا فالسلطان ولي من لا ولي له
“অভিভাবক ছাড়া কোনো বিয়ে বৈধ নয়। যে নারী নিজে নিজে বিয়ে সম্পন্ন করে, তার বিয়ে বাতিল, বাতিল, বাতিল। যদি অভিভাবকগণ বিরোধ সৃষ্টি করে, তাহলে যার অভিভাবক নেই, তার অভিভাবক হবে সুলতান (শাসক)।” (জামে’ আত-তিরমিযী: হাদীস নম্বর ১১০১, সুনান আবুদাউদ: হাদীস নম্বর ২০৮৩, সুনান ইবনু মাজাহ: হাদীস নম্বর ১৮৭৯, মুস্তাদরাক হাকিম: হাদীস নম্বর ২৭১০) সহীহ হিসেবে বর্ণনা করেছেন: ইমাম আলবানী (সহীহুল জামে’, হাদীস: ৭৫৫৭)
See less