জিহাদ হল সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ একটি ফরজ ইবাদাত। যে ইবাদাত সারাজীবনব্যাপী করতে হয়। এই জিহাদের ইবাদাত কেউ নিষিদ্ধ করতে পারে না। কোনো অজুহাতে কোনো মুমিন এ থেকে বিরত থাকতে পারে না। মুনাফিকরাই শুধু জিহাদের ফরজ ইবাদাত থেকে গা বাঁচিয়ে চলার কূটকৌশল অবলম্বন করে। জিহাদ করতে প্রশিক্ষণ লাগে, অস্ত্র লাগে এটা সতRead more
জিহাদ হল সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ একটি ফরজ ইবাদাত। যে ইবাদাত সারাজীবনব্যাপী করতে হয়। এই জিহাদের ইবাদাত কেউ নিষিদ্ধ করতে পারে না। কোনো অজুহাতে কোনো মুমিন এ থেকে বিরত থাকতে পারে না। মুনাফিকরাই শুধু জিহাদের ফরজ ইবাদাত থেকে গা বাঁচিয়ে চলার কূটকৌশল অবলম্বন করে। জিহাদ করতে প্রশিক্ষণ লাগে, অস্ত্র লাগে এটা সত্য। তবে এটা কি অসম্ভব। যখন সে আলিম বুঝতে পারেন অস্ত্র ও প্রশিক্ষণ প্রয়োজন তখন কেন অস্ত্র জোগাড় করে না। প্রশিক্ষণ গ্রহণের চেষ্টা না করে শয়তানী ধোঁকায় পড়ে বিভ্রান্তিমূলক কথা বলছে। যে বুঝতে পারল প্রশিক্ষণ লাগবে, অস্ত্র লাগবে। তারই দায়িত্ব হলো অস্ত্র জোগাড় করা ও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা। কেউ যদি বলে সালাত আদায় করতে হবে। পবিত্রতা অর্জন করতে হবে। এখন যেহেতু পবিত্রতা অর্জন করতে পারছি না সেহেতু সলাত আদায় করা লাগবে না। এরূপ আলিমদের কথা তো এমনই হয়ে গেল। ফরজ ইবাদাত ছেড়ে দেয়ার জন্যে এমন কথা বলা প্রকৃতপক্ষে কোনো আলেম বলতে পারে না। আমি যখন বলব- আল্লাহর বিধান ও রাসূল (সঃ) এর সুন্নাহ ব্যতীত কোনো কিছু মানবো না। মানব রচিত বিধানের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত রাষ্ট্রব্যবস্থা হলো কুফরি রাষ্ট্রব্যবস্থা। কুফরী রাষ্ট্রব্যবস্থার অধীনে সন্তুষ্টির সাথে মানব রচিত বিধান যারা মেনে চলবে বা মেনে চলাকে বৈধ বলবে তারা মুরতাদ এবং কাফির। তখনই দেখা যাবে নমরুদ, ফেরআউন, আবু জেহেল, আবু লাহাবদের প্রেতাত্মারা রুদ্রমূর্তি ধারণ করে এগিয়ে আসছে। কার বিরুদ্ধে জিহাদ করব এমন কথা একজন মূর্খ-জাহিল ব্যতীত কেউ বলতে পারেনা। এ ধরণের আলিম মূলত নমরূদ-ফিরআউনের নেতৃত্বের জিহাদ করার মত আবোল-তাবোল বকাবকি করছে। মুসলিম জামাআতের আমীর জিহাদের সিদ্ধান্ত নেবেন। কারণ তিনি মুসলিম জামাআহর শাসক। কুফুরি পদ্ধতিতে কুফরী আক্বীদাহ- বিশ্বাসের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত কুফরী রাষ্ট্রব্যবস্থাকে খতম করে দ্বীনে হক ইসলামকে বিজয়ী করার লক্ষ্যেই আল্লাহ জিহাদ ফরজ করেছেন। তাই এ ধরণের জাহিল আলিমের কথায় বিভ্রান্ত না হয়ে রসূল (সঃ) খুলাফায়ে রাশিদীন (রাঃ) ও প্রায় সালাফ-আস-সালিহীনগণ যেভাবে জিহাদ করেছিলেন। সকল মুমিনের দায়িত্ব হল ঐ জিহাদের ধারায় নিজেকে সম্পৃক্ত রেখে সর্বোচ্চ কুরবানী পেশ করা। বিশেষ করে বর্তমানে এই ফরজ ইবাদাতের গুরুত্ব আরো অনেক বেশি।
মহান আল্লাহ বলেন,
يايُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا كُتِبَ عَلَيْكُمُ الْقِتَالُ وَهُوَ كُرْهٌ لَّكُمْ ۖ وَعَسَىٰ أَن تَكْرَهُوا شَيْئًا وَهُوَ خَيْرٌ لَّكُمْ ۖ وَعَسَىٰ أَن تُحِبُّوا شَيْئًا وَهُوَ شَرٌّ لَّكُمْ ۗ وَاللَّهُ يَعْلَمُ وَأَنتُمْ لَا تَعْلَمُونَ .
“হে ঈমানদারগণ, তোমাদের উপর যুদ্ধ ফরয করা হয়েছে, যদিও তা তোমাদের কাছে অপছন্দের। হতে পারে কোনো কিছু তোমাদের কাছে অপছন্দ কিন্তু তা তোমাদের জন্য কল্যাণকর এবং হতে পারে কোনো কিছু তোমাদের কাছে প্রিয় কিন্তু তা তোমাদের জন্য ক্ষতিকর। আর আল্লাহ জানেন, তোমরা জানো না”।
গ্রামে-গঞ্জে চোর ধরা পড়লে জনগণ শরীয়াহ মোতাবেক শাস্তি প্রয়োগ করতে পারবেন না। এমনকি মারধরও করতে পারবেন না। কারণ তারা কেউ ইসলামী শরীয়াহ কার্যকর করার কর্তৃপক্ষ নন। কোনো হাদ্দ কার্যকরী করতে হলে শারঈ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে করতে হয়। কারণ এতে কোনো ধরণের ত্রুটি শরীয়তে গ্রহণযোগ্য নয়। আর এটা হুট করে কার্যকরীRead more
গ্রামে-গঞ্জে চোর ধরা পড়লে জনগণ শরীয়াহ মোতাবেক শাস্তি প্রয়োগ করতে পারবেন না। এমনকি মারধরও করতে পারবেন না। কারণ তারা কেউ ইসলামী শরীয়াহ কার্যকর করার কর্তৃপক্ষ নন। কোনো হাদ্দ কার্যকরী করতে হলে শারঈ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে করতে হয়। কারণ এতে কোনো ধরণের ত্রুটি শরীয়তে গ্রহণযোগ্য নয়। আর এটা হুট করে কার্যকরী করার বিষয়ও নয়।
সাহাবীগণ চোরকে নিজে শাস্তি না দিয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট নিয়ে যেতেন। অনুরূপভাবে পরবর্তীতে আবু বকর (রা:) খলিফা হলে তার নিকট নিয়ে যেতেন।
আল্লাহর গুণবাচক নামগুলো সংরক্ষণ করার কথা আছে। আল্লাহ নিজে এই গুণবাচক নামগুলো নিজের জন্যে ধারণ করেছেন। আল্লাহর এই গুণ বা সিফাত এককভাবে আল্লাহরই। এই সিফাতগুলো আল্লাহর জন্যেই খাস করে বিশ্বাস পোষণ করতে হবে। আল্লাহর এই গুণ আল্লাহর জন্যে যেরূপ। এর কোনো একটি গুণকেও যদি অনুরূপভাবে আল্লাহর কোনো সৃষ্টির মাঝেRead more
আল্লাহর গুণবাচক নামগুলো সংরক্ষণ করার কথা আছে। আল্লাহ নিজে এই গুণবাচক নামগুলো নিজের জন্যে ধারণ করেছেন। আল্লাহর এই গুণ বা সিফাত এককভাবে আল্লাহরই। এই সিফাতগুলো আল্লাহর জন্যেই খাস করে বিশ্বাস পোষণ করতে হবে। আল্লাহর এই গুণ আল্লাহর জন্যে যেরূপ। এর কোনো একটি গুণকেও যদি অনুরূপভাবে আল্লাহর কোনো সৃষ্টির মাঝে আছে বলে কেউ বিশ্বাস করে তাহলে সে হবে মুশরিক। আল্লাহর এই সিফাতি নামগুলো খাস করে বিশ্বাস- পোষণ করে এর ভিত্তিতে জীবন পরিচালনা করলেই জান্নাত লাভ করা যাবে। শুধু নামগুলো মুখস্থ করলেই নয়।
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «إِنَّ لِلَّهِ تَعَالَى تِسْعَةً وَتِسْعِينَ اسْمًا مِائَةً إِلَّا وَاحِدًا مَنْ أَحْصَاهَا دَخَلَ الْجَنَّةَ»
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ তা’আলার নিরানব্বই-এক কম একশ’টি নাম রয়েছে। যে ব্যক্তি এ নামগুলো মুখস্থ করবে সে জান্নাতে যাবে।
একজন বিবাহিত পুরুষ যিনা করলে ইসলামী শরীয়াহ মোতাবেক তার শাস্তি হল পাথর মেরে হত্যা করা। এখন যেহেতু এই কাজটি কার্যকর করা হচ্ছে না বা যাচ্ছে না অথচ ব্যাভিচার প্রমাণিত হচ্ছে। আলেম উলামার দ্বারা বুঝানোর অর্থ হচ্ছে স্বীকৃতিও দিচ্ছে অথচ সে তাওবাহ্ করেও ফিরছে না। সেহেতু মহিলাটির উচিত হল তার কাছ থেকে তালাক নিRead more
একজন বিবাহিত পুরুষ যিনা করলে ইসলামী শরীয়াহ মোতাবেক তার শাস্তি হল পাথর মেরে হত্যা করা। এখন যেহেতু এই কাজটি কার্যকর করা হচ্ছে না বা যাচ্ছে না অথচ ব্যাভিচার প্রমাণিত হচ্ছে। আলেম উলামার দ্বারা বুঝানোর অর্থ হচ্ছে স্বীকৃতিও দিচ্ছে অথচ সে তাওবাহ্ করেও ফিরছে না। সেহেতু মহিলাটির উচিত হল তার কাছ থেকে তালাক নিয়ে বিচ্ছিন্ন হওয়া এবং ইদ্দতান্তে কোনো দ্বীনদার পুরুষের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হওয়া। মহিলাটি তো চরম উদারতা দেখিয়েছে। স্বামীকে অন্য বিবাহের জন্য পরামর্শ দিয়েছে। এ সমাজে কয়জন মহিলাই এমন উদারতা দেখাতে পারে? যে ব্যক্তি কবীরা গুনাহে আসক্ত হয়ে আছে এমন পাপিষ্ঠের সাথে কোনো দ্বীনদার মহিলার না থাকাই উচিত।
মহান আল্লাহ বলেন,
الزَّانِي لَا يَنكِحُ إِلَّا زَانِيَةً أَوْ مُشْرِكَةً وَالزَّانِيَةُ لَا يَنكِحُهَا إِلَّا زَانٍ أَوْ مُشْرِكٌ ۚ وَحُرِّمَ ذَٰلِكَ عَلَى الْمُؤْمِنِينَ
ব্যভিচারী পুরুষ কেবল ব্যভিচারিণী নারী অথবা মুশরিকা নারীকেই বিয়ে করে এবং ব্যভিচারিণীকে কেবল ব্যভিচারী অথবা মুশরিক পুরুষই বিয়ে করে এবং এদেরকে মুমিনদের জন্যে হারাম করা হয়েছে। [সূরা নূর: আয়াত:৩]
ইমাম মাহদির নাম হবে মুহাম্মাদ এবং তিনি রসূল (সঃ) এর বংশের হবেন। পূর্ব থেকেই তিনি জিহাদী কাফেলায় শরীক থাকবেন। কোনো কারণে তাদের সাথে মতানৈক্য হওয়ার পর তিনি তাদেঁর কাছ থেকে মক্কায় চলে যাবেন। বাইদার ভূমি ধ্বংসের পর আল্লাহ উনাকে এক রাতেই এই মহান দায়িত্বের জন্য ঐ তৈরী করবেন। কা'বার কাছে থাকতেই লোকজন উRead more
ইমাম মাহদির নাম হবে মুহাম্মাদ এবং তিনি রসূল (সঃ) এর বংশের হবেন। পূর্ব থেকেই তিনি জিহাদী কাফেলায় শরীক থাকবেন। কোনো কারণে তাদের সাথে মতানৈক্য হওয়ার পর তিনি তাদেঁর কাছ থেকে মক্কায় চলে যাবেন।
বাইদার ভূমি ধ্বংসের পর আল্লাহ উনাকে এক রাতেই এই মহান দায়িত্বের জন্য ঐ তৈরী করবেন। কা’বার কাছে থাকতেই লোকজন উনাকে চিনে ফেলবে আর উনার কাছে বাইআতের জন্য তারা পীড়াপিড়ি করবে। প্রথমত, তিনি লোকদের বাইআত নিতে অস্বীকার করবেন। তখন আল্লাহর পক্ষ থেকে একটি আওয়াজ দেওয়া হবে –
هذا خَلِيفَةُ الله المهدي
ইনিই আল্লাহর খলীফাহ মাহদী, অবশেষে তিনি জিহাদের দায়িত্ব নিবেন এবং উনার নেতৃত্বেই জিহাদ পরিচালিত হবে।
“বরফের পাহাড়ে হামাগুড়ি দিয়ে হলেও তাঁর (মাহদির) কাছে পৌঁছে তাঁর সঙ্গে যোগ দাও” — এই কথাটি সাধারণত ইমাম মাহদি (আঃ)-এর প্রসঙ্গে উল্লেখ করা হয়।
এই বর্ণনাটির উৎসমূল ও মান :
এই হাদিসটি পাওয়া যায় ইবন মাজাহ-এর সুনান গ্রন্থে,
কিতাবুল ফিতান, باب خروج المهدي,
হাদিস নম্বর: 4084 (কিছু সংস্করণে 4082)।
আরবিতে বর্ণনাটি হলো:
عَنْ ثَوْبَانَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ
“يَقْتَتِلُ عِندَ كَنْزِكُمْ ثَلَاثَةٌ كُلُّهُمُ ابْنُ خَلِيفَةٍ، ثُمَّ لَا يَصِيرُ إِلَى وَاحِدٍ مِنْهُمْ، ثُمَّ تَطْلُعُ الرَّايَاتُ السُّودُ مِنْ قِبَلِ الْمَشْرِقِ، فَيَقْتُلُونَكُمْ قَتْلًا لَمْ يُقْتَلْهُ قَوْمٌ – ثُمَّ ذَكَرَ شَيْئًا لَا أَحْفَظُهُ – فَقَالَ: فَإِذَا رَأَيْتُمُوهُ فَبَايِعُوهُ وَلَوْ حَبْوًا عَلَى الثَّلْجِ، فَإِنَّهُ خَلِيفَةُ اللَّهِ الْمَهْدِيُّ”
“তোমাদের ধনভাণ্ডারের জন্য তিনজন খলিফার পুত্র যুদ্ধ করবে… তারপর পূর্ব দিক থেকে কালো পতাকাধারীরা আসবে… তারপর নবী ﷺ বললেন: ‘যদি তোমরা তাঁকে (মাহদিকে) দেখতে পাও, তবে বরফের ওপর হামাগুড়ি দিয়েও তাঁর কাছে গিয়ে তাঁর হাতে বায়আত করো, কারণ তিনি আল্লাহর খলিফা মাহদি।”
হাদিসের মান (দুর্বল বা সহীহ?)
কেউ কেউ এই হাদীসের রাবিকে সত্যবাদী বলেছেন। আবার কেউ কেউ কোন কোন রাবির দুর্বলতা তুলে ধরেছেন।
ইবন হাজর, আলবানী, শু’আইব আল-আর্নাউত প্রমুখ হাদিস সমালোচকরা বলেছেন —
সনদে থাকা ‘আলী ইবন যায়েদ ইবন জুদআন’ দুর্বল বর্ণনাকারী, ফলে হাদিসটি দুর্বল।
🔹 শায়খ আলবানী (সিলসিলা আল-আহাদিস আল-দাইফাহ, হাদিস ৮৫) একে দুর্বল বলেছেন।
🔹 শু’আইব আল-আর্নাউত (তাহকীক, সুনান ইবন মাজাহ) মন্তব্য করেছেন: “إسناده ضعيف” — “এর সনদ দুর্বল।”
তবে অর্থগতভাবে (মাতন) হাদিসটির ভাব সহীহ,
যদিও সনদ দুর্বল, তবুও বিষয়বস্তু ইমাম মাহদি সম্পর্কে অন্যান্য সহীহ হাদিসের সাথে মিল রাখে— যেমন মাহদির আগমন, পূর্ব দিক থেকে কালো পতাকাবাহী বাহিনী ইত্যাদি বিষয়ে একাধিক সহীহ হাদিস রয়েছে (যেমন: মুসলিম, আবু দাউদ, তিরমিজি ইত্যাদিতে)।
তবে “বরফের ওপর হামাগুড়ি দিয়ে যাও”— অংশটি বিশেষভাবে দুর্বল সূত্রে এসেছে।
বর্তমান পৃথিবীর অবস্থা দেখে মনে হয় ইমাম মাহদির আগমন সন্নিকটে। কারণ হাদিসে বর্ণিত কিয়ামতের ছোট ছোট আলামতগুলো প্রায় প্রকাশিত হয়ে গেছে। আর কিয়ামতের বড় আলামত ইমাম মাহদির আত্ম প্রকাশের মাধ্যমে শুরু হবে।والله أعلم
প্রশ্ন নং ৩৫ ‣ কিছু আলেম ফতওয়া দেয় বর্তমানে জিহাদ ফরজ হয়নি। এই ফতওয়া কতটুকু গ্রহণযোগ্য?
জিহাদ হল সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ একটি ফরজ ইবাদাত। যে ইবাদাত সারাজীবনব্যাপী করতে হয়। এই জিহাদের ইবাদাত কেউ নিষিদ্ধ করতে পারে না। কোনো অজুহাতে কোনো মুমিন এ থেকে বিরত থাকতে পারে না। মুনাফিকরাই শুধু জিহাদের ফরজ ইবাদাত থেকে গা বাঁচিয়ে চলার কূটকৌশল অবলম্বন করে। জিহাদ করতে প্রশিক্ষণ লাগে, অস্ত্র লাগে এটা সতRead more
জিহাদ হল সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ একটি ফরজ ইবাদাত। যে ইবাদাত সারাজীবনব্যাপী করতে হয়। এই জিহাদের ইবাদাত কেউ নিষিদ্ধ করতে পারে না। কোনো অজুহাতে কোনো মুমিন এ থেকে বিরত থাকতে পারে না। মুনাফিকরাই শুধু জিহাদের ফরজ ইবাদাত থেকে গা বাঁচিয়ে চলার কূটকৌশল অবলম্বন করে। জিহাদ করতে প্রশিক্ষণ লাগে, অস্ত্র লাগে এটা সত্য। তবে এটা কি অসম্ভব। যখন সে আলিম বুঝতে পারেন অস্ত্র ও প্রশিক্ষণ প্রয়োজন তখন কেন অস্ত্র জোগাড় করে না। প্রশিক্ষণ গ্রহণের চেষ্টা না করে শয়তানী ধোঁকায় পড়ে বিভ্রান্তিমূলক কথা বলছে। যে বুঝতে পারল প্রশিক্ষণ লাগবে, অস্ত্র লাগবে। তারই দায়িত্ব হলো অস্ত্র জোগাড় করা ও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা। কেউ যদি বলে সালাত আদায় করতে হবে। পবিত্রতা অর্জন করতে হবে। এখন যেহেতু পবিত্রতা অর্জন করতে পারছি না সেহেতু সলাত আদায় করা লাগবে না। এরূপ আলিমদের কথা তো এমনই হয়ে গেল। ফরজ ইবাদাত ছেড়ে দেয়ার জন্যে এমন কথা বলা প্রকৃতপক্ষে কোনো আলেম বলতে পারে না। আমি যখন বলব- আল্লাহর বিধান ও রাসূল (সঃ) এর সুন্নাহ ব্যতীত কোনো কিছু মানবো না। মানব রচিত বিধানের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত রাষ্ট্রব্যবস্থা হলো কুফরি রাষ্ট্রব্যবস্থা। কুফরী রাষ্ট্রব্যবস্থার অধীনে সন্তুষ্টির সাথে মানব রচিত বিধান যারা মেনে চলবে বা মেনে চলাকে বৈধ বলবে তারা মুরতাদ এবং কাফির। তখনই দেখা যাবে নমরুদ, ফেরআউন, আবু জেহেল, আবু লাহাবদের প্রেতাত্মারা রুদ্রমূর্তি ধারণ করে এগিয়ে আসছে। কার বিরুদ্ধে জিহাদ করব এমন কথা একজন মূর্খ-জাহিল ব্যতীত কেউ বলতে পারেনা। এ ধরণের আলিম মূলত নমরূদ-ফিরআউনের নেতৃত্বের জিহাদ করার মত আবোল-তাবোল বকাবকি করছে। মুসলিম জামাআতের আমীর জিহাদের সিদ্ধান্ত নেবেন। কারণ তিনি মুসলিম জামাআহর শাসক। কুফুরি পদ্ধতিতে কুফরী আক্বীদাহ- বিশ্বাসের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত কুফরী রাষ্ট্রব্যবস্থাকে খতম করে দ্বীনে হক ইসলামকে বিজয়ী করার লক্ষ্যেই আল্লাহ জিহাদ ফরজ করেছেন। তাই এ ধরণের জাহিল আলিমের কথায় বিভ্রান্ত না হয়ে রসূল (সঃ) খুলাফায়ে রাশিদীন (রাঃ) ও প্রায় সালাফ-আস-সালিহীনগণ যেভাবে জিহাদ করেছিলেন। সকল মুমিনের দায়িত্ব হল ঐ জিহাদের ধারায় নিজেকে সম্পৃক্ত রেখে সর্বোচ্চ কুরবানী পেশ করা। বিশেষ করে বর্তমানে এই ফরজ ইবাদাতের গুরুত্ব আরো অনেক বেশি।
See lessমহান আল্লাহ বলেন,
يايُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا كُتِبَ عَلَيْكُمُ الْقِتَالُ وَهُوَ كُرْهٌ لَّكُمْ ۖ وَعَسَىٰ أَن تَكْرَهُوا شَيْئًا وَهُوَ خَيْرٌ لَّكُمْ ۖ وَعَسَىٰ أَن تُحِبُّوا شَيْئًا وَهُوَ شَرٌّ لَّكُمْ ۗ وَاللَّهُ يَعْلَمُ وَأَنتُمْ لَا تَعْلَمُونَ .
“হে ঈমানদারগণ, তোমাদের উপর যুদ্ধ ফরয করা হয়েছে, যদিও তা তোমাদের কাছে অপছন্দের। হতে পারে কোনো কিছু তোমাদের কাছে অপছন্দ কিন্তু তা তোমাদের জন্য কল্যাণকর এবং হতে পারে কোনো কিছু তোমাদের কাছে প্রিয় কিন্তু তা তোমাদের জন্য ক্ষতিকর। আর আল্লাহ জানেন, তোমরা জানো না”।
প্রশ্ন নং ৩৪ ‣ জনসাধারণ কি চোরের বিচার করতে পারবে?
গ্রামে-গঞ্জে চোর ধরা পড়লে জনগণ শরীয়াহ মোতাবেক শাস্তি প্রয়োগ করতে পারবেন না। এমনকি মারধরও করতে পারবেন না। কারণ তারা কেউ ইসলামী শরীয়াহ কার্যকর করার কর্তৃপক্ষ নন। কোনো হাদ্দ কার্যকরী করতে হলে শারঈ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে করতে হয়। কারণ এতে কোনো ধরণের ত্রুটি শরীয়তে গ্রহণযোগ্য নয়। আর এটা হুট করে কার্যকরীRead more
গ্রামে-গঞ্জে চোর ধরা পড়লে জনগণ শরীয়াহ মোতাবেক শাস্তি প্রয়োগ করতে পারবেন না। এমনকি মারধরও করতে পারবেন না। কারণ তারা কেউ ইসলামী শরীয়াহ কার্যকর করার কর্তৃপক্ষ নন। কোনো হাদ্দ কার্যকরী করতে হলে শারঈ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে করতে হয়। কারণ এতে কোনো ধরণের ত্রুটি শরীয়তে গ্রহণযোগ্য নয়। আর এটা হুট করে কার্যকরী করার বিষয়ও নয়।
See lessসাহাবীগণ চোরকে নিজে শাস্তি না দিয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট নিয়ে যেতেন। অনুরূপভাবে পরবর্তীতে আবু বকর (রা:) খলিফা হলে তার নিকট নিয়ে যেতেন।
প্রশ্ন নং ৩৩ ‣ আল্লাহর ৯৯টি নাম মুখস্ত করলেই কি জান্নাত পাওয়া যাবে?
আল্লাহর গুণবাচক নামগুলো সংরক্ষণ করার কথা আছে। আল্লাহ নিজে এই গুণবাচক নামগুলো নিজের জন্যে ধারণ করেছেন। আল্লাহর এই গুণ বা সিফাত এককভাবে আল্লাহরই। এই সিফাতগুলো আল্লাহর জন্যেই খাস করে বিশ্বাস পোষণ করতে হবে। আল্লাহর এই গুণ আল্লাহর জন্যে যেরূপ। এর কোনো একটি গুণকেও যদি অনুরূপভাবে আল্লাহর কোনো সৃষ্টির মাঝেRead more
আল্লাহর গুণবাচক নামগুলো সংরক্ষণ করার কথা আছে। আল্লাহ নিজে এই গুণবাচক নামগুলো নিজের জন্যে ধারণ করেছেন। আল্লাহর এই গুণ বা সিফাত এককভাবে আল্লাহরই। এই সিফাতগুলো আল্লাহর জন্যেই খাস করে বিশ্বাস পোষণ করতে হবে। আল্লাহর এই গুণ আল্লাহর জন্যে যেরূপ। এর কোনো একটি গুণকেও যদি অনুরূপভাবে আল্লাহর কোনো সৃষ্টির মাঝে আছে বলে কেউ বিশ্বাস করে তাহলে সে হবে মুশরিক। আল্লাহর এই সিফাতি নামগুলো খাস করে বিশ্বাস- পোষণ করে এর ভিত্তিতে জীবন পরিচালনা করলেই জান্নাত লাভ করা যাবে। শুধু নামগুলো মুখস্থ করলেই নয়।
See lessعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «إِنَّ لِلَّهِ تَعَالَى تِسْعَةً وَتِسْعِينَ اسْمًا مِائَةً إِلَّا وَاحِدًا مَنْ أَحْصَاهَا دَخَلَ الْجَنَّةَ»
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ তা’আলার নিরানব্বই-এক কম একশ’টি নাম রয়েছে। যে ব্যক্তি এ নামগুলো মুখস্থ করবে সে জান্নাতে যাবে।
প্রশ্ন নং ৩২ ‣ যিনাকারী পুরুষের ক্ষেত্রে স্ত্রীর করণীয় কী?
একজন বিবাহিত পুরুষ যিনা করলে ইসলামী শরীয়াহ মোতাবেক তার শাস্তি হল পাথর মেরে হত্যা করা। এখন যেহেতু এই কাজটি কার্যকর করা হচ্ছে না বা যাচ্ছে না অথচ ব্যাভিচার প্রমাণিত হচ্ছে। আলেম উলামার দ্বারা বুঝানোর অর্থ হচ্ছে স্বীকৃতিও দিচ্ছে অথচ সে তাওবাহ্ করেও ফিরছে না। সেহেতু মহিলাটির উচিত হল তার কাছ থেকে তালাক নিRead more
একজন বিবাহিত পুরুষ যিনা করলে ইসলামী শরীয়াহ মোতাবেক তার শাস্তি হল পাথর মেরে হত্যা করা। এখন যেহেতু এই কাজটি কার্যকর করা হচ্ছে না বা যাচ্ছে না অথচ ব্যাভিচার প্রমাণিত হচ্ছে। আলেম উলামার দ্বারা বুঝানোর অর্থ হচ্ছে স্বীকৃতিও দিচ্ছে অথচ সে তাওবাহ্ করেও ফিরছে না। সেহেতু মহিলাটির উচিত হল তার কাছ থেকে তালাক নিয়ে বিচ্ছিন্ন হওয়া এবং ইদ্দতান্তে কোনো দ্বীনদার পুরুষের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হওয়া। মহিলাটি তো চরম উদারতা দেখিয়েছে। স্বামীকে অন্য বিবাহের জন্য পরামর্শ দিয়েছে। এ সমাজে কয়জন মহিলাই এমন উদারতা দেখাতে পারে? যে ব্যক্তি কবীরা গুনাহে আসক্ত হয়ে আছে এমন পাপিষ্ঠের সাথে কোনো দ্বীনদার মহিলার না থাকাই উচিত।
See lessমহান আল্লাহ বলেন,
الزَّانِي لَا يَنكِحُ إِلَّا زَانِيَةً أَوْ مُشْرِكَةً وَالزَّانِيَةُ لَا يَنكِحُهَا إِلَّا زَانٍ أَوْ مُشْرِكٌ ۚ وَحُرِّمَ ذَٰلِكَ عَلَى الْمُؤْمِنِينَ
ব্যভিচারী পুরুষ কেবল ব্যভিচারিণী নারী অথবা মুশরিকা নারীকেই বিয়ে করে এবং ব্যভিচারিণীকে কেবল ব্যভিচারী অথবা মুশরিক পুরুষই বিয়ে করে এবং এদেরকে মুমিনদের জন্যে হারাম করা হয়েছে। [সূরা নূর: আয়াত:৩]
প্রশ্ন নং ৩১ ‣ ইমাম মাহদীর আত্মপ্রকাশের লক্ষণ কি কি? তার আগমন কি সন্নিকটে?
ইমাম মাহদির নাম হবে মুহাম্মাদ এবং তিনি রসূল (সঃ) এর বংশের হবেন। পূর্ব থেকেই তিনি জিহাদী কাফেলায় শরীক থাকবেন। কোনো কারণে তাদের সাথে মতানৈক্য হওয়ার পর তিনি তাদেঁর কাছ থেকে মক্কায় চলে যাবেন। বাইদার ভূমি ধ্বংসের পর আল্লাহ উনাকে এক রাতেই এই মহান দায়িত্বের জন্য ঐ তৈরী করবেন। কা'বার কাছে থাকতেই লোকজন উRead more
ইমাম মাহদির নাম হবে মুহাম্মাদ এবং তিনি রসূল (সঃ) এর বংশের হবেন। পূর্ব থেকেই তিনি জিহাদী কাফেলায় শরীক থাকবেন। কোনো কারণে তাদের সাথে মতানৈক্য হওয়ার পর তিনি তাদেঁর কাছ থেকে মক্কায় চলে যাবেন।
See lessবাইদার ভূমি ধ্বংসের পর আল্লাহ উনাকে এক রাতেই এই মহান দায়িত্বের জন্য ঐ তৈরী করবেন। কা’বার কাছে থাকতেই লোকজন উনাকে চিনে ফেলবে আর উনার কাছে বাইআতের জন্য তারা পীড়াপিড়ি করবে। প্রথমত, তিনি লোকদের বাইআত নিতে অস্বীকার করবেন। তখন আল্লাহর পক্ষ থেকে একটি আওয়াজ দেওয়া হবে –
هذا خَلِيفَةُ الله المهدي
ইনিই আল্লাহর খলীফাহ মাহদী, অবশেষে তিনি জিহাদের দায়িত্ব নিবেন এবং উনার নেতৃত্বেই জিহাদ পরিচালিত হবে।
“বরফের পাহাড়ে হামাগুড়ি দিয়ে হলেও তাঁর (মাহদির) কাছে পৌঁছে তাঁর সঙ্গে যোগ দাও” — এই কথাটি সাধারণত ইমাম মাহদি (আঃ)-এর প্রসঙ্গে উল্লেখ করা হয়।
এই বর্ণনাটির উৎসমূল ও মান :
এই হাদিসটি পাওয়া যায় ইবন মাজাহ-এর সুনান গ্রন্থে,
কিতাবুল ফিতান, باب خروج المهدي,
হাদিস নম্বর: 4084 (কিছু সংস্করণে 4082)।
আরবিতে বর্ণনাটি হলো:
عَنْ ثَوْبَانَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ
“يَقْتَتِلُ عِندَ كَنْزِكُمْ ثَلَاثَةٌ كُلُّهُمُ ابْنُ خَلِيفَةٍ، ثُمَّ لَا يَصِيرُ إِلَى وَاحِدٍ مِنْهُمْ، ثُمَّ تَطْلُعُ الرَّايَاتُ السُّودُ مِنْ قِبَلِ الْمَشْرِقِ، فَيَقْتُلُونَكُمْ قَتْلًا لَمْ يُقْتَلْهُ قَوْمٌ – ثُمَّ ذَكَرَ شَيْئًا لَا أَحْفَظُهُ – فَقَالَ: فَإِذَا رَأَيْتُمُوهُ فَبَايِعُوهُ وَلَوْ حَبْوًا عَلَى الثَّلْجِ، فَإِنَّهُ خَلِيفَةُ اللَّهِ الْمَهْدِيُّ”
“তোমাদের ধনভাণ্ডারের জন্য তিনজন খলিফার পুত্র যুদ্ধ করবে… তারপর পূর্ব দিক থেকে কালো পতাকাধারীরা আসবে… তারপর নবী ﷺ বললেন: ‘যদি তোমরা তাঁকে (মাহদিকে) দেখতে পাও, তবে বরফের ওপর হামাগুড়ি দিয়েও তাঁর কাছে গিয়ে তাঁর হাতে বায়আত করো, কারণ তিনি আল্লাহর খলিফা মাহদি।”
হাদিসের মান (দুর্বল বা সহীহ?)
কেউ কেউ এই হাদীসের রাবিকে সত্যবাদী বলেছেন। আবার কেউ কেউ কোন কোন রাবির দুর্বলতা তুলে ধরেছেন।
ইবন হাজর, আলবানী, শু’আইব আল-আর্নাউত প্রমুখ হাদিস সমালোচকরা বলেছেন —
সনদে থাকা ‘আলী ইবন যায়েদ ইবন জুদআন’ দুর্বল বর্ণনাকারী, ফলে হাদিসটি দুর্বল।
🔹 শায়খ আলবানী (সিলসিলা আল-আহাদিস আল-দাইফাহ, হাদিস ৮৫) একে দুর্বল বলেছেন।
🔹 শু’আইব আল-আর্নাউত (তাহকীক, সুনান ইবন মাজাহ) মন্তব্য করেছেন: “إسناده ضعيف” — “এর সনদ দুর্বল।”
তবে অর্থগতভাবে (মাতন) হাদিসটির ভাব সহীহ,
যদিও সনদ দুর্বল, তবুও বিষয়বস্তু ইমাম মাহদি সম্পর্কে অন্যান্য সহীহ হাদিসের সাথে মিল রাখে— যেমন মাহদির আগমন, পূর্ব দিক থেকে কালো পতাকাবাহী বাহিনী ইত্যাদি বিষয়ে একাধিক সহীহ হাদিস রয়েছে (যেমন: মুসলিম, আবু দাউদ, তিরমিজি ইত্যাদিতে)।
তবে “বরফের ওপর হামাগুড়ি দিয়ে যাও”— অংশটি বিশেষভাবে দুর্বল সূত্রে এসেছে।
বর্তমান পৃথিবীর অবস্থা দেখে মনে হয় ইমাম মাহদির আগমন সন্নিকটে। কারণ হাদিসে বর্ণিত কিয়ামতের ছোট ছোট আলামতগুলো প্রায় প্রকাশিত হয়ে গেছে। আর কিয়ামতের বড় আলামত ইমাম মাহদির আত্ম প্রকাশের মাধ্যমে শুরু হবে।والله أعلم