Please briefly explain why you feel this question should be reported.

Please briefly explain why you feel this answer should be reported.

Please briefly explain why you feel this user should be reported.

Sign In

মাকতাবাতুল ফিকহ

মাকতাবাতুল ফিকহ Logo মাকতাবাতুল ফিকহ Logo

মাকতাবাতুল ফিকহ Navigation

  • Home
  • All Questions

Mobile menu

Close
  • Home
  • All Questions
  • Login
  • Signup
  • Recent Questions
  • Answers
  • Most Visited
  • Random
  • Followed Questions
  1. Asked: September 7, 2026In: পারিবারিক জীবন

    প্রশ্ন নং ৭০ ‣ বেদ্বীনদার স্বামীকে কি ডিভোর্স দেয়া যাবে?

    Taqiuddin Ahmed Bin Saad
    Taqiuddin Ahmed Bin Saad
    Added an answer on September 7, 2026 at 9:37 am

    প্রথমত মেয়ে বিয়ে দেয়ার সময় ছেলের ঈমান- আক্বীদাহ ও আমল সম্পর্কে খোঁজ-খবর নিয়ে দ্বীনদার পাত্রের কাছে বিয়ে দেয়া অভিভাবকের দায়িত্ব। যদি কোনো পাত্রের কথা কাজ ও আক্বীদাহর মাধ্যমে ঈমান ভঙ্গ হওয়া নিশ্চিত হওয়া যায় তাহলে এমন পাত্রের কাছে বিয়ে দেয়া বৈধ নয়। আর যদি বিয়ের সময় ছেলেকে মুমিন বলেই নিশ্চিRead more

    প্রথমত মেয়ে বিয়ে দেয়ার সময় ছেলের ঈমান- আক্বীদাহ ও আমল সম্পর্কে খোঁজ-খবর নিয়ে দ্বীনদার পাত্রের কাছে বিয়ে দেয়া অভিভাবকের দায়িত্ব। যদি কোনো পাত্রের কথা কাজ ও আক্বীদাহর মাধ্যমে ঈমান ভঙ্গ হওয়া নিশ্চিত হওয়া যায় তাহলে এমন পাত্রের কাছে বিয়ে দেয়া বৈধ নয়। আর যদি বিয়ের সময় ছেলেকে মুমিন বলেই নিশ্চিত হওয়ার পর বিয়ে দেয়া হয়ে থাকে এবং পরে তার ঈমান ভঙ্গ হয় তাহলে উক্ত বিয়ে বাতিল হয়ে যাবে তালাকেরও প্রয়োজন নেই। কিন্তু শুধু আমলের ক্রুটি আছে এবং ঈমান ভঙ্গ হয়নি। তাহলে এমন বিয়ে অটুট থাকবে। আমলে ত্রুটির কারণে বিয়ে ভঙ্গ হয়না। মেয়ের পক্ষ থেকে তালাক দেয়ার বিধান ইসলামে নেই। মেয়ের পক্ষ থেকে খোলা তালাক চাওয়ার সুযোগ আছে। এক্ষেত্রে মোহরের দাবী ছেড়ে দিয়ে ছেলের কাছে তালাক চাইবে। যদি সে তালাক না দেয় উলুল আমরের কাছে অভিযোগ পেশ করলে তিনি ইচ্ছা করলে বিবাহ ভেঙ্গে দিতে পারেন। স্বামী তালাক দিলে তাকে পূর্ণ মোহর আদায় করতে হবে। এ বিষয়টি তাগুতী আদালতে না গিয়ে নিজেদের মধ্যে আপোষে মীমাংসা করে নেয়া উত্তম।

    See less
  2. Asked: August 31, 2026In: ️বিবিধ

    প্রশ্ন নং ৬৯ ‣ বর্তমানে কার হাতে বায়য়াত দেয়া সকলের জন্য ওয়াজিব?

    Taqiuddin Ahmed Bin Saad
    Taqiuddin Ahmed Bin Saad
    Added an answer on August 31, 2026 at 8:21 am

    ইমামুল মুসলিমীন এর ব্যাপারে এখন নিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব নয় যে, অমুকের কাছে বাইআত দেয়া ওয়াজিব। বরং বর্তমানে বিভিন্ন মতভেদ বিষয়টিকে আরো ঘোলাটে করে ফেলেছে। হয়তো ইমাম মাহদীর আত্মপ্রকাশ খুবই নিকটবর্তী। তখন ওনার কাছেই সকলের বাইআত ওয়াজিব হবে। এখন মুসলিমদের জামাআতবদ্ধ জীবনযাপন ফরজ। সেহেতু যে তানজিম বা আRead more

    ইমামুল মুসলিমীন এর ব্যাপারে এখন নিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব নয় যে, অমুকের কাছে বাইআত দেয়া ওয়াজিব। বরং বর্তমানে বিভিন্ন মতভেদ বিষয়টিকে আরো ঘোলাটে করে ফেলেছে। হয়তো ইমাম মাহদীর আত্মপ্রকাশ খুবই নিকটবর্তী। তখন ওনার কাছেই সকলের বাইআত ওয়াজিব হবে। এখন মুসলিমদের জামাআতবদ্ধ জীবনযাপন ফরজ। সেহেতু যে তানজিম বা আমীরকে দ্বীনের মানদন্ডের ভিত্তিতে সঠিক পথের অন্তত কাছাকাছি মনে হয় এমন তানজীমের কাছে বাইআত নিয়ে জামাআতবদ্ধ থাকা প্রয়োজন।

    See less
  3. Asked: August 26, 2026In: পারিবারিক জীবন

    প্রশ্ন নং ৬৮ ‣ যিনাকারী পুরুষের ক্ষেত্রে স্ত্রীর করণীয় কী?

    Taqiuddin Ahmed Bin Saad
    Taqiuddin Ahmed Bin Saad
    Added an answer on August 26, 2026 at 11:22 am

    একজন বিবাহিত পুরুষ যিনা করলে ইসলামী শরীয়াহ মোতাবেক তার শাস্তি হল পাথর মেরে হত্যা করা। এখন যেহেতু এই কাজটি কার্যকর করা হচ্ছে না বা যাচ্ছে না অথচ ব্যাভিচার প্রমাণিত হচ্ছে। আলেম উলামার দ্বারা বুঝানোর অর্থ হচ্ছে স্বীকৃতিও দিচ্ছে অথচ সে তাওবাহ্ করেও ফিরছে না। সেহেতু মহিলাটির উচিত হল তার কাছ থেকে তালাক নিRead more

    একজন বিবাহিত পুরুষ যিনা করলে ইসলামী শরীয়াহ মোতাবেক তার শাস্তি হল পাথর মেরে হত্যা করা। এখন যেহেতু এই কাজটি কার্যকর করা হচ্ছে না বা যাচ্ছে না অথচ ব্যাভিচার প্রমাণিত হচ্ছে। আলেম উলামার দ্বারা বুঝানোর অর্থ হচ্ছে স্বীকৃতিও দিচ্ছে অথচ সে তাওবাহ্ করেও ফিরছে না। সেহেতু মহিলাটির উচিত হল তার কাছ থেকে তালাক নিয়ে বিচ্ছিন্ন হওয়া এবং ইদ্দতান্তে কোনো দ্বীনদার পুরুষের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হওয়া। মহিলাটি তো চরম উদারতা দেখিয়েছে। স্বামীকে অন্য বিবাহের জন্য পরামর্শ দিয়েছে। এ সমাজে কয়জন মহিলাই এমন উদারতা দেখাতে পারে? যে ব্যক্তি কবীরা গুনাহে আসক্ত হয়ে আছে এমন পাপিষ্ঠের সাথে কোনো দ্বীনদার মহিলার না থাকাই উচিত।

    See less
  4. Asked: August 21, 2026In: ইবাদাত

    প্রশ্ন নং ৬৭ ‣ তাসবিহ দানায় গণনা করা কি বিদাআত?

    Taqiuddin Ahmed Bin Saad
    Taqiuddin Ahmed Bin Saad
    Added an answer on August 21, 2026 at 3:25 pm

    মালায় গণনার পদ্ধতি রসূলুল্লাহ (সঃ) বা সাহাবায়ে (রাযিঃ)দের যামানায় ছিলনা। তাই তাবিঈন বা তাবে তাবিঈনের যামানায়ও ছিলনা বরং রসূলুল্লাহ (সঃ) আঙ্গুলের করেই গণনা করতেন এবং বলেছেন হিসাবের দিন আল্লাহ (সুবঃ) এই কর্ম সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করবেন। আঙ্গুলের মাধ্যমে তাসবীহ গণনার ব্যাপারে রসূল (সঃ) এর ক্বওল ও ফেল বিদ্যRead more

    মালায় গণনার পদ্ধতি রসূলুল্লাহ (সঃ) বা সাহাবায়ে (রাযিঃ)দের যামানায় ছিলনা। তাই তাবিঈন বা তাবে তাবিঈনের যামানায়ও ছিলনা বরং রসূলুল্লাহ (সঃ) আঙ্গুলের করেই গণনা করতেন এবং বলেছেন হিসাবের দিন আল্লাহ (সুবঃ) এই কর্ম সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করবেন। আঙ্গুলের মাধ্যমে তাসবীহ গণনার ব্যাপারে রসূল (সঃ) এর ক্বওল ও ফেল বিদ্যমান থাকতে অন্য কোনো পন্থা অবলম্বন করা উচিত নয়। যদিও বলা হয়ে থাকে আব্দুল্লাহ ইবন আব্বাস (রাযিঃ) খেজুর বীচির দ্বারা তাসবীহ গণনা করেছিলেন, এই বর্ণনাটি সহীহ নয়। রসুল (সঃ) যা করেননি বা বলেননি অথবা করার অনুমোদনও দেননি এমন কোনো কাজ ইবাদাতের নিয়্যাতে করাই হল বিদআহ, যেহেতু এই বিষয়ে এখন কোনো প্রমাণ প্রতিষ্ঠিত নেই। সেহেতু বিদআহ বলেই গণ্য হবে।

    See less
  5. Asked: August 13, 2026In: ️বিবিধ

    প্রশ্ন নং ৬৬ ‣ বর্তমান তাগুত সরকারকে হটানোর জন্য তুলনামূলক অন্য কোনো ভালো দলকে কি সাহায্য করা যাবে?

    Taqiuddin Ahmed Bin Saad
    Taqiuddin Ahmed Bin Saad
    Added an answer on August 13, 2026 at 5:55 pm

    বর্তমান সরকারকে সরিয়ে দেয়ার জন্যে যে সকল দল কাজ করছে, তাদের সকলের ধর্ম একটি তা হল গণতন্ত্র। এক কুফরি শক্তির বিরোধিতা করতে গিয়ে আরেক কুফরী শক্তির সহযোগীতা করা কোনো মুসলিমের কাজ নয়। সেহেতু মুমিনের কাজ হলো দ্বীনের বিজয়ের জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করা। কোনো কুফরী শক্তিকে ক্ষমতা থেকে নামানো ও উঠানোর কাজেRead more

    বর্তমান সরকারকে সরিয়ে দেয়ার জন্যে যে সকল দল কাজ করছে, তাদের সকলের ধর্ম একটি তা হল গণতন্ত্র। এক কুফরি শক্তির বিরোধিতা করতে গিয়ে আরেক কুফরী শক্তির সহযোগীতা করা কোনো মুসলিমের কাজ নয়। সেহেতু মুমিনের কাজ হলো দ্বীনের বিজয়ের জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করা। কোনো কুফরী শক্তিকে ক্ষমতা থেকে নামানো ও উঠানোর কাজে নিজেদেরকে নিয়োজিত না করা। এতে কোনো কুফরের পক্ষ অবলম্বন করার কারণে ঈমানহারা হওয়ার আশংকা আছে। আল্লাহর দেয়া নেয়ামত, মেধা, যোগ্যতা, দক্ষতা, কর্মতৎপরতা ও সময়কে পরিপূর্ণভাবে আল্লাহর দ্বীনের বিজয়ের লক্ষ্যে নিয়োজিত রাখা প্রয়োজন। অন্যদিকে মনোযোগ দিলে এসব- নেয়ামতের অপব্যবহারের আশংকা আছে। তাই এখন সময় অতি গুরুত্বপূর্ণ নিজেদের কাজে ব্যস্ত হওয়া প্রয়োজন। নিজের ও পরিবারের দ্বীন ও ঈমান রক্ষা করাই এখন সবচেয়ে বেশী গুরুত্বপূর্ণ। তাই সতর্কতার সাথে সময়ের সদ্ব্যবহার করে চূড়ান্ত প্রস্তুতির জন্য নিজের সকল চিন্তাকে একনিষ্ঠ করা প্রয়োজন।

    See less
1 2 3 … 14

Sidebar

Top Question Categories

ইবাদাত
18Questions
, 0Followers
পারিবারিক জীবন
11Questions
, 0Followers
হালাল ও হারাম
11Questions
, 0Followers
লেনদেন ও অর্থনীতি
7Questions
, 0Followers
জিহাদ
4Questions
, 0Followers

Stats

  • Questions 86
  • Answers 84

ভেরিফাইড শাইখগণ

আব্দুল ওয়াদুদ

আব্দুল ওয়াদুদ

Follow
Ask
আব্দুর রহমান

আব্দুর রহমান

Follow
Ask

Explore

  • Login
  • Signup

Footer

মাকতাবাতুল ফিকহ

মাকতাবাতুল ফিকহ

ইসলামিক সমাধান
Home
Categories
All Questions
Terms of service
About us
Contact us

© ২০২৫ মাকতাবাতুল ফিকহ
All Rights Reserved