Please briefly explain why you feel this question should be reported.

Please briefly explain why you feel this answer should be reported.

Please briefly explain why you feel this user should be reported.

Sign In

মাকতাবাতুল ফিকহ

মাকতাবাতুল ফিকহ Logo মাকতাবাতুল ফিকহ Logo

মাকতাবাতুল ফিকহ Navigation

  • Home
  • All Questions

Mobile menu

Close
  • Home
  • All Questions
  • Login
  • Signup
  • Recent Questions
  • Answers
  • Most Visited
  • Random
  • Followed Questions
  1. Asked: March 13, 2026In: ইবাদাত

    প্রশ্ন নং ৩৮ ‣ সলাতে রুকু থেকে উঠে পুনরায় বুকে হাত বাঁধার কি কোনো দলিল আছে?

    Taqiuddin Ahmed Saleh
    Taqiuddin Ahmed Saleh
    Added an answer on March 13, 2026 at 10:37 pm

    রুকু থেকে মাথা উঠানোর পর (কওমার অবস্থায়) হাত ছেড়ে দেওয়া বা পুনরায় বুকে হাত বাঁধা- উভয় আমলই সমসাময়িক আলেমদের মাঝে আলোচিত। এ বিষয়ে বিস্তারিত বিশ্লেষণ নিচে দেওয়া হলো: ১. যারা রুকুর পর হাত বাঁধার পক্ষে (ইমাম ইবনে বায ও ইবনে উসাইমীন রহ.) শাইখ ইবনে বায (রাহিমাহুল্লাহ) এবং শাইখ ইবনে উসাইমীন (রাহিমাহুল্লাহRead more

    রুকু থেকে মাথা উঠানোর পর (কওমার অবস্থায়) হাত ছেড়ে দেওয়া বা পুনরায় বুকে হাত বাঁধা- উভয় আমলই সমসাময়িক আলেমদের মাঝে আলোচিত। এ বিষয়ে বিস্তারিত বিশ্লেষণ নিচে দেওয়া হলো:
    ১. যারা রুকুর পর হাত বাঁধার পক্ষে (ইমাম ইবনে বায ও ইবনে উসাইমীন রহ.)
    শাইখ ইবনে বায (রাহিমাহুল্লাহ) এবং শাইখ ইবনে উসাইমীন (রাহিমাহুল্লাহ) রুকুর পর হাত বাঁধাকে সুন্নাহ হিসেবে গণ্য করেছেন। তাঁদের প্রধান দলিল হলো সাহাবী সাহল বিন সা’দ (রাদি.) বর্ণিত সহীহ বুখারীর এই হাদীসটি:
    “লোকদের নির্দেশ দেওয়া হতো যে, সালাতে যেন প্রত্যেকে তার ডান হাত বাম হাতের জরা (বাহু)-এর উপর রাখে।” (সহীহ বুখারী: ৭৪০)
    তাঁদের যুক্তি: হাদীসে বলা হয়েছে “সালাতে” (في الصلاة), অর্থাৎ সলাতের সাধারণ দণ্ডায়মান অবস্থায়। রুকুর আগের দাঁড়ানো যেমন ‘কিয়াম’ (দণ্ডায়মান), রুকুর পরের অবস্থাটিও ‘কিয়াম’। সুতরাং এই সাধারণ নির্দেশের অন্তর্ভুক্ত হিসেবে রুকুর পরেও হাত বাঁধা সুন্নাহ। শাইখ ইবনে উসাইমীন (রাহিমাহুল্লাহ) তাঁর ‘আশ-শারহুল মুমতি’ গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন যে, যেহেতু এটি সলাতের একটি দণ্ডায়মান অবস্থা, তাই রুকুর আগের ও পরের দণ্ডায়মানের মাঝে পার্থক্য করার কোনো বিশেষ দলিল নেই।
    ২. যারা রুকুর পর হাত ছেড়ে দেওয়ার পক্ষে (ইমাম আলবানী রহ.)
    বিখ্যাত হাদীস বিশারদ শাইখ মুহাম্মাদ নাসিরুদ্দীন আলবানী (রাহিমাহুল্লাহ) রুকুর পর হাত বাঁধাকে ‘বিদআত’ বা ভিত্তিহীন বলে অভিহিত করেছেন। তাঁর যুক্তি হলো:
    রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সলাতের পুঙ্খানুপুঙ্খ বর্ণনায় রুকুর আগের হাত বাঁধার কথা স্পষ্টভাবে আসলেও, রুকুর পরের বর্ণনায় শুধু “হাত সোজা হয়ে যার যার স্থানে ফিরে যাওয়া” (حتى يعود كل فقار مكانه) এর কথা এসেছে।
    সালাফে সালেহীন বা চার ইমামের কারো থেকেই রুকুর পর হাত বাঁধার কোনো স্পষ্ট বর্ণনা পাওয়া যায় না। তাই তিনি মনে করতেন, এটি একটি ‘নতুন উদ্ভাবিত’ মাসআলা। (অর্থাৎ বিদআহ)
    ৩. সমন্বয় ও ফিকহী দৃষ্টিভঙ্গি
    এটি একটি ইজতিহাদী (গবেষণামূলক) মাসআলা। যেহেতু এ বিষয়ে কোনো ‘নস’ বা সরাসরি অকাট্য হাদীস নেই (যেখানে স্পষ্টভাবে বলা আছে রুকুর পর হাত বাঁধো অথবা ছেড়ে দাও), সেহেতু এ নিয়ে কড়াকড়ি করা অনুচিত। সলাতের এই বিষয়টি “সুন্নাহর বৈচিত্র্য” বা ইজতিহাদের অন্তর্ভুক্ত। যারা হাত বাঁধছেন তারা বড় ইমামদের গবেষণা অনুসরণ করছেন, আর যারা ছেড়ে দিচ্ছেন তারা মূল বর্ণনার বাহ্যিক রূপ অনুসরণ করছেন। এ নিয়ে একে অপরকে দোষারোপ করা, বিবাদে লিপ্ত হওয়া বা কাউকে সুন্নাহ বিরোধী বলা সালাফি মানহাজের আদর্শ নয়। শাইখ বিন বায (রাহ.) নিজেও বলেছেন যে, কেউ যদি হাত ছেড়ে দেয় তাতে তার সলাতের কোনো ক্ষতি হবে না।
    সুতরাং রুকুর পর হাত বাঁধা এবং ছেড়ে দেওয়া; উভয় মতেরই শক্তিশালী যৌক্তিক ভিত্তি রয়েছে। তবে উম্মাহর ঐক্য বজায় রাখতে এসব ছোটখাটো ইজতিহাদী বিষয়ে কঠোরতা পরিহার করাই উত্তম।

    See less
  2. Asked: March 9, 2026In: লেনদেন ও অর্থনীতি

    প্রশ্ন নং ৩৭ ‣ আইসিডিডিআরবি এ চাকুরী করা কি জায়েজ হবে?

    Taqiuddin Ahmed Saleh
    Taqiuddin Ahmed Saleh
    Added an answer on March 9, 2026 at 11:05 am

    মূলত চিকিৎসা বা জনস্বাস্থ্যবিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠানে চাকরি করা মূলগতভাবে জায়েজ বা বৈধ। তবে একজন মুসলিম হিসেবে কর্মস্থল নির্বাচনের ক্ষেত্রে কর্মপরিবেশ এবং প্রতিষ্ঠানের উদ্দেশ্যের দিকে লক্ষ্য রাখা জরুরি। যেমনঃ ইসলাম মানবসেবা ও জীবন রক্ষার চিকিৎসাবিদ্যাকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়েছে। আল্লাহ তাআলা পবিত্র কুরআRead more

    মূলত চিকিৎসা বা জনস্বাস্থ্যবিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠানে চাকরি করা মূলগতভাবে জায়েজ বা বৈধ। তবে একজন মুসলিম হিসেবে কর্মস্থল নির্বাচনের ক্ষেত্রে কর্মপরিবেশ এবং প্রতিষ্ঠানের উদ্দেশ্যের দিকে লক্ষ্য রাখা জরুরি। যেমনঃ ইসলাম মানবসেবা ও জীবন রক্ষার চিকিৎসাবিদ্যাকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়েছে। আল্লাহ তাআলা পবিত্র কুরআনে ইরশাদ করেছেন:
    “যে ব্যক্তি কোনো মানুষের প্রাণ রক্ষা করল, সে যেন জগতের সমস্ত মানুষের প্রাণ রক্ষা করল।” (সূরা আল-মায়িদাহ: ৩২)
    সুতরাং, আইসিডিডিআর,বি-র মতো প্রতিষ্ঠান যদি মানুষের জীবন রক্ষাকারী প্রতিষেধক বা চিকিৎসা নিয়ে কাজ করে, তবে সেখানে কারিগরি বা প্রশাসনিক সেবা প্রদান করা সওয়াবের কাজ হিসেবে গণ্য হতে পারে। যেহেতু আইসিডিডিআর,বি-র মতো আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর সাথে বিভিন্ন অমুসলিম দাতা সংস্থা বা বিদেশি মিশনগুলোর সংশ্লিষ্টতা থাকে, তাই একজন মুসলিমের জন্য কিছু বিষয়ে সচেতন থাকা আবশ্যক।
    আকীদাহ ও বিশ্বাস রক্ষা: যদি প্রতিষ্ঠানের কোনো কর্মকাণ্ডে ইসলামবিরোধী প্রচার-প্রসার বা কুসংস্কারের সংশ্লিষ্টতা থাকে, তবে তা থেকে দূরে থাকতে হবে।
    ভ্যাকসিনের গুণগত মান ও উদ্দেশ্য: যদি নিশ্চিতভাবে জানা যায় যে, কোনো নির্দিষ্ট ভ্যাকসিন বা ঔষধের মাধ্যমে মুসলিম উম্মাহর বা জনস্বাস্থ্যের ক্ষতি সাধন করা হচ্ছে তবে সেই নির্দিষ্ট প্রজেক্টে সহযোগিতা করা জায়েজ হবে না। কারণ আল্লাহ বলেছেন: “সৎকর্ম ও তাকওয়ায় তোমরা একে অপরের সাহায্য করো, কিন্তু পাপাচার ও সীমালঙ্ঘনের কাজে একে অন্যের সাহায্য করো না।” (সূরা আল-মায়িদাহ: ২)
    মিশনারী প্রভাব: যদি সেখানে মিশনারীদের সরাসরি কোনো ধর্মীয় এজেন্ডা থাকে যা ইসলামের মৌলিক বিশ্বাসে আঘাত হানে, তবে সেখানে কাজ করা ঈমানের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হবে।
    রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অমুসলিমদের থেকে চিকিৎসা বা কারিগরি সহায়তা নিয়েছেন- এমন প্রমাণ সহীহ হাদীসে পাওয়া যায়। সুতরাং, কোনো অমুসলিম সংস্থা বা তাদের অনুদানে পরিচালিত প্রতিষ্ঠানে কেবল পেশাদারিত্বের খাতিরে চাকরি করা নাজায়েজ নয়, যতক্ষণ না সেটি সরাসরি কোনো হারাস (হারাম) কাজ বা ইসলামের ক্ষতির কারণ হচ্ছে।
    সারসংক্ষেপ: আইসিডিডিআর,বি-তে চাকরি করা বৈধ, যদি আপনার দায়িত্বটি সরাসরি কোনো হারাম কাজের (যেমন: সুদী লেনদেন, ইসলাম বিরোধী প্রচারণা বা প্রমাণিত ক্ষতিকর কোনো গবেষণা) সাথে যুক্ত না থাকে। তবে কর্মক্ষেত্রে নিজের ঈমান ও আমল রক্ষায় সর্বদা সচেষ্ট থাকতে হবে।

    See less
  3. Asked: January 29, 2026In: পারিবারিক জীবন

    প্রশ্ন নং ৩৬ ‣ স্ত্রীকে না জানিয়ে দেনমোহর কমানো যাবে কি?

    Taqiuddin Ahmed Saleh
    Taqiuddin Ahmed Saleh
    Added an answer on January 29, 2026 at 3:01 pm

    দেনমোহর যদি স্ত্রীর অজান্তে নির্ধারণ করা হয় তাহলে অভিভাবকরা যে দেন মোহর ধার্য করেছেন তা তাকে জানানো প্রয়োজন। কারণ দেন মোহর পাওয়ার অধিকার হল স্ত্রীর। এর মাঝে কোনো অভিভাবকের হক নেই। তাকে জানানোর পর স্বামী-স্ত্রীর সন্তুষ্টির ভিত্তিতে কম-বেশী যে পরিমাণেরই উপর উভয়ে একমত হবেন তাই দেন মোহর হিসেবে গণ্য হRead more

    দেনমোহর যদি স্ত্রীর অজান্তে নির্ধারণ করা হয় তাহলে অভিভাবকরা যে দেন মোহর ধার্য করেছেন তা তাকে জানানো প্রয়োজন। কারণ দেন মোহর পাওয়ার অধিকার হল স্ত্রীর। এর মাঝে কোনো অভিভাবকের হক নেই। তাকে জানানোর পর স্বামী-স্ত্রীর সন্তুষ্টির ভিত্তিতে কম-বেশী যে পরিমাণেরই উপর উভয়ে একমত হবেন তাই দেন মোহর হিসেবে গণ্য হবে। স্বামীর অক্ষমতা বিবেচনা করে অথবা স্বামীকে সন্তুষ্ট করার জন্যে স্ত্রী যদি মোহরানার জন্যে কোনো অংশ মাফ করে দেয় অথবা পুরোটাই মাফ করে দেয় এটা স্ত্রীর অধিকার সে করতে পারে। এতে কোনো অসুবিধা নেই। তবে মনে রাখতে হবে স্ত্রীর উপর কোনো প্রকারের চাপ প্রয়োগ করে কমানো বা মাফ করানোর কাজ করা যাবে না। কেউ যদি এমনটি করে এবং স্ত্রীও মাফ করে দেয় এবং পরে কোনো সময় দাবী করে তাহলে স্ত্রীর মোহর পরিশোধ করতে হবে। কারণ সে তখন সন্তুষ্টির ভিত্তিতে মাফ করেনি। তাই পরে দাবী করেছে। সন্তুষ্টির ভিত্তিতে স্বামী-স্ত্রী যা-ই করবেন তাই সঠিক হবে।

    See less
  4. Asked: January 27, 2026In: জিহাদ

    প্রশ্ন নং ৩৫ ‣ কিছু আলেম ফতওয়া দেয় বর্তমানে জিহাদ ফরজ হয়নি। এই ফতওয়া কতটুকু গ্রহণযোগ্য?

    Taqiuddin Ahmed Saleh
    Taqiuddin Ahmed Saleh
    Added an answer on January 27, 2026 at 12:34 pm

    জিহাদ হল সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ একটি ফরজ ইবাদাত। যে ইবাদাত সারাজীবনব্যাপী করতে হয়। এই জিহাদের ইবাদাত কেউ নিষিদ্ধ করতে পারে না। কোনো অজুহাতে কোনো মুমিন এ থেকে বিরত থাকতে পারে না। মুনাফিকরাই শুধু জিহাদের ফরজ ইবাদাত থেকে গা বাঁচিয়ে চলার কূটকৌশল অবলম্বন করে। জিহাদ করতে প্রশিক্ষণ লাগে, অস্ত্র লাগে এটা সতRead more

    জিহাদ হল সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ একটি ফরজ ইবাদাত। যে ইবাদাত সারাজীবনব্যাপী করতে হয়। এই জিহাদের ইবাদাত কেউ নিষিদ্ধ করতে পারে না। কোনো অজুহাতে কোনো মুমিন এ থেকে বিরত থাকতে পারে না। মুনাফিকরাই শুধু জিহাদের ফরজ ইবাদাত থেকে গা বাঁচিয়ে চলার কূটকৌশল অবলম্বন করে। জিহাদ করতে প্রশিক্ষণ লাগে, অস্ত্র লাগে এটা সত্য। তবে এটা কি অসম্ভব। যখন সে আলিম বুঝতে পারেন অস্ত্র ও প্রশিক্ষণ প্রয়োজন তখন কেন অস্ত্র জোগাড় করে না। প্রশিক্ষণ গ্রহণের চেষ্টা না করে শয়তানী ধোঁকায় পড়ে বিভ্রান্তিমূলক কথা বলছে। যে বুঝতে পারল প্রশিক্ষণ লাগবে, অস্ত্র লাগবে। তারই দায়িত্ব হলো অস্ত্র জোগাড় করা ও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা। কেউ যদি বলে সালাত আদায় করতে হবে। পবিত্রতা অর্জন করতে হবে। এখন যেহেতু পবিত্রতা অর্জন করতে পারছি না সেহেতু সলাত আদায় করা লাগবে না। এরূপ আলিমদের কথা তো এমনই হয়ে গেল। ফরজ ইবাদাত ছেড়ে দেয়ার জন্যে এমন কথা বলা প্রকৃতপক্ষে কোনো আলেম বলতে পারে না। আমি যখন বলব- আল্লাহর বিধান ও রাসূল (সঃ) এর সুন্নাহ ব্যতীত কোনো কিছু মানবো না। মানব রচিত বিধানের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত রাষ্ট্রব্যবস্থা হলো কুফরি রাষ্ট্রব্যবস্থা। কুফরী রাষ্ট্রব্যবস্থার অধীনে সন্তুষ্টির সাথে মানব রচিত বিধান যারা মেনে চলবে বা মেনে চলাকে বৈধ বলবে তারা মুরতাদ এবং কাফির। তখনই দেখা যাবে নমরুদ, ফেরআউন, আবু জেহেল, আবু লাহাবদের প্রেতাত্মারা রুদ্রমূর্তি ধারণ করে এগিয়ে আসছে। কার বিরুদ্ধে জিহাদ করব এমন কথা একজন মূর্খ-জাহিল ব্যতীত কেউ বলতে পারেনা। এ ধরণের আলিম মূলত নমরূদ-ফিরআউনের নেতৃত্বের জিহাদ করার মত আবোল-তাবোল বকাবকি করছে। মুসলিম জামাআতের আমীর জিহাদের সিদ্ধান্ত নেবেন। কারণ তিনি মুসলিম জামাআহর শাসক। কুফুরি পদ্ধতিতে কুফরী আক্বীদাহ- বিশ্বাসের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত কুফরী রাষ্ট্রব্যবস্থাকে খতম করে দ্বীনে হক ইসলামকে বিজয়ী করার লক্ষ্যেই আল্লাহ জিহাদ ফরজ করেছেন। তাই এ ধরণের জাহিল আলিমের কথায় বিভ্রান্ত না হয়ে রসূল (সঃ) খুলাফায়ে রাশিদীন (রাঃ) ও প্রায় সালাফ-আস-সালিহীনগণ যেভাবে জিহাদ করেছিলেন। সকল মুমিনের দায়িত্ব হল ঐ জিহাদের ধারায় নিজেকে সম্পৃক্ত রেখে সর্বোচ্চ কুরবানী পেশ করা। বিশেষ করে বর্তমানে এই ফরজ ইবাদাতের গুরুত্ব আরো অনেক বেশি।
    মহান আল্লাহ বলেন,
    يايُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا كُتِبَ عَلَيْكُمُ الْقِتَالُ وَهُوَ كُرْهٌ لَّكُمْ ۖ وَعَسَىٰ أَن تَكْرَهُوا شَيْئًا وَهُوَ خَيْرٌ لَّكُمْ ۖ وَعَسَىٰ أَن تُحِبُّوا شَيْئًا وَهُوَ شَرٌّ لَّكُمْ ۗ وَاللَّهُ يَعْلَمُ وَأَنتُمْ لَا تَعْلَمُونَ .
    “হে ঈমানদারগণ, তোমাদের উপর যুদ্ধ ফরয করা হয়েছে, যদিও তা তোমাদের কাছে অপছন্দের। হতে পারে কোনো কিছু তোমাদের কাছে অপছন্দ কিন্তু তা তোমাদের জন্য কল্যাণকর এবং হতে পারে কোনো কিছু তোমাদের কাছে প্রিয় কিন্তু তা তোমাদের জন্য ক্ষতিকর। আর আল্লাহ জানেন, তোমরা জানো না”।

    See less
  5. Asked: January 22, 2026In: হুদুদ, কিসাস, তাযির

    প্রশ্ন নং ৩৪ ‣ জনসাধারণ কি চোরের বিচার করতে পারবে?

    Taqiuddin Ahmed Saleh
    Taqiuddin Ahmed Saleh
    Added an answer on January 22, 2026 at 8:33 am

    গ্রামে-গঞ্জে চোর ধরা পড়লে জনগণ শরীয়াহ মোতাবেক শাস্তি প্রয়োগ করতে পারবেন না। এমনকি মারধরও করতে পারবেন না। কারণ তারা কেউ ইসলামী শরীয়াহ কার্যকর করার কর্তৃপক্ষ নন। কোনো হাদ্দ কার্যকরী করতে হলে শারঈ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে করতে হয়। কারণ এতে কোনো ধরণের ত্রুটি শরীয়তে গ্রহণযোগ্য নয়। আর এটা হুট করে কার্যকরীRead more

    গ্রামে-গঞ্জে চোর ধরা পড়লে জনগণ শরীয়াহ মোতাবেক শাস্তি প্রয়োগ করতে পারবেন না। এমনকি মারধরও করতে পারবেন না। কারণ তারা কেউ ইসলামী শরীয়াহ কার্যকর করার কর্তৃপক্ষ নন। কোনো হাদ্দ কার্যকরী করতে হলে শারঈ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে করতে হয়। কারণ এতে কোনো ধরণের ত্রুটি শরীয়তে গ্রহণযোগ্য নয়। আর এটা হুট করে কার্যকরী করার বিষয়ও নয়।
    সাহাবীগণ চোরকে নিজে শাস্তি না দিয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট নিয়ে যেতেন। অনুরূপভাবে পরবর্তীতে আবু বকর (রা:) খলিফা হলে তার নিকট নিয়ে যেতেন।

    See less
1 2 3 … 8

Sidebar

Top Question Categories

ইবাদাত
9Questions
, 0Followers
হালাল ও হারাম
8Questions
, 0Followers
লেনদেন ও অর্থনীতি
6Questions
, 0Followers
পারিবারিক জীবন
4Questions
, 0Followers
জিহাদ
2Questions
, 0Followers

Stats

  • Questions 47
  • Answers 47

ভেরিফাইড শাইখগণ

আব্দুল ওয়াদুদ

আব্দুল ওয়াদুদ

Follow
Ask
আব্দুর রহমান

আব্দুর রহমান

Follow
Ask

Explore

  • Login
  • Signup

Footer

মাকতাবাতুল ফিকহ

মাকতাবাতুল ফিকহ

ইসলামিক সমাধান
Home
Categories
All Questions
Terms of service
About us
Contact us

© ২০২৫ মাকতাবাতুল ফিকহ
All Rights Reserved