Please briefly explain why you feel this question should be reported.

Please briefly explain why you feel this answer should be reported.

Please briefly explain why you feel this user should be reported.

Sign In

মাকতাবাতুল ফিকহ

মাকতাবাতুল ফিকহ Logo মাকতাবাতুল ফিকহ Logo

মাকতাবাতুল ফিকহ Navigation

  • Home
  • All Questions

Mobile menu

Close
  • Home
  • All Questions
  • Login
  • Signup
  • Recent Questions
  • Answers
  • Most Visited
  • Random
  • Followed Questions
  1. Asked: October 29, 2025In: ️তাহারাত (পবিত্রতা)

    প্রশ্ন নং ১৩ ‣ ওযু করার পর কোনো জায়গা শুকনো থাকলে কি ওযু হবে?

    Taqiuddin Ahmed Bin Saad
    Taqiuddin Ahmed Bin Saad
    Added an answer on October 30, 2025 at 6:25 am

    ওযুর অঙ্গের মধ্যে এক চুল পরিমাণ জায়গাও শুকনা থাকলে ওযু হবে না। আর ঐ অজু দিয়ে সালাত হবেনা। ওযুর অঙ্গ ভেজা থাকা অবস্থায় যদি কোনো জায়গা শুষ্ক দেখা যায় তাহলে ভেজা অংশ থেকে হাত দ্বারা শুকনো অংশ ডলে দিলে ওযু হয়ে যাবে। কিন্তু ওযুর অঙ্গ শুকিয়ে গেলে নতুন করে ওযু করতে হবে। যেহেতু আল্লাহর নবী সাল্লাল্লাRead more

    ওযুর অঙ্গের মধ্যে এক চুল পরিমাণ জায়গাও শুকনা থাকলে ওযু হবে না। আর ঐ অজু দিয়ে সালাত হবেনা। ওযুর অঙ্গ ভেজা থাকা অবস্থায় যদি কোনো জায়গা শুষ্ক দেখা যায় তাহলে ভেজা অংশ থেকে হাত দ্বারা শুকনো অংশ ডলে দিলে ওযু হয়ে যাবে। কিন্তু ওযুর অঙ্গ শুকিয়ে গেলে নতুন করে ওযু করতে হবে।
    যেহেতু আল্লাহর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একদা কতক লোকের শুষ্ক গোড়ালি দেখে বলেছিলেন, “গোড়ালিগুলোর জন্য দোযখে ধ্বংস ও সর্বনাশ রয়েছে! তোমরা ভালরুপে (সকল অঙ্গকে সম্পূর্ণরুপে) ধুয়ে ওযু কর।” (মুসলিম, মিশকাত ৩৯৮নং)
    এক ব্যক্তি ওযু করার পর মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট উপস্থিত হলে দেখলেন, তার দুই পায়ে নখ পরিমাণ জায়গা শুষ্ক রয়েছে। তিনি তাকে বললেন, “তুমি ফিরে গিয়ে ভালরুপে ওযু করে এস।” (আবূ দাঊদ, সুনান ১৫৮নং)

    See less
  2. Asked: October 29, 2025In: আখলাক (চরিত্র)

    প্রশ্ন নং ১৪ ‣ জনসাধারণকে সচেতন করার লক্ষ্যে কারও গীবত করা কি জায়েজ?

    Taqiuddin Ahmed Bin Saad
    Taqiuddin Ahmed Bin Saad
    Added an answer on October 30, 2025 at 6:23 am

    প্রথমে খতিবকে তার ভুল ধরিয়ে দিতে হবে এবং বিভ্রান্তিমূলক বক্তব্যের কথাটি মুসল্লীদেরকে জানিয়ে দিতে বলতে হবে । কিন্তু সে যদি এটা না করেন তাহলে তার বক্তব্য অবিকৃত ভাবে উপস্থাপন করে মানুষকে সচেতন ও সতর্ক করলে গীবত হবে না। কারো কোন ত্রুটি যদি অন্যের ক্ষতির কারণ হয় তাহলে তার এই ক্ষতি থেকে অন্যদেরকে বাঁচRead more

    প্রথমে খতিবকে তার ভুল ধরিয়ে দিতে হবে এবং বিভ্রান্তিমূলক বক্তব্যের কথাটি মুসল্লীদেরকে জানিয়ে দিতে বলতে হবে । কিন্তু সে যদি এটা না করেন
    তাহলে তার বক্তব্য অবিকৃত ভাবে উপস্থাপন করে মানুষকে সচেতন ও সতর্ক করলে গীবত হবে না। কারো কোন ত্রুটি যদি অন্যের ক্ষতির কারণ হয় তাহলে তার এই ক্ষতি থেকে অন্যদেরকে বাঁচানোর জন্য তার অনুপিস্থিতিতে তার ত্রুটি বর্ণনা করা গীবত নয়। ইমাম নববী গীবত থেকে যে ৬টি বিষয়কে আলাদা করেছেন এটা হল তার একটি।
    হাসান বছরী (রহঃ) বলেন, বিদ‘আতী ব্যক্তির সমালোচনা করা হারাম গীবতের পর্যায়ভুক্ত নয়।
    (হেবাতুল্লাহ লালকাঈ, শারহু উছূলি ই‘তিক্বাদি আহলিস সুন্নাত ওয়াল জামা‘আত ১/১৫৮।)
    একবার আহমাদ ইবনে হাম্বল (রহঃ)-কে জিজ্ঞেস করা হ’ল,
    ‌الرجل ‌يصوم ‌ويصلي ‌ويعتكف ‌أحب ‌إليك ‌أو ‌يتكلم في أهل البدع؟ ‘
    যে ব্যক্তি ছিয়াম রাখে, ছালাত আদায় করে এবং ই‘তিকাফ করে, সেই লোক আপনার কাছে বেশী পসন্দনীয়, নাকি যে বিদ‘আতীদের সম্পর্কে কথা বলে, সেই লোক আপনার কাছে বেশী প্রিয়’? জবাবে তিনি বলেন, ‘সেই ব্যক্তি যখন ছালাত-ছিয়াম ও ই‘তিকাফে রত থাকে, তখন সেই আমলটা শুধু তার নিজের জন্যই সম্পাদিত হয়। কিন্তু যখন সে বিদ‘আতীর বিরুদ্ধে কথা বলে, তখন সেখানে গোটা মুসলিম জাতির কল্যাণ নিহিত থাকে। আর এটাই অধিকতর উত্তম ও মর্যাদাপূর্ণ’।
    (ইবনে তাইমিয়াহ, মাজমূ‘উল ফাতাওয়া, ২৮/২৩১।)
    তবে সতর্ক থাকতে হবে যে, কোন খতিবের সমালোচনা যেন অবশ্যই সংশোধনমূলক ও ইনছাফপূর্ণ হয়। অর্থাৎ তিনি তার বক্তৃতা, লেখনি ও কর্মকান্ডে দ্বীনের ব্যাপারে যতটুকু ভুল করেছেন, কেবল ততটুকুর সমালোচনা করে সঠিক বিষয় পরিবেশন করা কর্তব্য। সেই সমালোচনা যেন কোনভাবেই হিংসামূলক এবং ব্যক্তিগত চরিত্রে আক্রমণমূলক না হয়ে যায়। এমন হ’লে আসল উদ্দেশ্য ব্যাহত হবে এবং উপকারের চেয়ে অপকারই বেশী হবে।

    See less
  3. Asked: October 29, 2025In: ইবাদাত

    প্রশ্ন নং ১৫ ‣ সলাতে ইমামতি করতে কী কী যোগ্যতা ও গুণ থাকা প্রয়োজন?

    Taqiuddin Ahmed Bin Saad
    Taqiuddin Ahmed Bin Saad
    Added an answer on October 30, 2025 at 6:22 am

    সলাতে ইমামতির জন্য তিলাওয়াত সহীহ হওয়া, সালাত আদায়ের পদ্ধতির ইলম থাকা, সালাতের শর্ত ও জরুরী মাসাইলগুলো জানা থাকা জরুরী। عَن أَبِي مَسْعُودٍ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «يَؤُمُّ الْقَوْمَ أَقْرَؤُهُمْ لِكِتَابِ اللَّهِ فَإِنْ كَانُوا فِي الْقِرَاءَةِ سَوَاءً فَأَعRead more

    সলাতে ইমামতির জন্য তিলাওয়াত সহীহ হওয়া, সালাত আদায়ের পদ্ধতির ইলম থাকা, সালাতের শর্ত ও জরুরী মাসাইলগুলো জানা থাকা জরুরী।
    عَن أَبِي مَسْعُودٍ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «يَؤُمُّ الْقَوْمَ أَقْرَؤُهُمْ لِكِتَابِ اللَّهِ فَإِنْ كَانُوا فِي الْقِرَاءَةِ سَوَاءً فَأَعْلَمُهُمْ بِالسُّنَّةِ فَإِنْ كَانُوا فِي السُّنَّةِ سَوَاءً فَأَقْدَمُهُمْ هِجْرَةً فَإِنْ كَانُوا فِي الْهِجْرَةِ سَوَاءً فَأَقْدَمُهُمْ سِنًّا وَلَا يَؤُمَّنَّ الرَّجُلُ الرَّجُلَ فِي سُلْطَانِهِ وَلَا يَقْعُدْ فِي بَيْتِهِ عَلَى تَكْرِمَتِهِ إِلَّا بِإِذْنِهِ» . رَوَاهُ مُسْلِمٌ. وَفِي رِوَايَةٍ لَهُ: «وَلَا يَؤُمَّنَّ الرجل الرجل فِي أَهله»
    আবূ মাসঊদ রযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, রাসূল ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘মানুষের ইমামতি করবে সেই ব্যক্তি যে কুরআন ভালো পড়ে। যদি কুরআন পড়ায় সকলে সমান হয়, তবে যে সুন্নাহ বেশি জানে। যদি সুন্নাহতেও সকলে সমান হয়, তবে যে হিজরত করেছে সে। যদি হিজরতেও সকলে সমান হয়, তবে যে বয়সে বেশি’ (ছহীহ মুসলিম, হা/৬৭৩; মিশকাত, হা/১১১৭)।
    এছাড়াও দ্বীনি ইলম ও তাকওয়ার অধিকারী হওয়া প্রয়োজন, সকল প্রকারের হারাম থেকে বেঁচে থাকা। এছাড়াও সকল ফরজ-ওয়াজিবাত আদায়ের ক্ষেত্রে একনিষ্ঠ থাকা প্রয়োজন। কারণ ইমাম মুক্তাদীদের জন্য আদর্শ হওয়া প্রয়োজন।

    See less
  4. Asked: October 29, 2025In: ইবাদাত

    প্রশ্ন নং ১৬ ‣ মহিলাদের পায়ের পাতা অনাবৃত থাকলে কি নামাজ হবে?

    Taqiuddin Ahmed Bin Saad
    Taqiuddin Ahmed Bin Saad
    Added an answer on October 30, 2025 at 6:18 am

    সালাতের সময় ছাড়াও সব সময়ই মহিলাদের টাখনু ঢেকে রাখতে হবে। টাখনুর নীচে মহিলাদের পায়ের পাতা পর্দার অন্তর্গত নয় সেহেতু পায়ের পাতা খোলা রাখলে সলাত নষ্ট হবেনা। তবে পায়ের পাতা ডেকে রাখা উত্তম । উম্মে সালামাহ (রাঃ)-কে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, এ সময় বড় চাদর দিয়ে পায়ের পাতাসহ সর্বাঙ্গ আবৃত করRead more

    সালাতের সময় ছাড়াও সব সময়ই মহিলাদের টাখনু ঢেকে রাখতে হবে। টাখনুর নীচে মহিলাদের পায়ের পাতা পর্দার অন্তর্গত নয় সেহেতু পায়ের পাতা খোলা রাখলে সলাত নষ্ট হবেনা।
    তবে পায়ের পাতা ডেকে রাখা উত্তম ।
    উম্মে সালামাহ (রাঃ)-কে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, এ সময় বড় চাদর দিয়ে পায়ের পাতাসহ সর্বাঙ্গ আবৃত করবে (মুছান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ হা/৬২২৮)। তবে রুকূ-সিজদার সময় পায়ের পাতা প্রকাশ পেলে ছালাত বিনষ্ট হবেনা। কেননা আল্লাহ বলেন, ‘তারা যেন তাদের সৌন্দর্য প্রকাশ না করে। তবে যেটুকু স্বাভাবিকভাবে প্রকাশ পায় সেটুকু ব্যতীত’ (নূর ২৪/৩১; (দ্র. ইবনু তায়মিয়াহ, মাজমূ ফাতাওয়া ২২/১১৪-১২০)।

    See less
  5. Asked: October 29, 2025In: লেনদেন ও অর্থনীতি

    প্রশ্ন নং ১৭ ‣ কিছু ইন্সুরেন্স শরীয়াহ মোতাবেক পরিচালিত হয়। এটা কতটুকু সঠিক?

    Taqiuddin Ahmed Bin Saad
    Taqiuddin Ahmed Bin Saad
    Added an answer on October 30, 2025 at 6:17 am

    ইনস্যুরেন্স কোম্পানীগুলো সরকারের বাণিজ্য মন্ত্রনালয়ের অধীনে ছিল, ব্যাংকগুলো যেভাবে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীনে। ইনস্যুরেন্স কোম্পানিগুলোকে ব্যাংকের মতই অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীনে নেওয়ার সরকারের চিন্তা ছিল। অর্থ মন্ত্রণালয় হোক আর বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ই হোক সরকারেরই বীমা অধিদপ্তরের মাধ্যমে সাধারণ বীমা ও জীRead more

    ইনস্যুরেন্স কোম্পানীগুলো সরকারের বাণিজ্য মন্ত্রনালয়ের অধীনে ছিল, ব্যাংকগুলো যেভাবে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীনে। ইনস্যুরেন্স কোম্পানিগুলোকে ব্যাংকের মতই অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীনে নেওয়ার সরকারের চিন্তা ছিল। অর্থ মন্ত্রণালয় হোক আর বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ই হোক সরকারেরই বীমা অধিদপ্তরের মাধ্যমে সাধারণ বীমা ও জীবনবীমা পরিচালিত হয়। ব্যাংকগুলো যেমন বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে লাইসেন্স নিয়ে শরীয়াহ ভিত্তিক পরিচালনার দাবি করে। তেমনিভাবে বীমা অধিদপ্তর থেকেও বীমা কোম্পানীগুলোও লাইসেন্স নিয়ে পরিচালনা করে। কিছু ইনস্যুরেন্স কোম্পানী শরীয়াহ ভিত্তিক পরিচালনা দাবি করলেও তাদের ইনভেস্ট সকল ক্ষেত্রে শরিয়াহ ভিত্তিক না, কিছু কিছু ক্ষেত্রে যেমন কেনা -বেচা, প্লট-ফ্লাট এমন কিছু ব্যবসা শরীয়াহ মেতাবেক হলেও সম্পূর্ণভাবে শরীয়াহ ভিত্তিক নয়। শরীয়াহ বোর্ডে যারা আছেন তাদের অনেককে চিনি। অনেকের সাথে কথাও হয়েছে। কিন্তু শরিয়াহ ভিত্তিক ইসলামী অর্থব্যবস্থা পরিচালনার ক্ষেত্রে তাদের জ্ঞান অতি সীমিত। সেহেতু ইসলামী বাংক ও ইসলামী বীমা” কোনোটাই পরিপূর্ণ ইসলামী শরিয়াহ ভিত্তিক পরিচালিত হচ্ছে না। মানবরচিত কুফরী শাসন ব্যবস্থার অধীনে শরীয়াহ ভিত্তিক ইসলামী অর্থব্যবস্থা পরিচালনা করাই অসম্ভব। সেহেতু এমন দাবী বাস্তবতা বিবর্জিত।

    See less
1 … 10 11 12 13

Sidebar

Top Question Categories

ইবাদাত
17Questions
, 0Followers
হালাল ও হারাম
11Questions
, 0Followers
পারিবারিক জীবন
9Questions
, 0Followers
লেনদেন ও অর্থনীতি
7Questions
, 0Followers
জিহাদ
4Questions
, 0Followers

Stats

  • Questions 81
  • Answers 79

ভেরিফাইড শাইখগণ

আব্দুল ওয়াদুদ

আব্দুল ওয়াদুদ

Follow
Ask
আব্দুর রহমান

আব্দুর রহমান

Follow
Ask

Explore

  • Login
  • Signup

Footer

মাকতাবাতুল ফিকহ

মাকতাবাতুল ফিকহ

ইসলামিক সমাধান
Home
Categories
All Questions
Terms of service
About us
Contact us

© ২০২৫ মাকতাবাতুল ফিকহ
All Rights Reserved