ইসলামী শরীয়তে প্রাণীর আকৃতিবিশিষ্ট যেকোনো মূর্তি, খেলনা বা কার্টুন তৈরি করা, ঘরে সংরক্ষণ করা এবং বেচাকেনা করা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। শিশুদের খেলার জন্য হলেও আধুনিক যুগের প্রাণবন্ত ও সুস্পষ্ট অবয়বযুক্ত খেলনা মূর্তিগুলো পরিহার করা আবশ্যক।
প্রাণীর ছবি বা আকৃতি প্রস্তুতকারীদের প্রতি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন এবং তাদের ওপর লানত (অভিশাপ) করেছেন। এই ধরনের মূর্তি বা খেলনা যারা তৈরি করে, হাশরের ময়দানে আল্লাহ তাআলা তাদেরকে এগুলোতে প্রাণ দেওয়ার নির্দেশ দেবেন, যা তাদের পক্ষে কখনোই সম্ভব হবে না। ফলে তারা কঠিন শাস্তির সম্মুখীন হবে।
আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
إِنَّ أَشَدَّ النَّاسِ عَذَابًا عِنْدَ اللَّهِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ الْمُصَوِّرُونَ
অর্থ: “কিয়ামতের দিন আল্লাহর কাছে সবচেয়ে কঠিন শাস্তি ভোগ করবে ছবি বা মূর্তি প্রস্তুতকারীরা।” [সহিহ বুখারি, হাদিস: ৫৯৫৬ এবং সহিহ মুসলিম, হাদিস: ২১০৯]
অন্য একটি হাদিসে আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
مَنْ صَوَّرَ صُورَةً فِي الدُّنْيَا كُلِّفَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ أَنْ يَنْفُخَ فِيهَا الرُّوحَ، وَلَيْسَ بِنَافِخٍ
অর্থ: “যে ব্যক্তি দুনিয়াতে কোনো (প্রাণীর) ছবি বা মূর্তি তৈরি করবে, কিয়ামতের দিন তাকে নির্দেশ দেওয়া হবে সে যেন তাতে রূহ ফুঁকে দেয়, অথচ সে কখনোই তা ফুঁকতে সক্ষম হবে না।” [সহিহ বুখারি, হাদিস: ৫৯৬৩]
এই ধরনের খেলনা মূর্তিগুলো মূলত ভিন্ন সংস্কৃতির একটি আগ্রাসন। ছোটবেলা থেকেই শিশুদের হাতে এসব মূর্তি তুলে দেওয়ার ফলে তাদের কচি মনে মূর্তির প্রতি এক ধরনের ভালোবাসা ও আকর্ষণ তৈরি হয়, যা পরবর্তীতে তাদের বিশুদ্ধ আকিদাহ ও তাওহীদের চেতনায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। ইসলাম মূর্তি ও শিরকের মূলোৎপাটন করতে এসেছে, তাই এর যেকোনো প্রতিচ্ছবি থেকে মুসলিম শিশুদের দূরে রাখা অভিভাবকদের ঈমানি দায়িত্ব।
এর বিকল্প হিসেবে শিশুদেরকে প্রাণহীন বস্তুর খেলনা দেওয়া যেতে পারে। যেমন: ফলমূল, ফুল, গাছপালা, গাড়ি, বিমান বা বিভিন্ন ধরনের ব্লক নির্মাণ সামগ্রী। এগুলো দিয়ে খেলা করা সম্পূর্ণ হালাল এবং এতে শিশুদের মানসিক বিকাশও ঘটে। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা আমাদের পরিবার ও সন্তানদেরকে শিরক এবং হারাম থেকে হেফাজত করুন। আমিন।
ইসলামী শরীয়তে প্রাণীর আকৃতিবিশিষ্ট যেকোনো মূর্তি, খেলনা বা কার্টুন তৈরি করা, ঘরে সংরক্ষণ করা এবং বেচাকেনা করা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। শিশুদের খেলার জন্য হলেও আধুনিক যুগের প্রাণবন্ত ও সুস্পষ্ট অবয়বযুক্ত খেলনা মূর্তিগুলো পরিহার করা আবশ্যক।
প্রাণীর ছবি বা আকৃতি প্রস্তুতকারীদের প্রতি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন এবং তাদের ওপর লানত (অভিশাপ) করেছেন। এই ধরনের মূর্তি বা খেলনা যারা তৈরি করে, হাশরের ময়দানে আল্লাহ তাআলা তাদেরকে এগুলোতে প্রাণ দেওয়ার নির্দেশ দেবেন, যা তাদের পক্ষে কখনোই সম্ভব হবে না। ফলে তারা কঠিন শাস্তির সম্মুখীন হবে।
আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
إِنَّ أَشَدَّ النَّاسِ عَذَابًا عِنْدَ اللَّهِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ الْمُصَوِّرُونَ
অর্থ: “কিয়ামতের দিন আল্লাহর কাছে সবচেয়ে কঠিন শাস্তি ভোগ করবে ছবি বা মূর্তি প্রস্তুতকারীরা।” [সহিহ বুখারি, হাদিস: ৫৯৫৬ এবং সহিহ মুসলিম, হাদিস: ২১০৯]
অন্য একটি হাদিসে আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
مَنْ صَوَّرَ صُورَةً فِي الدُّنْيَا كُلِّفَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ أَنْ يَنْفُخَ فِيهَا الرُّوحَ، وَلَيْسَ بِنَافِخٍ
অর্থ: “যে ব্যক্তি দুনিয়াতে কোনো (প্রাণীর) ছবি বা মূর্তি তৈরি করবে, কিয়ামতের দিন তাকে নির্দেশ দেওয়া হবে সে যেন তাতে রূহ ফুঁকে দেয়, অথচ সে কখনোই তা ফুঁকতে সক্ষম হবে না।” [সহিহ বুখারি, হাদিস: ৫৯৬৩]
এই ধরনের খেলনা মূর্তিগুলো মূলত ভিন্ন সংস্কৃতির একটি আগ্রাসন। ছোটবেলা থেকেই শিশুদের হাতে এসব মূর্তি তুলে দেওয়ার ফলে তাদের কচি মনে মূর্তির প্রতি এক ধরনের ভালোবাসা ও আকর্ষণ তৈরি হয়, যা পরবর্তীতে তাদের বিশুদ্ধ আকিদাহ ও তাওহীদের চেতনায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। ইসলাম মূর্তি ও শিরকের মূলোৎপাটন করতে এসেছে, তাই এর যেকোনো প্রতিচ্ছবি থেকে মুসলিম শিশুদের দূরে রাখা অভিভাবকদের ঈমানি দায়িত্ব।
এর বিকল্প হিসেবে শিশুদেরকে প্রাণহীন বস্তুর খেলনা দেওয়া যেতে পারে। যেমন: ফলমূল, ফুল, গাছপালা, গাড়ি, বিমান বা বিভিন্ন ধরনের ব্লক নির্মাণ সামগ্রী। এগুলো দিয়ে খেলা করা সম্পূর্ণ হালাল এবং এতে শিশুদের মানসিক বিকাশও ঘটে। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা আমাদের পরিবার ও সন্তানদেরকে শিরক এবং হারাম থেকে হেফাজত করুন। আমিন।