Please briefly explain why you feel this question should be reported.

Please briefly explain why you feel this answer should be reported.

Please briefly explain why you feel this user should be reported.

Sign In

মাকতাবাতুল ফিকহ

মাকতাবাতুল ফিকহ Logo মাকতাবাতুল ফিকহ Logo

মাকতাবাতুল ফিকহ Navigation

  • Home
  • All Questions

Mobile menu

Close
  • Home
  • All Questions
  • Login
  • Signup
Home/ Questions/Q 517
In Process

মাকতাবাতুল ফিকহ Latest Questions

Asked: April 17, 20262026-04-17T10:36:37+06:00 2026-04-17T10:36:37+06:00In: তাফসীর

প্রশ্ন নং ৪৩ ‣ জান্নাতীদের ১২ টি গুণ কি কি?

জান্নাতীদের ১২ টি গুণ কি কি?

  • 1 1 Answer
  • 0 Followers
  • 0
Answer

1 Answer

  1. Taqiuddin Ahmed Bin Saad
    Taqiuddin Ahmed Bin Saad
    2026-04-17T10:40:52+06:00Added an answer on April 17, 2026 at 10:40 am

    কুরআনুল কারীমের সূরা আল-মুমিনূন এর ১ থেকে ১১ নম্বর আয়াত। এই আয়াতগুলোতে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা জান্নাতুল ফিরদাউসের উত্তরাধিকারী মুমিনদের মৌলিক গুণাবলির কথা বর্ণনা করেছেন। সালাফে সালেহীনদের তাফসীর (যেমন তাফসীর ইবনে কাসীর) অনুযায়ী সূরা আল-মুমিনূন এবং সূরা আল-ফুরকানে বর্ণিত ‘ইবাদুর রহমান’দের বৈশিষ্ট্য মিলিয়ে জান্নাতীদের ১২টি প্রধান গুণ উল্লেখ করা হয়েছে।
    আল্লাহ তাআলা মুমিনদের সফলতার ঘোষণা দিয়ে বলেন:
    قَدْ أَفْلَحَ الْمُؤْمِنُونَ
    অর্থ: “নিশ্চয়ই মুমিনগণ সফলকাম হয়েছে।” [সূরা আল-মুমিনূন: ১]

    এরপর জান্নাতী মুমিনদের গুণাবলি বর্ণিত হয়েছে:

    ১. সালাতে খুশু-খুজু বা বিনয়াবনত থাকা:
    (الَّذِينَ هُمْ فِي صَلَاتِهِمْ خَاشِعُونَ)
    যারা তাদের সালাতে বিনয়াবনত। সালাতে একাগ্রতা, আল্লাহর ভয় এবং স্থিরতা বজায় রাখা জান্নাতীদের অন্যতম প্রধান গুণ।

    ২. অনর্থক কাজ ও কথা থেকে বিরত থাকা:
    (وَالَّذِينَ هُمْ عَنِ اللَّغْوِ مُعْرِضُونَ)
    যারা অনর্থক ও অসার কাজকর্ম বা কথাবার্তা থেকে বিরত থাকে। অর্থাৎ শিরক, পাপাচার এবং যেসব কথা ও কাজে দুনিয়া বা আখিরাতের কোনো ফায়দা নেই, তারা তা এড়িয়ে চলে।

    ৩. যাকাত আদায় করা:
    (وَالَّذِينَ هُمْ لِلزَّكَاةِ فَاعِلُونَ)
    যারা যাকাত আদায়ের ক্ষেত্রে সক্রিয়। এখানে মালের যাকাত এবং আত্মার পরিশুদ্ধি উভয়টিই উদ্দেশ্য।

    ৪. লজ্জাস্থানের হিফাজত করা:
    (وَالَّذِينَ هُمْ لِفُرُوجِهِمْ حَافِظُونَ)
    যারা নিজেদের লজ্জাস্থানের হিফাজত করে। অর্থাৎ তারা ব্যভিচার এবং সকল প্রকার অশ্লীলতা থেকে নিজেদের পবিত্র রাখে।

    ৫. কেবল বৈধ সম্পর্কের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকা:
    (إِلَّا عَلَى أَزْوَاجِهِمْ أَوْ مَا مَلَكَتْ أَيْمَانُهُمْ فَإِنَّهُمْ غَيْرُ مَلُومِينَ)
    তারা কেবল তাদের স্ত্রী ও অধিকারভুক্ত দাসীদের সাথেই সম্পর্ক রাখে, এতে তারা নিন্দনীয় হবে না। অর্থাৎ তারা শরিয়ত অনুমোদিত হালাল পন্থায় নিজেদের চাহিদা পূরণ করে এবং এর বাইরে কোনো অবৈধ পথ খোঁজে না।

    ৬. আমানত রক্ষা করা:
    (وَالَّذِينَ هُمْ لِأَمَانَاتِهِمْ وَعَهْدِهِمْ رَاعُونَ)
    যারা তাদের আমানতসমূহ বিশ্বস্ততার সাথে রক্ষা করে। এটি আল্লাহর হক এবং বান্দার হক উভয়ের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য।

    ৭. প্রতিশ্রুতি বা অঙ্গীকার পূর্ণ করা:
    তারা তাদের অঙ্গীকার ও চুক্তি নিষ্ঠার সাথে পালন করে। কারো সাথে ওয়াদা করলে তারা তা ভঙ্গ করে না।

    ৮. সালাতের পূর্ণ হিফাজত করা:
    (وَالَّذِينَ هُمْ عَلَى صَلَوَاتِهِمْ يُحَافِظُونَ)
    এবং যারা তাদের সালাতসমূহের যথাযথ হিফাজত করে। অর্থাৎ তারা সঠিক ওয়াক্তে, সঠিক নিয়মে, রুকু-সাজদাহ পূর্ণ করে এবং জামাতের সাথে সালাত আদায় করার ব্যাপারে অত্যন্ত যত্নবান থাকে।

    এই গুণাবলির পুরস্কারস্বরূপ আল্লাহ তাআলা বলেন:
    (أُولَئِكَ هُمُ الْوَارِثُونَ * الَّذِينَ يَرِثُونَ الْفِرْدَوْسَ هُمْ فِيهَا خَالِدُونَ)
    “তারাই হলো উত্তরাধিকারী। যারা ফিরদাউসের উত্তরাধিকারী হবে, সেখানে তারা চিরকাল থাকবে।” [সূরা আল-মুমিনূন: ১০-১১]

    এছাড়াও সূরা আল-ফুরকানের ৬৩ থেকে ৬৫ নম্বর আয়াতে জান্নাতীদের আরও কয়েকটি বিশেষ গুণের কথা উল্লেখ করা হয়েছে:

    ৯. নম্রতা ও বিনয়:
    (وَعِبَادُ الرَّحْمَنِ الَّذِينَ يَمْشُونَ عَلَى الْأَرْضِ هَوْنًا)
    রহমান এর বান্দা তারাই, যারা পৃথিবীতে নম্রভাবে ও অহংকারমুক্ত হয়ে চলাফেরা করে।

    ১০. মূর্খদের সাথে তর্কে না জড়ানো:
    (وَإِذَا خَاطَبَهُمُ الْجَاهِلُونَ قَالُوا سَلَامًا)
    অজ্ঞ বা মূর্খরা তর্কে লিপ্ত হতে চাইলে তারা শান্তিপূ্র্ণ কথা বলে তাদের এড়িয়ে যায়।

    ১১. তাহাজ্জুদ ও রাতের ইবাদত:
    (وَالَّذِينَ يَبِيتُونَ لِرَبِّهِمْ سُجَّدًا وَقِيَامًا)
    যারা তাদের রবের উদ্দেশ্যে সাজদাহবনত হয়ে ও দাঁড়িয়ে (সালাতে) রাত অতিবাহিত করে।

    ১২. আল্লাহর শাস্তির ভয়:
    (وَالَّذِينَ يَقُولُونَ رَبَّنَا اصْرِفْ عَنَّا عَذَابَ جَهَنَّمَ إِنَّ عَذَابَهَا كَانَ غَرَامًا)
    যারা আল্লাহর কাছে সর্বদা দোয়া করে, হে আমাদের রব! আমাদের থেকে জাহান্নামের আজাব দূর করে দিন, নিশ্চয়ই এর আজাব এক অবিচ্ছিন্ন শাস্তি।

    সারসংক্ষেপ হলো, জান্নাতুল ফিরদাউস লাভ করতে হলে একজন মুমিনকে অবশ্যই কুরআন সুন্নাহতে বর্ণিত এই গুণাবলি নিজের জীবনে বাস্তবায়ন করতে হবে। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা আমাদের সকলকে জান্নাতুল ফিরদাউসের উত্তরাধিকারী হওয়ার তাওফিক দান করুন। আমিন।

You must login to add an answer.

Captcha Click on image to update the captcha.

Forgot Password?

Sidebar

Top Question Categories

ইবাদাত
10Questions
, 0Followers
হালাল ও হারাম
9Questions
, 0Followers
লেনদেন ও অর্থনীতি
6Questions
, 0Followers
পারিবারিক জীবন
5Questions
, 0Followers
জিহাদ
3Questions
, 0Followers

Stats

  • Questions 60
  • Answers 58

Explore

  • Login
  • Signup

Footer

মাকতাবাতুল ফিকহ

মাকতাবাতুল ফিকহ

ইসলামিক সমাধান
Home
Categories
All Questions
Terms of service
About us
Contact us

© ২০২৫ মাকতাবাতুল ফিকহ
All Rights Reserved