Please briefly explain why you feel this question should be reported.

Please briefly explain why you feel this answer should be reported.

Please briefly explain why you feel this user should be reported.

Sign In

মাকতাবাতুল ফিকহ

মাকতাবাতুল ফিকহ Logo মাকতাবাতুল ফিকহ Logo

মাকতাবাতুল ফিকহ Navigation

  • Home
  • All Questions

Mobile menu

Close
  • Home
  • All Questions
  • Login
  • Signup
Home/ Questions/Q 549
In Process

মাকতাবাতুল ফিকহ Latest Questions

Asked: May 14, 20262026-05-14T12:03:02+06:00 2026-05-14T12:03:02+06:00In: পারিবারিক জীবন

প্রশ্ন নং ৫০ ‣ পালিয়ে বিবাহ করা কি বৈধ?

পালিয়ে বিবাহ করা কি বৈধ? ছেলে মেয়ে বিবাহে রাজি থাকলে এবং এ রাজির বিষয়ে সাক্ষী থাকলে নাকি বিবাহ হয়ে যায়, এটি কতটুকু সঠিক?

  • 1 1 Answer
  • 0 Followers
  • 0
Answer

1 Answer

  1. Taqiuddin Ahmed Bin Saad
    Taqiuddin Ahmed Bin Saad
    2026-05-14T12:07:01+06:00Added an answer on May 14, 2026 at 12:07 pm

    ইসলামী শরীয়তে বিবাহের ক্ষেত্রে নারী এবং পুরুষের বিধানে কিছুটা পার্থক্য রয়েছে। একজন প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ নিজের বিবাহের আকদ নিজেই সম্পন্ন করতে পারে। কিন্তু কোনো নারী নিজে নিজের বিবাহ সম্পন্ন করতে পারে না। নারীর বিবাহের জন্য তার অভিভাবক (ওয়ালি) এর উপস্থিতি ও সম্মতি শর্ত। তাই ছেলে-মেয়ে শুধু নিজেরা রাজি থাকলে এবং সাক্ষী রাখলেই বিবাহ হয়ে যায়, এই ধারণাটি সম্পূর্ণ ভুল এবং সুন্নাহ পরিপন্থী।
    কুরআনুল কারীমে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা পুরুষদেরকে সরাসরি বিবাহ করার নির্দেশ দিয়েছেন, কিন্তু নারীদের ক্ষেত্রে অভিভাবকদেরকে নির্দেশ দিয়েছেন তাদের মেয়েদের বিবাহ দেওয়ার জন্য। আল্লাহ তাআলা বলেন:
    وَلَا تَنْكِحُوا الْمُشْرِكَاتِ حَتَّى يُؤْمِنَّ وَلَأَمَةٌ مُؤْمِنَةٌ خَيْرٌ مِنْ مُشْرِكَةٍ وَلَوْ أَعْجَبَتْكُمْ وَلَا تُنْكِحُوا الْمُشْرِكِينَ حَتَّى يُؤْمِنُوا وَلَعَبْدٌ مُؤْمِنٌ خَيْرٌ مِنْ مُشْرِكٍ وَلَوْ أَعْجَبَكُمْ
    অর্থ: “আর মুমিন না হওয়া পর্যন্ত তোমরা মুশরিক নারীদের বিবাহ করো না। অবশ্যই একজন মুমিন দাসী একজন মুশরিক স্বাধীন নারীর চেয়ে উত্তম, যদিও সে তোমাদের মুগ্ধ করে। আর মুমিন না হওয়া পর্যন্ত মুশরিক পুরুষদের সাথে (তোমাদের নারীদের) বিবাহ দিয়ো না। অবশ্যই একজন মুমিন দাস একজন মুশরিক স্বাধীন পুরুষের চেয়ে উত্তম, যদিও সে তোমাদের মুগ্ধ করে।” [সূরা আল-বাকারাহ: ২২১]
    এই আয়াতে আল্লাহ তাআলা পুরুষদের ক্ষেত্রে ‘লা তানকিহু’ (تَنْكِحُوا – তোমরা বিবাহ করো না) ব্যবহার করেছেন, যা নিজে বিবাহ করার নির্দেশ। কিন্তু নারীদের ক্ষেত্রে ‘লা তুনকিহু’ (تُنْكِحُوا – তোমরা বিবাহ দিয়ো না) ব্যবহার করেছেন, যার অর্থ অভিভাবকদের প্রতি নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যেন তারা নারীদের বিবাহ দেয়।
    সালাফে সালেহীন এবং জুমহুর (সংখ্যাগরিষ্ঠ) মুহাদ্দিসীনদের মত হলো, অভিভাবক ছাড়া নারীর বিবাহ সম্পূর্ণ বাতিল। এ বিষয়ে সুস্পষ্ট ও সহিহ হাদিস রয়েছে।
    রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
    لاَ نِكَاحَ إِلاَّ بِوَلِيٍّ
    অর্থ: “অভিভাবক (ওয়ালি) ছাড়া কোনো বিবাহ নেই।” [সুনান আবু দাউদ, হাদিস: ২০৮৫; আলবানি (রহ.) হাদিসটিকে সহিহ বলেছেন]
    উম্মুল মুমিনীন আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
    أَيُّمَا امْرَأَةٍ نَكَحَتْ بِغَيْرِ إِذْنِ وَلِيِّهَا فَنِكَاحُهَا بَاطِلٌ فَنِكَاحُهَا بَاطِلٌ فَنِكَاحُهَا بَاطِلٌ
    অর্থ: “যে নারী তার অভিভাবকের অনুমতি ছাড়া বিবাহ করবে, তার বিবাহ বাতিল, তার বিবাহ বাতিল, তার বিবাহ বাতিল।” [সুনান আবু দাউদ, হাদিস: ২০৮৩; জামে আত-তিরমিজি, হাদিস: ১১০২; আলবানি (রহ.) হাদিসটিকে সহিহ বলেছেন]
    আর যে নারী নিজেই নিজের বিবাহ দেয়, তার ব্যাপারে আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে অত্যন্ত কঠোর হুঁশিয়ারি এসেছে:
    لَا تُزَوِّجُ الْمَرْأَةُ الْمَرْأَةَ وَلَا تُزَوِّجُ الْمَرْأَةُ نَفْسَهَا فَإِنَّ الزَّانِيَةَ هِيَ الَّتِي تُزَوِّجُ نَفْسَهَا
    অর্থ: “এক নারী অন্য নারীকে বিবাহ দিতে পারবে না, আর কোনো নারী নিজেও নিজের বিবাহ সম্পন্ন করতে পারবে না। কেননা ব্যভিচারিণী নারীই কেবল নিজেই নিজের বিবাহ দেয়।” [সুনান ইবনে মাজাহ, হাদিস: ১৮৮২; শায়খ আলবানি (রহ.) হাদিসটিকে সহিহ বলেছেন]
    হানাফি মাজহাবে অভিভাবক ছাড়া প্রাপ্তবয়স্কা নারীর বিবাহ শুদ্ধ হওয়ার কথা বলা হলেও, আহলে হাদিস ও সালাফদের বিশুদ্ধ মানহাজ অনুযায়ী উপরের সহিহ হাদিসগুলোর ভিত্তিতে অভিভাবকহীন বিবাহ বাতিল বলে গণ্য হবে। যদি অভিভাবক ছাড়া এমন বিবাহ হয়েও যায়, তবে পরবর্তীতে অভিভাবক যদি সম্মতি দেন, তাহলে বিশুদ্ধ মতানুযায়ী নতুন করে মোহরানা নির্ধারণ করে সাক্ষীর উপস্থিতিতে পুনরায় শরয়ি আকদ করতে হবে।
    পরিশেষে, পালিয়ে বিবাহ করার বিষয়টি শরীয়তে সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ও হারাম। কারণ পালিয়ে যাওয়ার জন্য ছেলে-মেয়ের মাঝে পূর্ব থেকেই অবৈধ যোগাযোগ, অবাধ মেলামেশা এবং হিজাবের বিধান লঙ্ঘন করা অপরিহার্য হয়ে পড়ে, যা ইসলামে জিনার (ব্যভিচার) দরজা খুলে দেয়। একজন মুমিন নারী ও পুরুষের জন্য এমন ঘৃণ্য পথ অবলম্বন করা কখনোই বৈধ নয়। উপযুক্ত সময়ে অভিভাবকদের মাধ্যমে দ্বীনদার পাত্র-পাত্রী দেখে বিবাহ করাই ইসলামের সুন্দরতম বিধান।

You must login to add an answer.

Captcha Click on image to update the captcha.

Forgot Password?

Related Questions

  • প্রশ্ন নং ৪১ ‣ যিনাকারী পুরুষের ক্ষেত্রে স্ত্রীর করণীয় কী?
  • প্রশ্ন নং ৩৬ ‣ স্ত্রীকে না জানিয়ে দেনমোহর কমানো যাবে কি?
  • প্রশ্ন নং ৩২ ‣ যিনাকারী পুরুষের ক্ষেত্রে স্ত্রীর করণীয় কী?
  • প্রশ্ন নং ১৯ ‣ বিধবা মেয়ের অভিভাবক বিয়ে না দিলে দ্বীনি ভাইদের অভিভাবক বানিয়ে বিয়ে দেওয়া যাবে কি?
  • প্রশ্ন নং ০৬ ‣ দীর্ঘদিন স্ত্রী থেকে দূরে থাকলে কি তালাক হয়ে যাবে?

Sidebar

Top Question Categories

ইবাদাত
14Questions
, 0Followers
হালাল ও হারাম
10Questions
, 0Followers
পারিবারিক জীবন
6Questions
, 0Followers
লেনদেন ও অর্থনীতি
6Questions
, 0Followers
জিহাদ
3Questions
, 0Followers

Stats

  • Questions 69
  • Answers 67

Explore

  • Login
  • Signup

Footer

মাকতাবাতুল ফিকহ

মাকতাবাতুল ফিকহ

ইসলামিক সমাধান
Home
Categories
All Questions
Terms of service
About us
Contact us

© ২০২৫ মাকতাবাতুল ফিকহ
All Rights Reserved