ইসলামী শরীয়তে এবং সালাফে সালেহীনদের শিষ্টাচার অনুযায়ী ‘হা হা’ করে উচ্চশব্দে অট্টহাসি দেওয়া অপছন্দনীয় এবং ভদ্রতার পরিপন্থী। হাসির সুন্নাহসম্মত এবং সর্বোত্তম তরিকা হলো মুচকি হাসা (তাবাসসুম), যাতে কোনো উচ্চশব্দ তৈরি হয় না।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কখনোই শব্দ করে বা অট্টহাসি দিতেন না। তাঁর হাসি ছিল অত্যন্ত মার্জিত এবং কেবল মুচকি হাসি।
উম্মুল মুমিনীন আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন:
مَا رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مُسْتَجْمِعًا ضَاحِكًا قَطُّ حَتَّى أَرَى مِنْهُ لَهَوَاتِهِ إِنَّمَا كَانَ يَتَبَسَّمُ
অর্থ: “আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে কখনো এমন অট্টহাসি হাসতে দেখিনি যে, তাঁর আলজিভ দেখা যায়। তিনি কেবল মুচকি হাসতেন।” [সহিহ বুখারি, হাদিস: ৪৮২৮ এবং সহিহ মুসলিম, হাদিস: ৮৯৯]
তবে কখনো কখনো আনন্দদায়ক বা বিস্ময়কর কোনো বিষয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এমনভাবে হাসতেন যে, তাঁর সামনের মাড়ির দাঁতগুলো প্রকাশ পেত, কিন্তু তাতেও কোনো উচ্চশব্দ হতো না।
প্রখ্যাত সাহাবি আব্দুল্লাহ ইবনে আল-হারিস ইবনে জাযয়ী (রা.) বলেন:
مَا رَأَيْتُ أَحَدًا أَكْثَرَ تَبَسُّمًا مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
অর্থ: “আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর চেয়ে বেশি মুচকি হাসতে আর কাউকে দেখিনি।” [জামে আত-তিরমিজি, হাদিস: ৩৬৪১; শায়খ আলবানি (রহ.) হাদিসটিকে সহিহ বলেছেন]
অট্টহাসি বা অতিরিক্ত হাসাহাসি করা মুমিনের গাম্ভীর্যের পরিপন্থী এবং এটি অন্তরের জন্য চরম ক্ষতিকর। এটি মানুষের অন্তরকে ধীরে ধীরে মৃত করে দেয় এবং আল্লাহর স্মরণ থেকে গাফেল করে তোলে।
আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
وَلَا تُكْثِرِ الضَّحِكَ، فَإِنَّ كَثْرَةَ الضَّحِكِ تُمِيتُ القَلْبَ
অর্থ: “আর তুমি অতিরিক্ত হেসো না, কারণ অতিরিক্ত হাসি অন্তরকে মৃত করে দেয়।” [সুনান ইবনে মাজাহ, হাদিস: ৪১৯৩ এবং জামে আত-তিরমিজি, হাদিস: ২৩০৫; শায়খ আলবানি (রহ.) হাদিসটিকে সহিহ বলেছেন]
সুতরাং, একজন মুসলিমের উচিত সর্বদা গাম্ভীর্য ও ইসলামী শিষ্টাচার বজায় রাখা। শব্দ করে অট্টহাসি বর্জন করে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সুন্নাহ অনুযায়ী কেবল মুচকি হাসার অভ্যাস গড়ে তোলা আমাদের সকলের কর্তব্য। আল্লাহ তাআলা আমাদের উত্তম চরিত্র গঠন করার তাওফিক দান করুন। আমিন।
ইসলামী শরীয়তে এবং সালাফে সালেহীনদের শিষ্টাচার অনুযায়ী ‘হা হা’ করে উচ্চশব্দে অট্টহাসি দেওয়া অপছন্দনীয় এবং ভদ্রতার পরিপন্থী। হাসির সুন্নাহসম্মত এবং সর্বোত্তম তরিকা হলো মুচকি হাসা (তাবাসসুম), যাতে কোনো উচ্চশব্দ তৈরি হয় না।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কখনোই শব্দ করে বা অট্টহাসি দিতেন না। তাঁর হাসি ছিল অত্যন্ত মার্জিত এবং কেবল মুচকি হাসি।
উম্মুল মুমিনীন আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন:
مَا رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مُسْتَجْمِعًا ضَاحِكًا قَطُّ حَتَّى أَرَى مِنْهُ لَهَوَاتِهِ إِنَّمَا كَانَ يَتَبَسَّمُ
অর্থ: “আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে কখনো এমন অট্টহাসি হাসতে দেখিনি যে, তাঁর আলজিভ দেখা যায়। তিনি কেবল মুচকি হাসতেন।” [সহিহ বুখারি, হাদিস: ৪৮২৮ এবং সহিহ মুসলিম, হাদিস: ৮৯৯]
তবে কখনো কখনো আনন্দদায়ক বা বিস্ময়কর কোনো বিষয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এমনভাবে হাসতেন যে, তাঁর সামনের মাড়ির দাঁতগুলো প্রকাশ পেত, কিন্তু তাতেও কোনো উচ্চশব্দ হতো না।
প্রখ্যাত সাহাবি আব্দুল্লাহ ইবনে আল-হারিস ইবনে জাযয়ী (রা.) বলেন:
مَا رَأَيْتُ أَحَدًا أَكْثَرَ تَبَسُّمًا مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
অর্থ: “আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর চেয়ে বেশি মুচকি হাসতে আর কাউকে দেখিনি।” [জামে আত-তিরমিজি, হাদিস: ৩৬৪১; শায়খ আলবানি (রহ.) হাদিসটিকে সহিহ বলেছেন]
অট্টহাসি বা অতিরিক্ত হাসাহাসি করা মুমিনের গাম্ভীর্যের পরিপন্থী এবং এটি অন্তরের জন্য চরম ক্ষতিকর। এটি মানুষের অন্তরকে ধীরে ধীরে মৃত করে দেয় এবং আল্লাহর স্মরণ থেকে গাফেল করে তোলে।
আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
وَلَا تُكْثِرِ الضَّحِكَ، فَإِنَّ كَثْرَةَ الضَّحِكِ تُمِيتُ القَلْبَ
অর্থ: “আর তুমি অতিরিক্ত হেসো না, কারণ অতিরিক্ত হাসি অন্তরকে মৃত করে দেয়।” [সুনান ইবনে মাজাহ, হাদিস: ৪১৯৩ এবং জামে আত-তিরমিজি, হাদিস: ২৩০৫; শায়খ আলবানি (রহ.) হাদিসটিকে সহিহ বলেছেন]
সুতরাং, একজন মুসলিমের উচিত সর্বদা গাম্ভীর্য ও ইসলামী শিষ্টাচার বজায় রাখা। শব্দ করে অট্টহাসি বর্জন করে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সুন্নাহ অনুযায়ী কেবল মুচকি হাসার অভ্যাস গড়ে তোলা আমাদের সকলের কর্তব্য। আল্লাহ তাআলা আমাদের উত্তম চরিত্র গঠন করার তাওফিক দান করুন। আমিন।