Please briefly explain why you feel this question should be reported.

Please briefly explain why you feel this answer should be reported.

Please briefly explain why you feel this user should be reported.

Sign In

মাকতাবাতুল ফিকহ

মাকতাবাতুল ফিকহ Logo মাকতাবাতুল ফিকহ Logo

মাকতাবাতুল ফিকহ Navigation

  • Home
  • All Questions

Mobile menu

Close
  • Home
  • All Questions
  • Login
  • Signup
Home/ Questions/Q 597
In Process

মাকতাবাতুল ফিকহ Latest Questions

Asked: July 5, 20262026-07-05T09:05:27+06:00 2026-07-05T09:05:27+06:00In: ️বিবিধ

প্রশ্ন নং ৬২ ‣ ঋণ পরিশোধ নাকি জিহাদ, কোনটি অগ্রগণ্য?

১. আমাদের পরিবারের অনেক ঋণ, প্রায় ১২ থেকে ১৩ লক্ষ টাকা। এখন এ অবস্থায় আমার ঋণ পরিশোধ করা উত্তম হবে নাকি জিহাদে যাওয়া উত্তম হবে?
২. আমি যে দোকানে চাকরি করি, দোকানের মালিক সালাতের সময় অন্যত্র চলে যান। তখন আমাকে দোকানে থাকতে হয়। এই কারণে আমি জামাতে সালাত আদায় করতে পারি না। এখন আমার করণীয় কী?
৩. আমার হুডিতে লেখা ‘Islam is Light’। এটি পরিধান করে কি বাথরুমে যাওয়া যাবে?

  • 1 1 Answer
  • 0 Followers
  • 0
Answer

1 Answer

  1. Taqiuddin Ahmed Bin Saad
    Taqiuddin Ahmed Bin Saad
    2026-07-05T09:12:25+06:00Added an answer on July 5, 2026 at 9:12 am

    ১. ঋণ পরিশোধ বনাম জিহাদ:
    ইসলামী শরীয়তে মানুষের অধিকার বা ‘হুকুকুল ইবাদ’ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে ঋণের বিষয়টি এতই সংবেদনশীল যে, আল্লাহর পথে শহীদ ব্যক্তিরও ঋণ ব্যতীত অন্য সকল গুনাহ মাফ করে দেওয়া হয়।
    আব্দুল্লাহ ইবনে আমর ইবনুল আস (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
    يُغْفَرُ لِلشَّهِيدِ كُلُّ ذَنْبٍ إِلَّا الدَّيْنَ
    অর্থ: “শহীদের সকল গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হয়, তবে ঋণ ব্যতীত।” [সহিহ মুসলিম, হাদিস: ১৮৮৬]
    আপনার পরিবারের ওপর যেহেতু ১২ থেকে ১৩ লক্ষ টাকার বিশাল অংকের ঋণ রয়েছে এবং আপনি যদি সেই ঋণ পরিশোধের জন্য দায়িত্বশীল ব্যক্তি হয়ে থাকেন, তবে আপনার জন্য ঋণ পরিশোধের প্রচেষ্টা করা এবং পরিবারের পাশে থাকা অগ্রাধিকার পাবে। যদি জিহাদ বর্তমানে আপনার জন্য ‘ফরজে আইন’ না হয়ে থাকে, তবে ঋণদাতার অনুমতি ও ঋণ পরিশোধের ব্যবস্থা করা ছাড়া জিহাদে বের হওয়া সমীচীন নয়।
    আপনার বর্তমান অবস্থানের প্রেক্ষাপটে আপনার উচিত প্রথমত নিজের আক্বীদাহ ও আমলকে বিশুদ্ধ করা এবং নিজের পরিবারকে একটি দ্বীনি ঘাঁটি হিসেবে গড়ে তোলা। আল্লাহ তাআলা নির্দেশ দিয়েছেন:
    وَأَنْذِرْ عَشِيرَتَكَ الْأَقْرَبِينَ
    অর্থ: “এবং আপনি আপনার নিকটাত্মীয়দের সতর্ক করুন।” [সূরা আশ শুআরা: ২১৪]
    আপনজনদের ঈমানী দায়িত্ব ও জিহাদের জন্য প্রস্তুত না করে অন্য কোথাও চলে যাওয়া সুন্নাহর পরিপন্থী। সুতরাং আপনি ঋণ পরিশোধের জন্য হালাল উপার্জনে সচেষ্ট হোন এবং একই সাথে জিহাদের নিয়ত ও মানসিক প্রস্তুতি অব্যাহত রাখুন।
    ২. দোকানে একা সালাত আদায় প্রসঙ্গে:
    একজন সক্ষম মুসলিম পুরুষের জন্য মসজিদে জামাতের সাথে সালাত আদায় করা ওয়াজিব বা অত্যাবশ্যক। সামান্য পার্থিব কারণ বা চাকরির অজুহাতে জামাত ত্যাগ করা বৈধ নয়।
    আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
    لَقَدْ هَمَمْتُ أَنْ آمُرَ بِالصَّلاَةِ فَتُقَامَ، ثُمَّ أُخَالِفَ إِلَى رِجَالٍ لاَ يَشْهَدُونَ الصَّلاَةَ، فَأُحَرِّقَ عَلَيْهِمْ بُيُوتَهُمْ
    অর্থ: “আমার ইচ্ছা হয় আমি সালাত কায়েমের নির্দেশ দেই এবং এক ব্যক্তিকে ইমামতি করতে বলি, এরপর আমি ওই সব লোকদের কাছে যাই যারা জামাতে উপস্থিত হয়নি এবং তাদের ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দেই।” [সহিহ বুখারি, হাদিস: ৬৫৭ এবং সহিহ মুসলিম, হাদিস: ৬৫১]
    এমনকি একজন অন্ধ ব্যক্তিকেও রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জামাতে আসার নির্দেশ দিয়েছেন যদি সে আযান শুনতে পায়। [সহিহ মুসলিম, হাদিস: ৬৫৩]
    আপনার করণীয় হলো দোকানের মালিকের সাথে অত্যন্ত নম্রভাবে জামাতের গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করা। তাকে বোঝান যে সালাতের সময় দোকান বন্ধ রাখলে বা তাকে জামাতে আসার সুযোগ দিলে ব্যবসায় বরকত হবে। সম্ভব হলে তাকেও দাওয়াত দিয়ে মসজিদে নিয়ে যান। যদি তিনি একান্তই রাজি না হন, তবে দোকানেই অন্তত দুই বা ততোধিক ব্যক্তি মিলে জামাত করার চেষ্টা করুন। আর যদি এই চাকরি আপনার ফরজ ইবাদতে স্থায়ী বাধার সৃষ্টি করে, তবে এমন কর্মসংস্থান খোঁজা উচিত যেখানে আল্লাহর বিধান পালনে পূর্ণ স্বাধীনতা রয়েছে।
    ৩. ইসলামি লেখাযুক্ত পোশাক পরে বাথরুমে যাওয়া:
    শরীয়তের মূলনীতি হলো, বাথরুমে বা অপবিত্র স্থানে এমন কিছু নিয়ে যাওয়া মাকরূহ বা নিষিদ্ধ যাতে আল্লাহর নাম, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নাম কিংবা কুরআনের কোনো আয়াত লিখিত থাকে।
    আপনার হুডিতে ‘Islam is Light’ (ইসলাম হলো আলো) লেখা আছে। এটি একটি সাধারণ ইসলামি বাক্য এবং এতে আল্লাহর নাম (যেমন আল্লাহ, রব, রহমান) কিংবা রাসূলের নাম অথবা কুরআনের আয়াত সরাসরি নেই। সালাফি উলামায়ে কেরামের ফতোয়া অনুযায়ী, এই ধরনের সাধারণ বর্ণনাযুক্ত পোশাক পরে বাথরুমে প্রবেশ করা হারাম নয়। তবে দ্বীনি নিদর্শনের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের জন্য যদি সম্ভব হয় সেটি ঢেকে রাখা বা পরিবর্তন করা উত্তম।
    আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা বলেন:
    ذَلِكَ وَمَنْ يُعَظِّمْ شَعَائِرَ اللَّهِ فَإِنَّهَا مِنْ تَقْوَى الْقُلُوبِ
    অর্থ: “এটিই আল্লাহর বিধান এবং কেউ আল্লাহর নিদর্শনাবলিকে সম্মান করলে তা তো তার হৃদয়ের তাকওয়ারই বহিঃপ্রকাশ।” [সূরা আল হাজ্জ: ৩২]
    সুতরাং ‘Islam is Light’ লেখা পোশাকে বাথরুমে যাওয়া জায়েজ হলেও আল্লাহর নাম বা কুরআনের আয়াত থাকলে তা কঠোরভাবে পরিহার করতে হবে। আল্লাহই সবচেয়ে ভালো জানেন।

You must login to add an answer.

Captcha Click on image to update the captcha.

Forgot Password?

Related Questions

  • প্রশ্ন নং ২৮ ‣ কারও চুল পাকলে কি মরণের চিঠি আসে?

Sidebar

Top Question Categories

ইবাদাত
17Questions
, 0Followers
হালাল ও হারাম
11Questions
, 0Followers
পারিবারিক জীবন
9Questions
, 0Followers
লেনদেন ও অর্থনীতি
7Questions
, 0Followers
জিহাদ
4Questions
, 0Followers

Stats

  • Questions 81
  • Answers 79

Explore

  • Login
  • Signup

Footer

মাকতাবাতুল ফিকহ

মাকতাবাতুল ফিকহ

ইসলামিক সমাধান
Home
Categories
All Questions
Terms of service
About us
Contact us

© ২০২৫ মাকতাবাতুল ফিকহ
All Rights Reserved