গ্রামে-গঞ্জে চোর ধরা পড়লে জনগণ শরীয়াহ মোতাবেক শাস্তি প্রয়োগ করতে পারবেন না। এমনকি মারধরও করতে পারবেন না। কারণ তারা কেউ ইসলামী শরীয়াহ কার্যকর করার কর্তৃপক্ষ নন। কোনো হাদ্দ কার্যকরী করতে হলে শারঈ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে করতে হয়। কারণ এতে কোনো ধরণের ত্রুটি শরীয়তে গ্রহণযোগ্য নয়। আর এটা হুট করে কার্যকরী করার বিষয়ও নয়।
সাহাবীগণ চোরকে নিজে শাস্তি না দিয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট নিয়ে যেতেন। অনুরূপভাবে পরবর্তীতে আবু বকর (রা:) খলিফা হলে তার নিকট নিয়ে যেতেন।
গ্রামে-গঞ্জে চোর ধরা পড়লে জনগণ শরীয়াহ মোতাবেক শাস্তি প্রয়োগ করতে পারবেন না। এমনকি মারধরও করতে পারবেন না। কারণ তারা কেউ ইসলামী শরীয়াহ কার্যকর করার কর্তৃপক্ষ নন। কোনো হাদ্দ কার্যকরী করতে হলে শারঈ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে করতে হয়। কারণ এতে কোনো ধরণের ত্রুটি শরীয়তে গ্রহণযোগ্য নয়। আর এটা হুট করে কার্যকরী করার বিষয়ও নয়।
সাহাবীগণ চোরকে নিজে শাস্তি না দিয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট নিয়ে যেতেন। অনুরূপভাবে পরবর্তীতে আবু বকর (রা:) খলিফা হলে তার নিকট নিয়ে যেতেন।